বিশেষ সংবাদদাতা : বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশনে গত ৬ মাসেও ঠিকাদারি কাজের ওয়ার্কপ্লান করা হয়নি। জুন মাসে ওয়ার্কপ্লান তৈরি করা হলেও তা সংস্থার চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের স্বাক্ষরের অপেক্ষায় পড়ে আছে গত প্রায় ৬ মাস যাবত। এটা কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা কিনা- তাতে নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন ঠিকাদাররা, ফলে জরুরি অপারেশনমুরক কাজেও অনীহা দেখা দিয়েছে। ফলে বিভিন্ন বিমানবন্দরে রানওয়ের বাতি ন্ষ্ট হলেও তা জরুরি অপারেশনমুলক কাজের আওতায় কাজ করেও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারার কাজের ইস্টিমেট, টেন্ডার করে ফাইনাল বিল পেতে বছরের পর বছর লেগে যাচ্ছে। ফলে জরুরি অপারেমনমুলক কাজেও ঠিকাদাররা অনীহা প্রকাশ করছেণ। এর ফলে যে কোন সময় অন্ধকার নেমে আসতে পারে দেশের প্রধান বিমানবন্দর শাহজালালসহ অন্যান্য বিমানবন্দরে-এমন আশংকা করছেন সংশ্লিষ্টরা। সংি শ্লষ্ট ঠিকাদাররা নিজের পকেটের টাকা খরচ করে বিভিন্ন বিমানবন্দরে জরুরি অপারেশনমুলক কাজ করলেও তা ওয়ার্কপ্লানের আওতাভুক্ত না হওয়ায় বছরের পর বছর বিল পাচ্ছে না বলে ঠিকাদাররা এমন অভিযোগও করছেন। জাতির জনকের নামে বিল বোর্ডের কাজ করেও বিল পেতে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার জানান।
খোজখবর নিয়ে জানা গেছে, গত অর্থবছর শেষ হয়েছে জুন মাসে। চলতি অর্থবছরের ৬ মাস হতে চলছে। কিন্ত এখনও ঠিকাদারি কাজের ওয়ার্কপ্লান হয়নি। ফলে ঠিকাদারি কাজে স্থবিরতা নেমে এসেছে। সিএএবির চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরের অপেক্ষায় মুখথুবড়ে পড়ে আছে ওয়ার্কপ্লান। ঠিকাদাররা প্রশ্ন তুলছেন- কবে ওয়ার্কপ্লান পাস হবে, কবে কাজের ইস্টিমেট হবে, কবে কাজ শুরু হবে। তারা জানান, এক একটি ঠিকাদারি কাজ সম্পন্ন হতে প্রায় ১০০ স্বাক্ষর লাগে। সে ক্ষেত্রে একটি ঠিকাদারি কাজ শেষ করে ফাইনাল বিল পেতে ২ বছর লেগে যায়, কোন কোন কাজের ক্ষেত্রে কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরও ফান্ডের টাকা শেষ হয়ে যাবার কারণে বিল পেতে ২/৩ বছরও লেগে যায়। এমত্স্থাতায় চলতি অর্থবছরের প্রায় ৬ মাস অতিবাহিত হতে চললেও সিএএবিতে ঠিকাদারি কাজের ওয়ার্কপ্লান না হওয়ায় কাজে স্থবিরতা নেমে এসেছে।
সূত্রমতে অন্যান্য অর্থবছরে ওয়ার্কপ্লান পাস হবার আগেও সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রকৌশলীরা কাজের ইস্টিমেট বিতরণ করতো, পরে তা ওয়ার্কপ্লানের অন্তর্ভুক্ত করা হতো। কিন্ত এ অর্থবছরে তা ঘোষণা দিয়ে মানা করা হয়েছে। ফলে প্রকৌশলীরা অগ্রীম কাজের ইস্টিমেট বিতরণ করতে পারছে না।
গত ৬ মাসেও ঠিকাদারি কাজের ওয়ার্কপ্লান পাস না হওয়ায় ৫ শতাধিক ঠিকাদার ক্ষুব্ধ। তারা প্রতিদিন অফিসে আসছেন আর ওয়ার্কপ্লান পাসের খোজখবর নিচ্ছেন। কিন্ত ওয়ার্কপ্লান পাস না হওয়ায় তারা হতাশ। তবে ঠিকাদাররা ফুসে উঠছেন।আবার অনেক ঠিকাদার প্রশ্ন তুলছেন, এ বছর কি সিভিল এভিয়েশনে ঠিকাদারি কাজ হবে না, নাকি সব টাকা পদ্মাসেতুতে নিয়ে নিয়েছে, তাহলে কেন ৬ মাসেও ওয়ার্কপ্লান পাস হচ্ছে না।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
