‘১৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হুদার জামিন হয় ৩ দিনে, খালেদা জিয়ার জামিনা হয় না ১৪ মাসেও : তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের আভাস’

একুশে বার্তা ডেক্স : বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর লন্ডন সফরের মধ্য দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আরেকটি উল্লেখযোগ্য ষড়যন্ত্রের আভাস পাচ্ছি। গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয়তাবাদী নবীন দলের আয়োজনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তির দাবিতে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, এখন আমাদের সবচেয়ে খারাপ সময় যাচ্ছে। কারণ প্রধানমন্ত্রী যদি জনগণের ভোটে জয়লাভ করতো তাহলে তার মুখ থেকে নাবালক সুচক বক্তব্য আসতো না। তিনি বলেন, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে যখন শেখ হাসিনা কথা বলেন, আমি তখন খুব গর্ববোধ করি।

কারণ তারেক রহমান রাজনীতিতে একটা ফ্যাক্ট। তারেক রহমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে আলোচিত। দেশপ্রেমিক জণগনের নেতা।

প্রধানমন্ত্রীর লন্ডন সফরের মধ্যে দিয়ে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আরেকটি উল্লেখযোগ্য ষড়যন্ত্রের আভাস পাচ্ছি। কিন্তু আমরা যদি ইউনাইটেড থাকি তাহলে কিছুই হবে না। আমরা যখন সাহস করে মাঠে নামার জন্য ডাক দেবো তখন জনগণ মাঠে নেমে যাবেন। কারণ দেশবাসী আমাদের সঙ্গে নামার জন্য অপেক্ষা করছে। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী আমরা কর্মসুচি দিলে তারা আমাদের সঙ্গে থাকবে। কারণ বিএনপি জনগণের দল। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় খালেদা জিয়া নির্দোষ। সরকার নিয়ন্ত্রিত আদালতের মাধ্যমে জনসম্মুখে এবং বিশ্বের কাছে তাকে হেয় করার জন্য দীর্ঘ দিন ধরে কারাগারে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, ১৫ বছরের সাজা প্রাপ্ত ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা তিন দিনের মধ্যে জামিন পেলেন, কিন্তু খালদা জিয়ার ১৪ মাস লাগবে কেন? বিচারপতিদের সঙ্গে আমাদের শত্রুতা আছে? না থাকলে তারা কেন এরকম আচরণ করছেন? তারা এরকম করছে সরকারের নির্দেশে।

সরকারের নির্দেশ না মানলে তাদের চাকরি থাকবে না। বিএনপির এই নেতা  বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমানের একটি মামলায় খালাস দিয়েছিলেন যে বিচারক, তিনি দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। আপাতত দেশে আসতে পারবেন এরকম কোনো সম্ভাবনাও নেই।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি হুমায়ুন আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানার সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, কৃষক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কে এম রকিবুল ইসলাম  রিপন প্রমুখ।