নিজস্ব প্রতিবেদক : আগামী ৪ জানুয়ারী বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ জন্য ব্যাপক কর্মসূচী হাতে সনেয়া হয়েছে। ৬ দিনব্যাপী কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে আনন্দ র্যালী, রক্তদান কর্মসূচী, শিক্ষা উপকরণ ও শীতবস্ত্র বিতরণ। তবে যানজটে জনভোগান্তির কথা বিবেচনা করে এ বছর ৪ জানুয়ারী র্যালী না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংগঠনটি। নির্ধারিত আনন্দ র্যালীটি অনুষ্ঠিত হবে সরকারী ছুটির দিন শনিবার সকাল ১০ টায়। ১ জানুয়ারী সোমবার ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন শাহজাদা স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতির পিতার নিজ হাতে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বর্ণাঢ্যভাবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি নানা কর্মসূচী নিয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে বেশ কয়েকটি উপ-কমিটি করা হয়েছে। নেয়া হয়েছে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা।
কর্মসূচীগুলোর মধ্যে রয়েছে ৪ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬ টায় ছাত্রলীগের সকল সাংগঠনিক কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন। সাড়ে ৭ টায় জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরর হমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন। সকাল ১০ টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে কেক কাটা। ওইদিন রাজধানী ছাড়া দেশের অন্য সকল ইউনিটে আনন্দ র্যালী বের করা হবে। ৫ জানুয়ারী শুক্রবার রাজধানীসহ সারাদেশে গণতন্ত্রের বিজয় দিবস পালন করবে ছাত্রলীগ। ৬ জানুয়ারী সকাল ১০ টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ পর্যন্ত আনন্দ র্যালী অনুষ্ঠিত হবে। এতে অংশ নেবেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি ছাড়াও, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ এবং রাজধানীতে অবস্থিত ছাত্রলীগের সকল ইউনিটের নেতা-কর্মীরা র্যালীতে অংশ নেবেন।
৮ জানুয়ারী সোমবার দুপুর ২ টায় ঢাবি,র সোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বরে দুঃস্থদের মাঝে শীতবসন্ত্র বিতরণ, ৯ জানুয়ারি মঙ্গলবার স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি এবং ১১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বেলা ১০ টায় অপরাজেয় বাংলায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করার কর্মসূচী নেয়া হয়েছে।
ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন শাহজাদা জানান, ৪ তারিখ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী হলেও ওইদিন সরকারী ছুটি না হওয়ায় ঢাকায় আমরা কোনো আনন্দ র্যালী করব না। কিন্তু অন্যান্য কর্মসূচী পালন করা হবে। গত বছর আমাদের সিদ্ধান্ত ছিল সাধারণ জনগণের যেন কোনরকম দুর্ভোগ না হয় সে জন্য ছুটির দিন ছাড়া ছাত্রলীগ ঢাকার শহরে কোন আনন্দ র্যালী করবেনা। এবার আমরা সেটি বাস্তবায়ন করছি। ভবিষ্যতেও এ ধারাবাহিকতা আমরা অব্যাহত রাখবো।
