৯৬ স্বর্নের জব্দ, মামলা, ব্লাক শরিফের টিকিটিও স্পর্শ করতে পারলো না প্রশাসন, আইজিপিরি বন্ধু বলে কথা! পণ্য খালাস হচ্ছে সাধারণ সিএন্ডএফ-এর পণ্য একসাইট করে, আবার শ্যামলের রাজত্ব, ভাই প্রকাশ্যে, শ্যামল নেপথ্যে, কাস্টমস কমিশনারের বিরুদ্ধে রিট মামলা

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা কাস্টমস হাউজের কুরিয়ার শুল্কায়ন দিয়ে ৯৬ স্বর্নের বার পাচারের প্রাক্কালে কাস্টমস গোয়েন্দা কর্তৃক আটক- জব্দ , মামলা, তদন্ত চলমান থাকার পরও এর সাথে যে নামটি মুখে মুখে প্রচার হচ্ছে সেই ব্লাক শরিফের টিকিটিও স্পর্শ করতে পারছে না প্রশাসন, শুধু তার প্রতিষ্ঠানের এক কর্মচারিকে গ্রেফতার করেছে আইন-শৃংখলা রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্যরা। ব্লাক শরিফ নাকি আইজিপির বন্ধু পরিচয়ে দাপট দেখাচ্ছে- এ কথা বলে বেড়াচ্ছে সাধারণ সিএন্ডএফরা। এর সাথে সরাসরি জড়িত এসিএস খাচার কর্নধার দুই ভাই কানাডা পালিয়ে গেলেও তাদের দুই নম্বরি ব্যবসা বন্ধ হয়নি, তাদের খাচা সীলগালা করা হলেও এককালের কুরিয়ারের ত্রাস, কাস্টমস কর্মকর্তাদের মারধর করে ৩০ কোটি টাকার পণ্য ফিল্মি স্টাইলে ছিনিয়ে নেয়ার নায়ক শ্যামলের এসএমই খাচা ব্যবহার করে এসিএস খাচার নামে পণ্য দেদারচ্ছে দুই নম্বরি পদ্ধতিতে খালাস হয়ে যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।কাস্টমস কর্তৃপক্ষ দেখেও না দেখার ভান করছে। শ্যালের ভাই প্রিন্স প্রকাশ্যে, শ্যামল নেপথ্যে। এই শ্যামল পণ্য খালাস জটিলতায় কাস্টমস কমিশনারের নামে রিট মামলাও করেছে।
এ দিকে কুরিয়ারে নিষিদ্ধ ব্যবসায়ীরা আবার সক্রিয়। এদের মধ্যে পিচ্চি আলামিন, হাসান, ব্লাক শরিফ, মামা-ভাগিনা, সিডি নাজির নেতৃত্ব দিচ্ছে।
এ ব্যাপারে শরিফ জানান, আমি ব্লাক শরিফ না, আমার এক কর্মচারিকে ফাসিয়ে দেয়া হয়েছে।
বদরুল আলম শ্যমলও তার খাচা ব্যবহার করে এসিএস খাচার পণ্য খালাসের কথা অস্বীকার করেন।ৃ