শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:০৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
উত্তর যুবলীগের ৫ থানার ৯টি ওয়ার্ডের কমিটি ঘোষণা না হলেও পদ-পদবী দিয়ে পোস্টার

নিউজ ডেক্স : ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের ৫ থানার ৯টি ওয়ার্ডের গত ২০ সেপ্টেম্বর কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এখনও কমিটি ঘোষণা করা হয়নি। অথচ একটি স্বার্থান্বেষী মহল তারা বিভিন্ন পদ-পদবী দিয়ে এলাকায় সাটিয়েছেন ব্যানার ও পোস্টার। আমাদেরসময়ডটকম

জানা গেছে, বিমানবন্দর , উত্তর খান, দক্ষিণ খান, উত্তরা পূর্ব ও পশ্চিম ৫ থানার ৯টি ওয়ার্ডের কাউন্সিল হওয়ার পর এখন চলছে সাংগঠনিক কমিটি গঠনের কাজ। বিমান বন্দর প্রশাসনিক থানা ঘোষণার পর থেকে এখন পর্যন্ত যুবলীগের কোনো কমিটি মহানগর দেওয়া হয়নি। অথচ মো. হৃদয় চৌধুরী, মজিবুর রহমান সোহেল নিজেদেরকে বিমানবন্দর থানা যুবলীগের সভাপতি পরিচয় দিয়ে আসছেন। এমনকি ব্যানার ফেস্টুনও সাটিয়েছেন। তবে এলাকার সাধারণ মানুষ মনে করেন, একমাত্র চাঁদাবাজির জন্যই যুবলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে এ ধরণের পোস্টার ও ব্যানার সাটানো হচ্ছে।

জানা গেছে, গত ২৮ সেপ্টেম্বর ৯টি ওয়ার্ডের কমিটি হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু কোনো কারণে ওই কমিটি ঘোষণা করা হয়নি। এতে যারা সভাপতি সাধারণ সম্পাদক হতে আগ্রহী তারা অনেকেই ইতিমধ্যে ব্যানার ফেস্টুন সাটিয়ে তাদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন।

৪৯ নং ওয়ার্ডের এক কর্মী জানান, হৃদয় এ এলাকায় থাকেন না, এরপরও প্রায়ই তার আনাগোনা দেখা যাচ্ছে। অপরদিকে মজিবুর রহমান সোহেল বিমান বন্দর এলাকায় বিভিন্ন ধরণের ব্যবসার নামে বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত। এদেরকে সংগঠনের কোনো পদ দিলে তারা ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করবে।
এদিকে ৪৮নং ওয়ার্ডে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নাম শোনা যাচ্ছে বেশ কয়েক জনের। এদের মধ্যে রয়েছেন বরাদুল আলম চান্দু, কাজী মোহাব্বত ও রুবেল। ৫০নং ওয়ার্ডে শহীদুল ইসলাম রিপন, শাহরিয়ার আলম। ৪৭নং ওয়ার্ডে রাজিব ও মোক্তার আলী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উত্তরা থানা আওয়ামী লীগের এক নেতা জানান, সম্প্রতি হয়ে যাওয়া কাউন্সিলে যারা পদের দাবি করছেন, তারা প্র্যতেকেই আগে বিভিন্ন ইউনিয়নে দায়িত্বে ছিলেন। এই কাউন্সিলেও যদি তাদের পদ দেয়া হয়, তাহলে নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি হবে না। পাশাপাশি নতুন যারা রাজনীতিতে আসছে তারা দল করার আগ্রহ হারাবে।

৪৯ ওয়ার্ডের সভাপতি প্রার্থী মজিবুর রহমান সোহেল বলেন, আমাকে একটি আহবায়ক কমিটির দায়িত্ব দেয়া হয়েছিলো। এ পদ দিয়েই তিনি ব্যানার ফেস্টুন টাংগিয়েছেন।

৪৯ ওয়ার্ডের আরেক সভাপতি প্রার্থী হৃদয় চৌধুরী জানান, আমাকে চার মাস আগে থানা কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। তাহলে ওয়ার্ড কমিটির পদের জন্য প্রচারণা কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, থানা ঘোষণা হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু থানা না হওয়ায় এখন ওয়ার্ড কমিটিরি সভাপতি পদের জন্য চেষ্টা করছি।

 

এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।