বেবিচকে কোটায় চাকরি পাওয়া রাশিদার রামরাজত্ব : মানসিক ভারসাম্য কিনা- মেডিকেল পরিক্ষা হলো না

স্টাফ রিপোর্টার : বেবিচকে বয়স মার্জনা করে কোটায় চাকরি পাওয়া ডিডি রাশিদা সুলতানার রামরাজত্ব থেমে নেই। একটার পর একটা বিতর্কের জন্ম দিয়ে যাচ্ছেন। একাই বেবিচকের কাওলায় ২টি কোয়ার্টার দখল করে আছেন। অফিসের নিয়মকানুন মানছেন না, দেরীতে অফিসে আসা, বসের অর্ডার পালন না করা তার চিরাচরিত অভ্যাস। তার বিরুদ্ধে গোয়েন্দা রিপোর্ট রয়েছে। শিক্ষা সনদ নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। জন্ম তারিখ নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। তার পাসপোর্ট ও এনআইডিতে ভিন্ন জন্ম তারিখ। পাহাড়সম অভিযোগ তদন্ত হলেও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তার এসিআর কেলেংকারীও রয়েছে। ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এডি সুপ্লবকে ভুরি গালিয়ে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। গালিগালাজ করার অভিযোগও রয়েছে। কিন্ত ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
রাশিদা সুলতানা মানসিক ভারসাম্য কিনা- তা প্রমাণের জন্য বেবিচক থেকে সিভিল সার্জন অফিসে দাপ্তরিক চিঠি দেয়া হলেও তা আলোরমুখ দেখেনি। তাকে নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে একাধিক রিপোর্ট প্রকাশিত হলেও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ। উল্টো তাকে পরিচালক পদে পদোন্নতি দেয়ার পায়তারা ভেস্তে গেছে। তাই ১৬ জুলাই রাশিদা বেবিচকের প্রশাসনে গিয়ে সাউটিং করেছে।অবস্থা বেগতিক দেখে পরিচালক মানব সম্পদ তার অফিস ত্যাগ করেছেন।
এখন কি করবে প্রশাসন? পাহাড়সম অভিযোগ ,বিতর্ক থাকার পরও কি বেবিচক প্রশাসন রাশিদা সুলতানাকে পদোন্নতি দিবে নাকি পদাবনতি করবে? বেবিচকের সব চেয়ারম্যানই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গড়িমসি করেছেন। কারণ রাশিদা সুলতানা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নাম ভাংগিয়ে চলেন। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান চলাকালে বেবিচক চেয়ারম্যানকে প্রকাশ্যে ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করে থাকেন। এতে চেয়ারম্যান বিব্রতবোধ করে থাকেন। তবে এবার তাকে মন্ত্রণালয় পর্যন্ত দৌড়ানোর পরও পদোন্নতি দেয়া হয়নি। সচিবের বোনকে দিয়ে তদবিরও নাকি ভেস্তে গেছে।