সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২:০৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
এবার প্রশাসন ক্যাডার থেকে শাহজালাল বিমানবন্দরে পরিচালক এভসেক নিয়োগ

বিশেষ সংবাদদাতা : বিমান বাহিনীর বদলে এবার প্রশাসন ক্যাডার থেকে হজরত আন্তর্জাতিক বিমনবন্দরের পরিচালক এভসেক পদে প্রেষণে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে এ ব্যাপারে পৃথক পৃথক প্রঙাপন জারি করা হয়েছে। এভসেক সৃষ্টির পর থেকে শাহজালালে বিমান বাহিনীর উইং কমান্ডার পদ মর্যাদার কাউকে এ পদে প্রেষণে নিয়োগ দেয়া হতো , কিন্ত এবার এর ব্যত্যয় ঘটলো। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে পরিচালক এভসেক পদে নিয়োগ দেয়া হলো। এপিবিএনের এএসপি আলমগীর হোসেন গত ৫ মে রাত ৮.২৩ মিনিটে ক্ষুদেবার্তায় এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। প্রশাসন ক্যাডারের ১৫৫৩৮ ক্রমিকের আহমদ জামিলকে পরিচালক এভসেক পদে পদায়ন করা হয়েছে। গত ৩ মে তিনি এ পদে যোগদান করেছেন।
বিভিন্ন বাহিনীর সমন্ধয়ে শাহজালালে ‘এভসেক’ সৃষ্ট্ িবিমানবন্দরের নিরাপত্তার জন্য এ বাহিনী গঠন করা হয় । ৩ মাসের জন্য এ বাহিনী গঠিত হলেও গত প্রায় ৪ বছরে এ বাহিনীর কার্যক্রম বিমানবন্দরে চলছে। আর এ জন্য সিভিল এভিয়েশনকে মাসে কোটি টাকার ওপরে খরচ করতে হচ্ছে। এ বাহিনী সৃষ্টি করে সিভিল এভিয়েশনের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনীকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে বলে কথা ওঠেছে। সিএএবির প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা পদটিও বিলুপ্ত করা হয়েছে। অথচ বিমানবন্দরের নিরাপত্তা দেখভাল করতো প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তার অধীনে এর নিজস্ব বাহিনী। সেনা বাহিনীর একজন মেজর দ্বারা এ পূরণ করা হতো। সর্বশেষ এ পদে বসেছেন মেজর মিজান। এরপর সিএএবি কর্তৃপক্ষ উচ্চ আদালতে রিট মামলা করায় আদালতের আদেশে সিএএবির সহকারি/উপপরিচালক পদমর্যাদার কাউকে এ পদে পদায়ন করা হতো। সর্বশেষ এ পদে বসেছেন সহকারি পরিচালক রাশিদা সুলতানা, তিনি এখন উপপরিচালক।
এখন সিভিল এভিয়েশনের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী এভসেকের অধীনে। এভসেকই এদের ডিউটি রোস্টার করে, ডিউটি বন্টন করে। এভসেক বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে অনৈতিক কর্মকান্ডের খবরও শোনা যায়। এ বাহিনীর বেতন-ভাতা নিয়েও অসন্তোষ বিরাজমান।

এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।