ডেক্স রিপোর্ট : দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির চারটি সূচকই ঊর্ধ্বমুখী। পরীক্ষা, শনাক্ত, মৃত্যু ও সুস্থ হওয়ার সংখ্যা গত ২৪ ঘণ্টায় আগের তুলনায় সর্বোচ্চ দেখা গেছে।
গত ১৮ আগস্ট মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় তিন হাজার ২০০ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে, যা গত ৩৪ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ। সেই সঙ্গে সর্বোচ্চ ৪৬ জনের মৃত্যুও হয়েছে একই সময়ে, যা দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ। আর গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে তিন হাজার ২৩৪ জন, যা গত ৩৫ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ হাজার ৬৩০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, যা গত এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ।
এর আগে সর্বোচ্চ তিন হাজার ৫৩৩ জন রোগী শনাক্ত হয়েছিল গত ১৫ জুলাই। এক দিনে সর্বোচ্চ ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছিল ৪ আগস্ট। সর্বোচ্চ ১৪ হাজার ৭৫১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল গত ১২ আগস্ট। এর আগে সর্বোচ্চ গত ১৪ জুলাই ২৪ ঘণ্টার হিসাবে সুস্থ হওয়ার সংখ্যা ছিল চার হাজার ৯১০।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. নাসিমা সুলতানা জানিয়েছেন, গত ১৮ আগস্ট সকাল পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় মারা গেছে ৪৬ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যু তিন হাজার ৭৪০ জনের। ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত হয়েছে তিন হাজার ২০০ জন; মোট শনাক্ত দুই লাখ ৮২ হাজার ৩৪৪ জন। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে তিন হাজার ২৩৪ জন এবং এখন পর্যন্ত সুস্থ হওয়ার সংখ্যা এক লাখ ৬২ হাজার ৮২৫ জন। আর ওই ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৪ হাজার ৬৩০টি। এ পর্যন্ত দেশে মোট পরীক্ষা হয়েছে ১৩ লাখ ৭৮ হাজার ৮১৯টি নমুনা।
গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২১.৮৭ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ২০.৪৮ শতাংশ, সুস্থতার হার ৫৭.৬৭ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১.৩২ শতাংশ।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুসারে, ২৪ ঘণ্টায় যারা মারা গেছে তাদের মধ্যে ৩৫ জন পুরুষ ও ১১ জন নারী। বিভাগ হিসাবে ঢাকায় ২৩, চট্টগ্রামে ছয়, রাজশাহীতে চার, খুলনায় সাত, বরিশালে দুই, ময়মনসিংহে এক ও রংপুরে তিনজন মারা গেছে। হাসপাতালে ৪৪ জন ও দুজন বাড়িতে মারা গেছে।
এ ছাড়া বয়স বিবেচনায় ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে একজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে দুজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১৭ জন ও বাকি ২২ জনের বয়স ৬০ বছরের বেশি ছিল।
