নিউজ ডেক্স : আজ জেলহত্যা দিবস। বেশিরভাগ খুনি অধরা। এ কথায় যুক্ত হন ব্যারিষ্টার তানিয়া আমীর। তিনি আমাদের সময় ডটকমের প্রতিবেদককের কাছে জানান, জেল হত্যাকাণ্ডের পর ওই সময় লালবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। দীর্ঘ ২১ বছর এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ সরকার জেলহত্যা মামলার প্রক্রিয়া পুনরুজ্জীবিত করে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলাটির রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ২০ আসামির মধ্যে ১৫ সাবেক সেনা কর্মকর্তার শাস্তি এবং অন্য পাঁচজনকে খালাস দেওয়া হয়।লইয়্যার ক্লাব
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণীতে জাতীয় চার নেতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। এরই মধ্যে জেলহত্যা মামলায় খালাসপ্রাপ্ত লে. কর্নেল (বরখাস্ত) সৈয়দ ফারুক রহমান, লে. কর্নেল (অব.) শাহরিয়ার রশীদ খান, মেজর (অব.) বজলুল হুদা ও লে. কর্নেল (অব.) এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদ- এ চারজন বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত হয়। ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি ফাঁসির রায় কার্যকর হয় তাদের।
বিচারিক প্রক্রিয়ায় বিচারের তিনটি ধাপ পার হলেও দণ্ডিত ১১ আসামির সবাই পলাতক আছেন। তাদের মধ্যে কর্নেল (অব.) এম বি নূর চৌধুরী কানাডা এবং লে. কর্নেল (অব.) এ এম রাশেদ চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রে আছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন ইউএনবিকে বলেন, এ মুজিববর্ষেই অন্ততপক্ষে বঙ্গবন্ধুর আরও এক খুনিকে দেশে ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে।
