ঢাকা কাস্টমস হাউজ : কুরিয়ার শুল্কায়ন দিয়ে পাচারের সময় বিপুল পরিমাণ পন্য জব্দ

বিশেষ সংবাদদাতা : ঢাকা কাস্টমস হাউজের কুরিয়ার শুল্কায়ন গেট দিয়ে খালাসের নামে পাচারের সময় বিপুল পরিমাণ গার্মেন্টস পণ্য জব্দ করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউজের প্রিভেনটিভ দল। ঘটনার সত্যতা স্বীীকার করে রাজস্ব কর্মকর্তা (প্রিভেনটিভ) হারুনর রশিদ বলেন,আমি অভিযানে ছিলাম ,বিস্তারিত বলতে পারব না, আপনি ডিসির সাথে কথা বলুন।
এ ব্যাপারে জানতে ডিসি প্রিভেনটিভ অথেলো চৌধুরির সেল ফোনে সন্ধ্যা ৬.১৩ মিনিটে কল করলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জব্দকুৃত পণের ব্যাপারে সিএন্ডএফ লাইসেন্স-এর মালিক বদরুল আলম শ্যামল জানান, পেপারস ক্রুটি থাকায় পণ্য খালাসের সময় স্টপ ডেলিভারি করে কাস্টমস প্রিভেনটিভ দল। পরে সঠিক পেপারস সো করলে পণ্য খালাস দেয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভুয়া পেপারসে ওজনে কারচুপি, ঘোষণায় গড়মিল এবং ট্যাক্স ফাকি দিয়ে ঢাকা কাস্টমস হাউজের কুরিয়ার শুল্কায়ন গেট দিয়ে ৪ জন সিএন্ডএফ লাইসেন্স মালিকের নেতৃত্বে তার সরকাররা গার্মেন্টস পন্য খালাস করার সময় প্রিভেনটিভ তাতে বাধ সাধে। পণ্য স্টপ ডেলিভারি করে জব্দ করে ঢাকা কাস্টমস হাউজে নিয়ে যায়।
ইতিপূর্বেও এই গেট দিয়ে ৬ কাস্টমস কর্মকর্তাকে মারধর কয়েক কোটি টাকার পণ্য পাচারের সময় কাস্টমস তা রুখে দেয়। এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় মামলা হয়, কয়েক সিএন্ডএফ নেতা জেল খেটে জামিনে এসে মামলা চুড়ান্ত করার পায়তারা করছেন।
এক আওয়ামীলীগ নেতার গার্মেৃন্টস পন্য পাচারের সময় তাও আইন প্রয়োগকারি সংস্থা আটক করে, ৬ জনের নামে বিমানবন্দর থানায় মামলা হয়। এই কুরিয়ার গেট দিয়ে ডিএইচএল খাচার মধ্য থেকে ১০ কেজি সোনা জব্দ করে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
১০/১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ সিএন্ডএফ ও খাচার মালিক পরস্পর যোগসাজমে কুরিয়ার গেট দিয়ে কাস্টমস কর্মকর্তাদের সাথে গোপন সমঝোতায় গেট কন্ট্রাক্টে প্রতিদিন কোটি কাটি টাকার পণ্য পাচার করছে বলে গোয়েন্দা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। সরকার হারাচ্ছে প্রতিদিন প্রায় কোটি টাকার রাজস্ব। অজিজ নামের একজন সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তার দাপটে এ সব হচ্ছে বলেও সাধারণ ব্যবসায়ীরা বলে বেড়ান। ডিসি কুরিয়ারও আজিজকে সমীহ করে চলেন। জনস্বার্থে সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গোপন তদন্ত করলেই এর সত্যতা পাওয়া যাবে বলে ব্যবসায়ীরা দাবি করেন।