একুশে বার্তা ডেক্স : পাসপোর্ট ছাড়া পাইলটকে ইমিগ্রেশনে পার হওয়ার অনুমতি দেওয়ার ঘটনায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন পুলিশের এস আই কামরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশ্ন ওঠেছে এ ঘটনায় দায়িত্ব এড়াতে পারেন না এসএস-ওসি ইমিগ্রেশন। অথচ বলির পাঠা হলেন এসআই কারুজ্জামান। তাকে বরখাস্ত করা হলো।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে বিমানবন্দরে কর্মরত ইমিগ্রেশন পুলিশ কখনই বিমানের পাইলট-ক্রুদের পাসপোর্ট চেক করতেন না। ফলে পাসপোর্ট চেক না করেই তারা বিদেশে চলে যেতেন। পাইলট ফজল মাহমুদ দোহা বিমানবন্দর ইমিগ্রেশনে ধরা পড়ার পর টনক নড়েছে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনের।
এ ঘটনায় অনুসন্ধান করতে ইতোমধ্যে ইমিগ্রেশন পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (৬ জুন) রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ‘পাসপোর্ট ছাড়া কীভাবে পাইলট কাতার গেলেন, আমরা তা জানতে চেয়েছি। বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশকে ইতোমধ্যে এই বিষয়টি খুঁজে বের করার জন্য নির্দেশও দিয়েছি।’
উল্লেখ্য, গত বুধবার (৫ জুন) পাসপোর্ট ছাড়াই বিদেশ সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে বিমানের বোয়িং ৭৮৭ উড়োজাহাজ নিয়ে যান ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ। পাসপোর্ট ছাড়া বিদেশ ভ্রমণে যাওয়ায় দোহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদকে আটকে দেয় কাতার ইমিগ্রেশন।
