নির্বাচনের সুবাতাস বইছে : সিইসি

একুশে বার্তা প্রতিবেদন :  একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে সারা দেশে নির্বাচনের সুবাতাস বইছে বলে দাবি করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার  (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা। তিনি বলেছেন, নির্বাচনের একটি অনুকূল আবহ সৃষ্টি হয়েছে। গত ২০ ডিসেম্বর  বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ভবনে ভোট গ্রহণের দিন সফটওয়্যার ও প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে এক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে এমন কথা বলেন সিইসি। ফলাফল ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে কেএম নূরুল হুদা বলেন, আমরা প্রত্যক্ষ করেছি সমগ্র দেশে নির্বাচনের একটি সুবাতাস, একটি অনুকূল আবহ সৃষ্টি হয়েছে। মানুষের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ত নির্বাচনমুখী আচরণ লক্ষ্য করা গেছে।

নির্বাচনের সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রার্থীদের মধ্যে উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। তাদের কর্মকাণ্ডের মধ্যে তা প্রতিফলিত হচ্ছে। তারা অনবরত সভা-মিছিল করে যাচ্ছেন।

ভোটারদের কাছে গিয়ে ভোট দেয়ার অনুরোধ জানাচ্ছেন প্রার্থীরা। সিইসি বলেন, দেশব্যাপী নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এর মাধ্যমে একটা নতুন সরকার গঠন হবে ৩০ তারিখের (ডিসেম্বর) পরে, সেই পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

আমরা অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারি, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ কারণে যার যার অবস্থান থেকে সঠিকভাবে দায়িত্বপালন করারও নির্দেশ দেন সিইসি। তিনি বলেন, প্রায় একবছর ধরে প্রস্তুতি নিয়ে ধীরে ধীরে আমরা নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাই। ৩০ তারিখ সেটার শেষ দিন। সেদিন প্রার্থী, তাদের সমর্থক এবং ভোটাররা ভোট দেবেন। ভোট নির্বাচন কমিশনের কাছে একটি আমানত। সেই আমানত, সেই ভোটের ফলাফলগুলো বিশ্লেষণ এবং বিতরণ আপনাদের হাতে চলে যাবে। কোনো রকমের ভুলত্রুটির মাধ্যমে প্রার্থীদের অবস্থান নির্ধারণে যাতে ব্যাঘাত না ঘটে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেন কেএম নূরুল হুদা।

তিনি বলেন, আপনাদের একটু ভুলের কারণে অনেক বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। সারা দেশে ১২২টি ইনকোয়ারি কমিটি গঠনের কথা উল্লেখ করে আচরণবিধি লঙ্ঘন বা অনিয়ম ঘটলে মাঠপর্যায়ে অভিযোগ জমা দেয়ার অনুরোধ জানান সিইসি। তিনি বলেন, আমাদের যেটা অসুবিধা হয়, সেটি হলো অভিযোগগুলো কেন্দ্র থেকে নির্বাচন কমিশনের কাছে চলে আসে। এই অভিযোগগুলো আমাদের কাছে না এসে যদি তাৎক্ষণিক রিটার্নিং অফিসার এবং ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটির কাছে যায়, তাহলে তাৎক্ষণিক সমাধান পাওয়া যাবে।