বিশেষ সংবাদদাতা : ২৪ ঘন্টা পার হবার পর আশকোনা হজ ক্যাম্পের প্রশাসনিক ভবনের তৃতীয়তলায় দীর্ঘদিন যাবত পরিবার নিয়ে বসবাস করার পর অবশেষে সহকারি হজ অফিসার মো.আাব্দুল মালেকের পরিবার হজ ক্যাম্প থেকে গত ৬ জুন রাত অবদি বিদায় নিয়েছে।এ ক্ষেত্রে ধর্ম সচিবের নির্দেশ পালিত হলো বলে বলে হজ ক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে।
কিন্ত হজ ক্যাম্পের প্রশাসনিক ভবনের তৃতীয় তলায় ইমাম জাহাংগীর, তার শ্যালক, শ্যালক বউ, মোয়াজ্জেম রূহুল আমিন, মালি সুমা আকতার পরিবার-পরিজন নিয়ে দিব্যি বসবাস করছে। পরিচালকের ড্রাইভার সালাউদ্দিন দ্বিতীয় তলায় একাই ৪/৫টি কক্ষ দখল করে বসবস করছে। এ ব্যাপারে পরিচালক হজ ক্যাম্প নীরব দর্শকের ভুমিকা পালন করছেন।
এর আগে অবশ্য সহকারি হজ অফিসার দম্ভ করে বলেছিলেন ‘ আমার জন্য হজ ক্যাম্পে ২৪ ঘন্টার জন্য একটি কক্ষ বরাদ্দ করা আছে।
উল্লেখ্য, বার বার ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে হজ ক্যাম্পের আবাসিক বাসিন্দাদের সরানোর জন্য পরিচালক হজ ক্যাম্পকে নির্দেশ দেয়া হলেও তিনি তা আমলে নেননি। কতিপয় কর্মচারি হজ ক্যাম্পের আবাসিক কক্ষ ছেড়ে চলে গেলেও সহকারি হজ অফিসার আব্দুল মালেক অবশেষে গত ৬ জুন পরিবার নিয়ে চলে গেলেও পরিচালকের ড্রাইভার সালাউদ্দিন, মসজিদের ইমাম জাহাংগীর. মোয়াজ্জেম রুহুল আমিন, মালি সুমা আকতার এখনও হজ ক্যাম্পের প্রশাসনিক ভবনের তৃতীয়তলা আবাসিক এলাকা বানিয়ে বসবাস করছেন। পরিচালক এদেরকে আগলে রেখেছেন। ফলে দ্বিতীয়বার ধর্ম সচিবের হজ ক্যাম্পের পবিত্রা রক্ষায় আবাসিক বাসিন্দাদের হজ ক্যাম্প থেকে বিতাড়নের নির্দেশ ভেস্তে গেছে।
পরিচালকের ড্রাইভার সালাউদ্দিন তো হজ ক্যাম্পের প্রশাসনিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় কয়েকটি কক্ষ দখল করে বসবাস করছে। ইতিপূর্বে তার ‘জননী দোকানের’ পণ্য রাখার গোডাউন হিসাবে হজ ক্যাম্পের নীচতলার কয়েকটি কক্ষ ব্যবহার করছেন। পত্রপত্রিকায় এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের তার জননী দোকনের পণ্য রাখার গোডাউন হিসাবে ব্যবহারের পর পরিচালকের নির্দেশে উক্ত পণ্য গোডাউন খালি করে দেয়া হয়। কিন্ত তার দখলকৃত ৪/৫টি কক্ষ থেকে তাকে সরানোর কোন উদোগ নেয়া হচ্ছে না।
গত হজ মওসুমে অর্ধশত হজ যাত্রীর টাকা মেরে দিয়ে ইমাম জাহাংগীর হেস্তনেস্ত হন। মাছরাঙা টেলিভিশন এ নিয়ে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
হজ ক্যাম্পে দুর্নীতিবাজদের আখড়া হিসাবে মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ইতিমধ্যেই বেশ পরিচিতি লাভ করেছে। দুর্নীতিবাজ সুহিলকে ওএসডি করা হয়েছে।
কিন্ত একই অভিযোগে অভিযুক্ত সহকারি হজ অফিসার আব্দুল মালেক, কেরানি দীন মোহাম্মদের লাগাম এখনও টেনে ধরা হয়নি।
৪০ বছরের রায়হানকে বয়স টেম্পারিং করে চাকরি দেয়া, দুর্নীতিবাজ কর্মচারি কেরানি সুহিলের ভাতিজা মঈন খান, ভাগিনা আসাদুজ্জামানকে এবার হজ মওসুমে নিয়োগ দেয়ার বিষয়টি ওপেনসিক্রেট। কিন্ত্ এখনও এ ব্যাপারে পরিচালক হজ ক্যাম্প জবাবদিহিতার বাইরে। ধর্ম সচিব এ ব্যাপারে যত ত্বরিত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিবেন ততই মংগল । ক্রমশ-
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
