ফৌজধারী অপরাধে ৫ প্রকৌশলীর শাস্তি হলেও প্রকৌশলী সেলিম ধরাছোয়ার বাইরে ?

বিশেষ সংবাদদাতা : কক্সবাজার বিমানবন্দরে জেনারেটর ক্রয় দুর্নীতি মামলায় সিভিল এভিয়েশনের একজন তত্তাবধায়ক প্রকৌশলীসহ ৫ জনের গ্রেফতার, জেল, দুদকের মামলায় অভিযুক্ত (চার্জশীট) হলেও ইএম বিভাগের প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান সেলিম প্রতারনা, অর্থ আত্মসাত মামলায় গ্রেফতার হয়ে ২৩ দিন জেল খাটার পরও তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নিয়ে পুরস্কার হিসেবে তাকে পদোন্নতি দিয়ে ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরের মতো স্পর্শকাতর বিমানবন্দরে ডিউটি দেয়া হয়েছে। সিএএবির প্রশাসন থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দর ম্যানেজারের মতামত চাওয় হলেও তা পরে আর বেশিদূর আগায়নি। ভেস্তে গেছে প্রশাসনিক এ্যাকশন।
এ দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দরে জেনারেটর দুর্নীতি মামলায় প্রশাসনিক কৌশলে তাকে (প্রকৌশলী সেলিম) নিদিস্ট সময়ে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে দায়িত্ব দিয়ে এবং সৈয়দপুর বিমানবন্দরে কর্মরত প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম মন্ডলকে তড়িগড়ি করে ককক্সবাজার বিমানবন্দরে পোস্টিং করে ফাসিয়ে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে কলকাঠি নাড়েন মামলা, জেল খাটর পরও পেনশন নিয়ে যাওয়া সংখ্যলঘু সহকারি প্রকৌশলী ভবেশ চন্দ্র রায়। কারণ দুর্নীতির দায়ে মন্ত্রনালয় আদেশে সরিয়ে দেয়া সাবেক প্রধান প্রকৌশলী সুধেন্দু বিকাশ গোস্বামির সাথে প্রকৌশলী ভবেশের দহরম-মহরম সম্পর্ক ছিল। ভবেশ এই সুযোগটিই মন্ডলের ব্যাপারে কাজে লাগায়! ফেসে যায় মন্ডল, দুদকের মামলায় অভিযুক্ত হয়ে পদোন্নতি না পেয়ে এমনকি হাফ বেতন-ভাতা পেয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন মন্ডল।
এ ব্যাপারে সুবিচারের আশায় প্রকৌশলী মন্ডল সিএএবির চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করেছেন। কেস স্টাডি হিসেবে মামলায় ফাইলে নথিভুক্ত করার জন্য মন্ডল তার আইনজীবীকেও তা সরবরাহ করেছেন বলে জানা যায়। আদালত থেকে প্রকৌশলী মন্ডলের বিরুদ্ধে সমন জারি না হলেও দুদক তাকে পরবর্তীতে মামলায় অভিযুক্ত করেছে।