ডেক্স রিপোর্ট : : বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে একাদশ নির্বাচন হতে দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিএনপি। ৭ ঘন্টার প্রতীক গণঅনশন কর্মসূচির সমাপনীতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে এই গণঅনশন কর্মসূচিতে যে সমস্ত বক্তা বক্তব্য রেখেছেন তাদের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়ে এসেছে যে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে এদেশে কোনো জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে না। এই অনশন কর্মসূচি থেকে আমরা দাবি করছি, অবিলম্বে দেশনেত্রীকে মুক্তি দিয়ে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। এই দাবি আবারো করছি যে, এখানে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে, নির্বাচন কমিশন ভেঙে দিয়ে পুনরায় গঠন করতে হবে, সংসদ ভেঙে দিতে হবে, সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে। নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি হলে তবেই এদেশে নির্বাচন হবে অন্যথায় নির্বাচন হবে না। গতকাল সোমবার বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিতের প্রতিবাদে ও তাঁর মুক্তির দাবিতে বিএনপির উদ্যোগে মহানগর নাট্যমঞ্চ প্রাঙ্গণে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এই প্রতীক গণঅনশন হয়। এতে ঢাকা মহানগরসহ অঙ্গসংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী মাদুরে বসে গণঅনশনে অংশ নেয়। গতকাল সকাল ৯টায় গণঅনশন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল ৮টায় গণঅনশনস্থলে নেতাকর্মীদের ঢল নামে। যোগ দেন শিক্ষক, সাংবাদিক, বুদ্টিধজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। রাজধানী ছাড়াও সারাদেশে জেলা সদরেও প্রতীক গণঅনশনের এই কর্মসূচি হয়। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বেগম খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর পর বিএনপির এটি প্রতীক অনশন। এর আগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারিও তারা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে প্রতীক গণঅনশনের কর্মসূচি করেছিল। ৮ ফেব্রুয়ারি বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর থেকে বিএনপি পর্যায়ক্রমে বিক্ষোভ, প্রতিবাদ, মানববন্ধন, প্রতীক গণঅনশন, অবস্থান, জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান, লিফলেট বিতরণসহ নানা কর্মসূচি দিয়ে আসছে। গতকাল বিকাল ৪টা ১০ মিনিটে পেশাজীবী নেতা গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী মহাসচিবসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যদের পানি পান করিয়ে গণঅনশন ভঙ্গ করান। এ সময় তিনি বলেন, এই গণঅনশন দ্বারা জেলে থাকা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জয় হয়েছে। উনি জেলে যাওয়ার সময় বলে গিয়েছিলেন গণতান্ত্রিক আন্দোলন বহাল রাখতে হবে। আপনারা তাই করেছেন। সরকার বাধ্য হয়েছে শেষ মুহূর্তে হলেও আপনাদের এখন একটা ছোট মিটিং করার অনুমতি দিতে। এটা শুরু। আপনাদের বিরাট জয়ের শুরু। আজকে বেগম খালেদা জিয়া অন্যায্যভাবে অন্যায়ভাবে অবিচারের কারণে জেলে আছেন। তাঁর সাথে জেলে আছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ২০-২৫ হাজার কর্মী। তাছাড়া বিভিন্ন কারণে-অকারণে আরো আছে ৭০ হাজার লোক। এতগুলো লোকের দীর্ঘশ্বাস কী সরকারের গায়ে পড়বে না? বিচারপতিগণ এ পর্যন্ত যা করেছেন তা বিবেচনাপ্রসূত কাজ নয়। তবে আস্তে আস্তে আমার ধারণা তাদের বিবেক জাগ্রত হচ্ছে। ১১ তারিখ কিছুটা হয়তো লক্ষণ দেখবো। তারপর বেগম খালেদা জিয়া অবশ্যই মুক্ত হবেন। নির্বাচনে আপনাদের জয় সুনিশ্চিত। অনশনস্থল মহানগর নাট্যমঞ্চে অতিরিক্ত পুলিশ ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য মোতায়েন করা হয়। এদিকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সহ-দফতর সম্পাদক বেলাল আহমেদসহ অফিস কর্মীরা বসে এই অনশনে অংশ নেয়। : মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে আজকে সুচিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না, তার ন্যূনতম যে প্রাপ্য সেই প্রাপ্যটুকু তাকে দেয়া হচ্ছে না। এই সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখার জন্য ষড়যন্ত্র করছে। দেশনেত্রীকে দূরে সরিয়ে রাখার উদ্দেশ্য একটাই। সেটা হচ্ছে তাকে নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে রাখা। উদ্দেশ্য একটাই বিএনপিকে নির্বাচন ও রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখা। সকল রাজনৈতিক ও পেশাজীবীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনারা ঐক্যবদ্ধ হোন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য শুধু নয়, বিএনপি নির্বাচনে যাওয়ার জন্য নয়। আজকে এদেশের মুক্তির জন্য, ১৬ কোটি মানুষের মুক্তির জন্য, মানুষের আবার গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেবার জন্য, স্বৈরাচার সরকারের হাত থেকে দেশকে বাঁচানোর জন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সারাদেশে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে এমন অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্দেশ্য একটা বিএনপিকে রাজনীতি থেকে, নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে রাখা। এজন্যই চেয়ারপারসন কারাগারে যাওয়ার আগে বলে গেছেন আপনারা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকবেন এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমাদের বিজয় অর্জন করতে হবে। তিনি সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, সরকার একটাই ষড়যন্ত্র করছে। সেটা হচ্ছে দেশনেত্রীকে ছাড়া, বিএনপিকে ছাড়া, ২০ দলকে ছাড়া তারা ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির প্রহসন আবার পুনরাবৃত্তি করতে চায়। আমরা বলতে চাই, ২০১৪ সালের সেই ষড়যন্ত্র বাংলাদেশের জনগণ আরেকবার বাস্তবায়ন হতে দেবে না। এই স্বৈরাচারের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করতে হলে আন্দোলনের বিকল্প নাই। তাই রাস্তায় আন্দোলন করেই গণতন্ত্রের মাতাকে মুক্ত করতে হবে, মুক্ত দেশনেত্রীকে নিয়েই আমরা নির্বাচনকালীন সরকার প্রতিষ্ঠা করে নির্বাচনে যাবো। : বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, নিম্ন আদালত সম্পূর্ণভাবে সরকারের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে যার জন্যে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি বিলম্বিত হচ্ছে। তবে আমি এটুকু বলতে পারি, যত কৌশল করা হোক না কেন এটা সম্ভবপর হবে না। তার কারণ একদিন না একদিন তাদের কৌশল ও ষড়যন্ত্র বন্ধ হয়ে যাবে এবং কোনো এক পর্যায়ে গিয়ে তারা দেশনেত্রীকে জামিন না দিয়ে আর পারবে না। আমি আশাবাদী তিনি আমাদের মধ্যে মুক্ত হয়ে ফিরে আসবেন খুব শিগগিরই। যদি আইনি প্রক্রিয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি না হয় তার একমাত্র বিকল্প হলো রাজপথ। রাজি আছেন (উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে) হাত তোলেন। এবার প্রস্তুতি নেন কর্মসূচি দেয়া হবে, সেই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে। ইনশাল্লাহ আমরা জয়যুক্ত হবো। : বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, পৃথিবীর বহু রাষ্ট্রনায়কের এরকম জেল হয়েছে, আবার মুক্ত হয়েছে, জামিনও হয়েছে আবার অনেকে সংগ্রামের মাধ্যমে মুক্ত হয়েছে। আজকে দেশনেত্রীকে তিলে তিলে হত্যা করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে আমি মনে করি। স্বৈরশাসক এরশাদ হাত মিলিয়েছে হাসিনার সঙ্গে। সেও লজ্জা পেয়ে বলেছে ‘বাপরে বাপ আমি তো বাঁইচা গেলাম আমার চেয়ে বড় স্বৈরশাসক বাংলাদেশে এখন হাজির হয়েছে। এটা আমার কথা নয় সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখলাম ছবি আছে খুব লজ্জার সঙ্গে হাসিনাকে বলছেন ম্যাডাম আমি যা পারি নাই, আপনি তা কইরা দেখাই দিলেন। আমারে বাঁচাইয়া দিছেন।’ : বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কোনো নির্বাচন হবে নাÑ এ কথা আমরা বিশ্বাস করি। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন। তাকে নিয়েই আমরা নির্বাচন করবো। তিনি বলেন, দিল্লি সরকার বাংলাদেশকে ইজারা নিয়েছে। তারা আওয়ামী লীগকে দেশের মালিক মনে করে। আওয়ামী লীগ দেশের মালিক না। দেশের মালিক জনগণ। আর জনগণই নির্বাচন করবে কে দেশ চালাবে আর কে চালাবে না। : অনশনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, আওয়ামী লীগ দেশের গণতন্ত্র বারবার হরণ করেছে। আর এবার তাদের দোসর জাতীয় পার্টিকে নিয়ে গণতন্ত্র হত্যা করেছে। প্রথমে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পরে বেগম খালেদা জিয়াই দেশের হারানো গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছেন। তাই আন্দোলনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের মাতা বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবো এবং বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই নির্বাচন করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত করবো। : বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তার সুচিকিৎসার দাবিতে প্রতীকী অনশনে সংহতি প্রকাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, নির্বাচনে কী হয় না হয় তা নিয়ে সরকারের অনেক ভীতসন্ত্রস্ত মনোভাব। বাংলাদেশের বৃহত্তম দল বিএনপির দিকে তাদের সন্দেহের দৃষ্টি রয়েছে। এ সন্দেহ থেকে নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন-অত্যাচার করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ তিন তিনবার দেশের গণতন্ত্রকে বিধ্বস্ত করেছে। কারাগারে নেয়ার পর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা আরও বেড়েছে। তিনি যখন বেরিয়ে আসবেন, তখন আমরা এক নতুন নেতৃত্বের সন্ধান পাব। : বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে এবং সহপ্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিমের সঞ্চালনায় অনশনে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সেলিমা রহমান, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, জয়নুল আবদিন ফারুক, হাবিবুর রহমান হাবিব, কবির মুরাদ, আতাউর রহসান ঢালী, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আশরাফউদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আহসানউল্লাহ হাসান, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল, সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি মোরতাজুল করীম বাদরু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি গোলাম সারোয়ার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদরাজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসিন আলী, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমেদ খান, ওলামা দলের সভাপতি হাফেজ এম এ মালেক, ছাত্রদলের সভাপতি রাজীব আহসান, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি ফখরুল ইসলাম রবিন, সাধারণ সম্পাদক গাজী রেজওয়ানুল হোসেন রিয়াজ প্রমুখ। : এছাড়াও অনশনে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল খান, সহ দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, সহস্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, সহ যুব বিষয়ক সম্পাদক মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ রবিউল আলম রবি, আবু নাসের মুহাম্মাদ রহমাতুল্লাহ, সালাহ উদ্দিন ভূইয়া শিশির, আ ক ম মোজাম্মেল হক, অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, যুবদল উত্তরের সিনিয়র সহ সভাপতি মোস্তাফা কামাল রিয়াদ, যুবদল দক্ষিনের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহীন, ছাত্রদলের সহ সভাপতি আলমগীর হাসান সোহান, নাজমুল হাসান, আবু আল আতিক হাসান মিন্টু, ইকতিয়ার কবির, বিপ্লব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিয়া মো. রাসেল, কাজী মোখতার হোসেন, মেহবুব মাছুম শান্ত, ওমর ফারুক মুন্না, দফতর সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম, গণশিক্ষা ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক আমজাদ হোসেন শাহাদাৎ, সহ সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান পাপ্পু , বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া ইউং সদস্য শায়রুল কবির খান, নাগরিক দলের সভাপতি সৈয়দ ওমর ফারুক প্রমুখ। : একাত্মতা প্রকাশ করতে এসেছিলেন যুক্তফ্রন্টের সদস্য সচিব ও নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি মহাসচিবসহ নেতৃবৃন্দের পাশে বসে কিছু সময় অবস্থান করেন। এছাড়াও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি গাজী রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক এম আব্দুল্লাহ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফ মাছুম, ড. শামসুল আলম সেলিম। : একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন ২০ দলীয় জোটের শরিক জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মজিবুর রহমান, জাতীয় পার্টির মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার, এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ, এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, খেলাফত মজলিশের মাওলানা সৈয়দ মজিবুর রহমান, ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা আবদুল করীম, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপার সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান, সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, পিপলস লীগের সৈয়দ মাহবুব হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের আহবায়ক অধ্যাপক আখতার হোসেন খান। : বগুড়ায় বিএনপির অনশন কর্মসূচিতে জনতার ঢল : বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে গণ-অনশন কর্মসূচি পালন করেছে বগুড়া জেলা বিএনপি। এতে দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে সোমবার বগুড়া জেলা বিএনপির আয়োজনে শহরের নবাববাড়ী রোডে এ অনশন কর্মসূচি পালিত হয়। পুলিশের বাধা পেরিয়ে বিএনপি, মহিলা দল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, শ্রমিকদল, কৃষকদলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী এ কর্মসূচিতে মিছিলসহ যোগ দেন। : বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম সভাপতির বক্তব্যে বলেন, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা যাবে না। প্রয়োজনে আইন অমান্য কর্মসূচি দিতে হবে। এ কর্মসূচি সফল করতে পুলিশের সকল বাধা ভেঙ্গে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। তাহলেই খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা সম্ভব। সেই কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি নিতে হবে। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালিত হয়। শেষে অনশন ভঙ্গ করান প্রধান অতিথি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বগুড়া পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট একেএম মাহবুবর রহমান। অনশনকালে বক্তব্য দেন জেল সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন, কেন্দ্রীয় সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ শোকরানা, আলী আজগর হেনা, লাভলী রহমান, বিএনপি নেতা রেজাউল করিম বাদশা, ফজলুল বারী বেলাল, মাহবুবুর রহমান বকুল, তাহা উদ্দিন নাহিন, অ্যাডভোকেট নাজমুল হুদা পপন, সহিদুন্নবী সালাম, পরিমল চন্দ্র দাস, মাফতুন আহম্মেদ খান রুবেল, আবুল বাশার, দেলোয়ার হোসেন পশারী হিরু, অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান খান মুক্তা, আলীমুর রাজি তরুন, হেলাল উদ্দিন, যুবদল সভাপতি সিপার আল বখতিয়ার, সাধারণ সম্পাদক খাদেমুল ইসলাম, শ্রমিকদলের সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শাহ মেহেদী হাসান হিমু, সাধারণ সম্পাদক শাহাবুল আলম পিপলু, ছাত্রদল সভাপতি আবু হাসান, সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম রিগান, আবু জাফর জেমস, রবিউল ইসলাম দারুন, কৃষকদলের এসএম রফিকুল ইসলাম, যুবনেতা মাসুদ রানা, মহিলা দলের নাজমা আক্তার, সুরাইয়া জেরিন রনি প্রমুখ। : খুুলনা : খুলনা ব্যুরো জানায়, বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাবন্দি রেখে খালেদা জিয়াবিহীন আরেকটি জালভোট ও কেন্দ্র দখলের নির্বাচন করে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার দিবাস্বপ্ন পূরণ হবে না। সরকারি বাসভবনে বসে দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সরকারপ্রধানের বক্তব্যেও সে রকম দিবাস্বপ্নের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। কিন্তু পাতানো নির্বাচনের ষড়যন্ত্র কোনো কাজে আসবে না। এখন সময় আছে, তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাথে সম্মানজনক ব্যবহার করুন। তাঁর সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করুন। অবিলম্বে তাঁকে নিঃশর্ত কারামুক্তি দিয়ে সকল দলের অংশগ্রহণে নির্দলীয় সহায়ক সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দিন। অন্যথায় ইতিহাসের করুণ পরিণতির জন্য হয়তো জন্যই আফসোস করতে হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি। মিথ্যা ও বানোয়াট প্রতিহিংসার মামলায় কারাগারে বন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ বেগম খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত ও তাঁর মুক্তি বারবার বাধাগ্রস্ত করার সরকারি ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে সুচিকিৎসার দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল সোমবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নগরীর কে ডি ঘোষ রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত প্রতীক অনশন কর্মসূচির সভাপতির বক্তৃতাকালে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেছেন। বিকেলে শরবত পান করিয়ে অনশন ভঙ্গ করান বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য ভাষাসৈনিক এম নূরুল ইসলাম দাদুভাই। বর্ষীয়ান রাজনৈতিক এম নূরুল ইসলাম দাদুভাই সরকারপ্রধানকে ইঙ্গিত করে বলেন, আপনার অধীনে জাতীয় নির্বাচন আর নেকড়ের অধীনে নিরীহ প্রাণীর নিরাপত্তা সমান কথা। বর্তমানে দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের কোনো পরিবেশ নেই। আর বিএনপি চেয়ারপারসনকে ছাড়া বিএনপি জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেবে না। শেখ হাসিনার অধীনে বাংলাদেশে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি বা হবেও না। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই নির্বাচন হতে হবে। ইনশাআল্লাহ্ দেশের জনগণকে সাথে নিয়ে যুগপৎ আন্দোলনের মাধ্যমে সেটাই হবে। প্রতীকী অনশন চলাকালে বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মীর কায়সেদ আলী, মো. মোশররাফ হোসেন, অ্যাড. ফজলে হালিম লিটন, সৈয়দা রেহেনা ঈসা, স ম আব্দুর রহমান, মো. ইকবাল হোসেন, মো. ফকরুল আলম ও অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম। সংহতি প্রকাশ করেন বিজেপির নগর সভাপতি অ্যাড. লতিফুর রহমান লাবু, খেলাফত মজলিসের মহানগর সভাপতি মাওলানা গোলাম কিবরিয়া, নগর জাতীয় পার্টির (জাফর) আহ্বায়ক মোস্তফা কামাল, খেলাফত মজলিসের সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল্লাহ্ জুবায়ের, ড্যাবের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. সেখ আকতারুজ্জামান, অধিকার খুলনার সমন্বয়ক সাংবাদিক মুহাম্মদ নুরুজ্জামান, বিজেপির নগর সাধারণ সম্পাদক সিরাজউদ্দিন সেন্টু, সাংবাদিক মো. সোহরাব হোসেন ও আশরাফুল ইসলাম নূর। বিএনপি নেতাদের মধ্যে আরও বক্তৃতা করেন আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মো. মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, মেহেদী হাসান দীপু, শফিকুল আলম তুহিন, শাহিনুল ইসলাম পাখী, আজিজুল হাসান দুলু, অ্যাড. নুরুল হাসান রুবা, ইকবাল হোসেন খোকন, অ্যাড. গোলাম মওলা, মো. মুজিবর রহমান, অ্যাড. মশিউর রহমান নান্নু, সাদিকুর রহমান সবুজ, অ্যাড. মুুজিবর রহমান, গিয়াস উদ্দিন বনি, শেখ সাদী, সাজ্জাদ আহসান পরাগ, মুর্শিদ কামাল, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, একরামুল হক হেলাল, শামসুজ্জামান চঞ্চল, মাহবুব হাসান পিয়ারু, নাজমুল হাসান চৌধুরী সাগর, সেখ কামরান হাসান, এসএম কামাল হোসেন, শরিফুল ইসলাম বাবু, হেলাল আহমেদ সুমন, নিয়াজ আহমদ তুহিন, নাজিরউদ্দিন আহমেদ নান্নু, মো. ইমাম হোসেন, হাসান মেহেদী রিজভী, জামিরুল ইসলাম, তরিকুল্লাহ খান, বদরুল আলম, অ্যাড. মোহাম্মদ আলী বাবু, শমসের আলী মিন্টু, শফিকুল ইসলাম শাহিন, হাবিব বিশ্বাস, জহর মীর, অ্যাড. আবুল হোসেন, আফসার মাস্টার, হাফিজুর রহমান মনি, মীর কবির হোসেন, অ্যাড. মফিজুল ইসলাম, আহসান উল্লাহ বুলবুল, আফজাল হোসেন পিয়াস, মেজবাউদ্দিন মিজু, রবিউল ইসলাম রবি, অ্যাড. এমদাদুল হক হাসিব, আ. জব্বার, আবু সাঈদ শেখ, কাউন্সিলর হাসনা হেনা, ওহেদুজ্জামান, ইমতিয়াজ আলম বাবু, মোল্যা ফরিদ আহমেদ, তরিকুল ইসলাম তরু, নাসির খান, ওহেদুর রহমান দীপু, জাহিদ কামাল টিটু, আসলাম হোসেন, মোস্তফা কামাল, আ. রাজ্জাক, আ. আলিম, অ্যাড. ওমর আলী, অ্যাড. আসাদুল আলম, মাহবুব হোসেন, সরদার ইউনুচ, আরমান হোসেন, তৌহিদুল ইসলাম খোকন, লিটন খান, আব্দুর রহমান ডিনো, সাইফুল ইসলাম, নীরু কাজী, আনসার আলী, রোকেয়া ফারুক, আনজিরা খাতুন, আবুল কালাম আজাদ, শামসুদ্দীন প্রিন্স, কাজী মাহমুদ আলী, মহিদুল হক টুকু, মোহাম্মদ আলী, নেহিমুল ইসলাম নেহিম, জিএম রফিকুল হাসান, মনিরুল ইসলাম, মাজেদা খাতুন ও ময়েজউদ্দিন চুন্নু প্রমুখ। অনশন অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নগর বিএনপির প্রচার সম্পাদক এসএম আসাদুজ্জামান মুরাদ। : জেলা বিএনপি : বিএনপির চেয়ারপারসন, মাদার অব ডেমোক্রেসি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে খুলনায় দিনব্যাপী প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করেছে জেলা বিএনপি। সকাল ৯টায় নগরীর কে ডি ঘোষ রোডে দলীয় কার্যালয়ের সামনের চত্বরে অস্থায়ী মঞ্চে কর্মসূচির সূচনা হয়। চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। কর্মসূচিতে বিএনপির জেলা কমিটি, ৯ থানা ও ২ পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের মধ্যে ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, শ্রমিক দল, কৃষক দলের নেতাকর্মীরা খন্ড খন্ড মিছিল সহকারে কর্মসূচিতে যোগ দেন। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও খুলনা জেলা শাখার সভাপতি অ্যাড. এস এম শফিকুল আলম মনা সভায় সভাপতিত্ব করেন। কর্মসূচি চলাকালে অনুষ্ঠিত সমাবেশ থেকে বক্তারা কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে সরকার আর টালবাহানা করলে তার পরিণতি হবে ভয়াবহ। করুণ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে তাদের পতন ঘটবে। দেশে গণতন্ত্র, ভোটের অধিকার ফিরে আসবে। আর গণতন্ত্র হত্যাকারীরা ইতিহাসের আঁস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবে। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন আমীর এজাজ খান, খান জুলফিকার আলী জুলু, অ্যাড. আব্দুল আজিজ, শেখ আব্দুর রশিদ, মনিরুল হাসান বাপ্পী, কামরুজ্জামান টুকু, উপজেলা চেয়ারম্যান খান আলী মুনসুর, মেজবাউল আলম, সাইফুর রহমান মিন্টু, অ্যাড. শরিফুল ইসলাম জোয়াদ্দার, অ্যাড. মাসুম আল রশিদ, ডা. আব্দুল মজিদ, আবুল খায়ের খান, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, আব্দুর রকিব মল্লিক, মোস্তফা উল বারী লাভলু, মোশারফ হোসেন মফিজ, অ্যাড. তছলিমা খাতুন ছন্দা, অ্যাড. শহিদুল আলম, শামসুল আলম পিন্টু, মুর্শিদুর রহমান লিটন, ওয়াহিদুজ্জামান রানা, মোল্লা এনামুল কবির, শামীম কবির, তৈয়েবুর রহমান, ইবাদুল হক রুবায়েদ, ইলিয়াস মল্লিক, আতাউর রহমান রনু, আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, গোলাম মোস্তফা তুহিন, শেখ হাফিজুর রহমান, খায়রুল ইসলাম জনি, অ্যাড. আব্দুস সাত্তার, খন্দকার ফারুক হোসেন, জাবির আলী, অ্যাড. আব্দুস সবুর, সাইফুল হাসান রবি, কাজী মিজানুর রহমান, জাফরী নেওয়াজ চন্দন, ওয়াইজউদ্দিন সান্টু, সৈয়দ নেয়ামত আলী, জি এম আসাদুজ্জামান, হারুনর রশিদ হিরু, প্রভাষক আইয়ুব আলী, আরিফুর রহমান, গোলাম কিবরিয়া আশা, শাহানাজ ইসলাম, রফিকুল ইসলাম বাবু, জসমিউদ্দিন লাবু, শামসুল বারিক পান্না, ফরহাদ হোসেন, অ্যাড. মাসুদ, আব্দুস সালাম, রাহাত আলী লাচ্চু, আব্দুল মালেক, তানভীরুল আযম রুম্মান, ডা. আলমগীর, মাসুম মাস্টার, জাহেদা বেগম, শরীফ মোজাম্মেল হোসেন, জাবেদ মল্লিক, হাবিবুর রহমান, হারুনর রশিদ, জাহাঙ্গীর গোলদার, মোকাররম হোসেন, ইসমাইল হোসেন, আযাবুর রহমান পাইলট, কবীর হাসান ডাবলু, শাহাজান খান, ফম মনিরুল, সরদার আব্দুল মালেক, শরিফুল ইসলাম বকুল, আবু হানিফ, বিল্লাল মোল্লা, গাজী জাকির হোসেন, আব্দুল মজিদ গোলদার, আমিনুল ইসলাম পলাশ, নাসিমা পলি, সেতারা সুলতানা, মনিরা পারভীন, মাহমুদা লাকী, রেহানা আক্তার, জলি আক্তার, এসকেন্দার মির্জা, সরোয়ার হোসেন, বুলু চৌধুরী, কুদরতে ইলাহী স্পীকার, জহুর আকুঞ্জি, মিকাইল বিশ্বাস, সরদার ফরিদ আনোয়ার, শহিদুল ইসলাম প্রমুখ। : রংপুর : স্টাফ রিপোর্টার, রংপুর জানান, কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে রংপুর মহানগরীতে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল ১০টায় নগরীর গ্র্যান্ড হোটেল মোড়স্থ দলীয় কার্যালয়ে রংপুর মহানগর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ অনশন কর্মসূচি শুরু করেন। প্রতীকী অনশন কর্মসূচি চলাকালে বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর হোসেন, সহ-সভাপতি সুলতান আলম বুলবুল, আমজাদ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সালেকুজ্জামান সালেক, মির্জা বাবর বাবলু, আশফাকুল বসুনিয়া আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম, মহানগর যুবদল সাংগঠনিক সম্পাদক জহির আলম নয়ন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মোকছেদুল আরেফীন রুবেল, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান বিপু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শহিদুল ইসলাম লিটন, মহানগর ছাত্রদল সভাপতি নূর হাসান সুমন, মহানগর ওলামা দল সভাপতি আফজালুল হক নোমান প্রমুখ। প্রতীকী অনশনে বক্তারা অবিলম্বে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বেসরকারি ইউনাইটেড হাসপাতালে সুচিকিৎসার দাবি জানান। : নরসিংদী : স্টাফ রিপোর্টার, নরসিংদী জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে প্রতীকী অনশন করেছে নরসিংদী জেলা বিএনপি। গতকাল সোমবার সকাল ১১টা থেকে শহরের চিনিশপুরস্থ জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে শুরু হয় এই প্রতীকী অনশন। অনশনে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সুলতান উদ্দিন মোল্লা। এ সময় বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক লে. কর্নেল (অব) জয়নাল আবেদীন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি রোকেয়া আহমেদ লাকী, সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন মাস্টার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ হারুন, আকবর হোসেন, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম, শহর বিএনপির সভাপতি গোলাম কবির কামাল, সাধারণ সম্পাদক ফারুক উদ্দিন ভূঁইয়া, জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক শাজাহান মল্লিক, দফতর সম্পাদক আমিনুল হক বাচ্চু, শহর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল হক জাবেদ, জেলা যুবদলের সভাপতি মহসীন হোসেন বিদ্যুৎ, সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহেন শাহ্ শানু, জেলা তাঁতী দলের সভাপতি হুমায়ুন কবির কামাল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নাসির উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক শাহরীয়ার শামস্ কেনেডি, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ ফকির রনি। এ সময় জেলা বিএনপির ইকবাল হোসেন, ডা. নাসিরউদ্দিন সরকার, নূর মোহাম্মদ চেয়ারম্যান, আওলাদ হোসেন মোল্লা, জেলা যুবদলের মাসুদ রানা, নাজমুল হোসেন ভূঞা, জেলা ছাত্রদলের মাজহারুল ইসলাম হীরা, আহসান উল্লাহ, সিদ্দিকুর রহমান নাহিদ, মাইনউদ্দিন, ফয়সাল মুন্না, সজীব ভূঞা, শামীম সরকারসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। : নারায়ণগঞ্জ : স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ জানান, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেছেন, ঝড়-বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই গণ-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের দেশনেত্রীকে মুক্ত করে আনব। প্রয়োজনে গণ-আন্দোলনের মাধ্যমেই আমরা ভোটারবিহীন এই সরকারকে উৎখাত করে দেশে আবারো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করব ইনশাল্লাহ। তিনি বলেন, আর দেশনেত্রীকে মুক্ত করে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। এই স্বৈরাচারী সরকারের অধীনে আর কখনই নির্বাচন হতে দেয়া যাবে না। কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী গতকাল সোমবার নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের পাশের রাস্তায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আয়োজিত প্রতীকী অনশন কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাড. আজাদ বিশ্বাস, মনিরুল ইসলাম রবি, মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন খান, ব্যারিস্টার পারভেজ আহমদ, লুৎফর রহমান, আব্দুল হাই রাজু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন সিকদার, যুবদল নেতা আশরাফুল হক রিপন, শহিদুর রহমান স্বপন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আনোয়ার সাদাত সায়েম, জেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মন্টু মেম্বার, জেলা মহিলা দলের সভাপতি নূরুন্নাহার বেগম, সাধারণ সম্পাদক রহিমা শরীফ মায়া, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মশিউর রহমান রনি, সাধারণ সম্পাদক খাইরুল ইসলাম সজীব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান শান্ত প্রমুখ। : ফরিদপুর : ফরিদপুর প্রতিনিধি জানান, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে ফরিদপুরে বিএনপির প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালনকালে বাধা দিয়েছে পুলিশ। সোমবার বেলা ১১টার দিকে শহরের মসজিদবাড়ি সড়কে ডায়াবেটিক হাসপাতালের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচি শুরু করা হলে সেখানে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির সভাপতি জহিরুল হক শাহজাদা মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক রশিদুল ইসলাম লিটন, সহ-সভাপতি আজম খাঁন ও মাজেদ মিয়া, যুববিষয়ক সহ-সম্পাদক খন্দকার মনিরুল হক, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক তানজিমুল হাসান কায়েস প্রমুখ। কিছুক্ষণ পর কোতোয়ালি থানা পুলিশ এসে কর্মসূচি পন্ড করে দেয়। শাহজাদা মিয়া জানান, কর্মসূচি পালনের জন্য তারা জেলা প্রশাসনের নিকট লিখিত অনুমতি চেয়ে চিঠি দেন। কিন্তু তাতে কর্ণপাত না করে তাদের কর্মসূচি পালন করতে দেয়া হচ্ছে না। তিনি এর নিন্দা এবং খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করেন। এ সময় সহ-দফতর সম্পাদক বিএম রায়হান, বিএনপি নেতা মামুন অর রশিদ মিঠু, দেওয়ান মাছুম, মো. হাকিম, শ্রমিক দল নেতা মিজানুর রহমান বাবলু, কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহিদুর রহমান সাহিদ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। একই সময়ে শহর বিএনপির উদ্যোগেও গোয়ালচামট স্বর্ণকুঠির মার্কেটের সামনে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি শুরু হয়। শহর বিএনপির সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজাউল, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মিরাজ, জেলা বিএনপির বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিনান, শহর বিএনপির সহ-সভাপতি এমএ সাত্তার নান্নু, আক্তারুজ্জামান বিলু, সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। একপর্যায়ে সেখানেও পুলিশ পৌঁছে কর্মসূচি পন্ড করে দেয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজন খাঁ, ইছমাইল হোসেন লাভলু, হারুন অর রশিদ হারু খাঁ, মো. ইব্রাহিম সেখ, মো. রফিকুল ইসলাম রফিক, শাহরিয়ার রুবেল, কামরুল ইসলাম মিল্টন প্রমুখ। : নোয়াখালী : নোয়াখালী প্রতিনিধি জানান, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে নোয়াখালীতে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রতীকী অনশনে অংশ নেয়।
দিনকাল
