বিশেষ সংবাদদাতা : বিমান ছিনতাই চেষ্টার ঘটনার সময় দায়িত্বরত বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) দুই নিরাপত্তা কর্মকর্তা এবং তিনজন আনসার সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তারা হলেন- অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের সশস্ত্র নিরাপত্তা প্রহরী মো. ইউনুস হাওলাদার, হেভি লাগেজ গেটে (উত্তর) স্ক্যানিংয়ের নিরাপত্তা সুপারভাইজার মো. লেহাজ উদ্দিন ভূঁইয়া, বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের কেবিন ব্যাগেজ স্ক্যানিং গেটের অপারেটর আনসার সদস্য আলীম হোসেন, বডি সার্চার আনসার সদস্য মাহফুজুর রহমান ও হেভি লাগেজ গেট উত্তরের বডি সার্চার আনসার সদস্য সাদ্দাম হোসেন।
এ ছাড়া এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি ফোর্সের (এভসেক) সদস্য পোস্ট সুপারভাইজার সার্জেন্ট সাজেদুল ইসলামকে তার বর্তমান কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে সংযুক্ত করা হয়েছে।
ঘটনার সময় নিরাপত্তা সুপার লেহাজ উদ্দিন ভুইয়া ঘটনার আগে-পরে পুরো সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিভিআইপি মুভমেন্টে ডিউটি করলেও তাকে সাসপেন্ড করা রহস্যজনক বলে অনেকে মনে করেন। তাছাড়া এভসেক সদস্য এলএসি হেমায়েত ঘটনার সময় যাত্রীর ল্যাগেজ ও বডি তল্রাশির সময় উপস্থিত থাকলেও তার বিরুদ্ধে কোন প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।সিএএবির ডিএসও রোকন উদ্দিন ঘটনার সময় কর্তব্যরত থাকলেও তার বিরুদ্ধে কোন প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
বেবিচকের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম বলেন, বিমান ছিনতাইচেষ্টার দিন তারা অভ্যন্তরীণ টার্মিনালে দায়িত্ব পালন করছিলেন। দুর্ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির কাজকে বেগবান করতে ছয় জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি অভ্যন্তরীণ রুটে ফটো আইডি ছাড়া যাত্রীদের বিমানে ওঠায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সিভিল এভিয়েশন। এখন থেকে এই রুটে টিকিট কাটার সময় যাত্রীদের ফটো আইডি প্রদর্শন করতে হবে। এ ছাড়া ওই ঘটনার পর শাহজালালসহ দেশের সবক’টি বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করা হয়েছে।
