বেবিচকে তুঘলকি কান্ড ! প্রকৌশলীর বউ স্ট্রোক করলো ২১ ডিসেম্বর, মেয়ে প্রতিবন্ধী, কোলে করে কলেজে নিতে হয়, প্রকৌশলীকে বরিশালে স্ট্যান্ডরিলিজ করা হলো ২৪ ডিসেম্বর!

স্টাফ রিপোর্টার : বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ-বেবিচকে তুঘলকি সব কান্ড ঘটছে। এখানে কেউ কেউ এক পোস্টিংয়ে ২৮ বছর/১৫ বছর ধরে বহাল। আবার কাউকে কাউকে ১ মাসের মধ্যে দুই দুইবার বদলি করা হচ্ছে। এমনি সব তুঘলকি কান্ডের মধ্যে ইএম বিভাগের সহকারি প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান সেলিমকে ১ মাসের মধ্যে দুই বার বদলি করা হয়েছে। ২১ ডিসেম্বর তার বউ স্ট্রোক করেছে, এক মেয়ে প্রতিবন্ধীকে কোলে করে কলেজে নিতে হয়। এই মানবিক দৃষ্টির মধ্যেও অমানবিকভাবে ওই প্রকৌশলীকে ২৪ ডিসেম্বর বরিশাল বিমানবন্দরে স্ট্যান্ডরিলিজ করা হয়েছে। কে তার বউকে চিকিৎসা করাবে, কে তার প্রতিবন্ধী মেয়েকে কলেজে নিবে?
খোজখবর নিয়ে জানা গেছে, সহকারি প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান সেলিমকে ১ মাস আগে ইএম-১ থেকে ইএম-২-এ বদলি করা হয়। তখন রুটিন প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন করেন শহিদুল আফরোজ। বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান প্রধান প্রকৌশলীর চেয়ারে বসার পর প্রকৌশল বিভাগে প্রথম ১২ জন প্রকৌশলীকে বদলি করেন। আাবার ২৪ ডিসেম্বর দ্বিতীয়বার মাত্র ২ জন প্রকৌশলীকে বদলি করে প্রঙাপন জারি করেন। এরমধ্যে একজন সংখ্যালঘু,আরেকজন সহকারি প্রকৌশলী ইএম সেলিম। তাকে ইএম-২-এ পদায়ন করা হলেও বরিশাল বিমানবন্দরে সংযুক্তি করা হয়েছে। মানবিক দিক বিবেচনায় বরিশালে তার পদায়ন বাতিল করা যেতে পারে বলে অনেকে মতামত ব্যক্ত করেছেন।
এ দিকে ২ একটিং তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এবং কয়েকজন নির্বাহী প্রকৌশলীর ডিপিসি সম্পন্ন হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। এতে করে গ্রেডের জটিলতা কাটছে বলে মনে হচ্ছে।আগে গ্রেড-৬ থেকে গ্রেড-৪-এ পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। মাঝে এ নিয়ে কথা ওঠে ডিপিসি বৈঠকে, পদোন্নতি বন্ধ রাখা হয়, তখন প্রশ্ন তুলা হয় গ্রেড-৬ থেকে ৪-এ যাওয়া যাবে না, গ্রেড-৫ থেকে গ্রেড-৪-এ যেতে হবে। এতে ছড়ি ঘুরান প্রশাসনের একজন কর্তাব্যক্তি। এবার হয়তো বরফ গলা শুরু করেছে, তাই ওদের ডিপিসি হচ্ছে।