বেবিচক : প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার , সিন্ডিকেড নিউজ, সম্পাদকীয়: এবার প্রধান উপদেষ্টার দফতরে অভিযোগে দুদকের মামলার চার্জশীটভুক্ত আসামি এবং ২জন প্রকল্পভুক্ত প্রকৌশলীর নাম জুড়ে দিয়ে প্রধান প্রকৌশলী করার প্রস্তাব

ডেক্স রিপোর্ট : বেবিচকের প্রধান প্রকৌশলী হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চলছে। পত্রপত্রিকায় সিন্ডিকেড নিউজ চলছে। কোন পত্রিকা আবার তাকে নিয়ে সম্পাদকীয় করেছে। তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে কিন্ত মামলার তদন্ত শেষে এখনও চার্জশীট হয়নি। চার্জশীট না হওয়া পর্যন্ত তাকে আসামি বলা যায় না। মামলার চার্জশীট হলে তাকে না হয় প্রধান প্রকৌশলীর পদ থেকে কর্তৃপক্ষ বাদ দিতে পারে, কিন্ত তার আগেই তাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এ কথা তিনি নিজেও স্বীকার করেছেন। সিন্ডিকেড নিউজ, মামলা ,রিট, বিদেশ যাত্রায় নিষেধাঙ্ঘা, দুর্নীতি বিরোধী কমিটির শোডাউন—ইত্যাদির পর এবার তার বিরুদ্ধে প্রধান উপদেষ্টার মূখ্য সচিব বরাবর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে—যা মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।
একমাত্র মফিজুর রহমান বাবু সম্পাদিত ‘বাংলাদেশের আলো’ নামে একটি দৈনিকে ‘বেবিচকের প্রধান প্রকৌশলীকে নিয়ে অপপ্রচারের রহস্য কি ‘ শিরোনামে গত ৪ মার্চ/২৫ তারিখে প্রকাশিত সংবাদে কিছুটা প্রকৃত সত্য তুলে ধরা হয়েছে মাত্র।
বেবিচক প্রধান প্রকৌশলী পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেতে যাওয়া হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব বরাবর গত ৫ মার্চ অভিযোগ করেছেন সিরাজুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি।
এই সিরাজ ইংলিশ সিরাজ নামে জাহিরকৃত, নিজকে সাংবাদিকও দাবি করেন। আবার কন্টাক্টরিও করেন , তিনি বেবিচকের অবসরে যাওয়া কর্মচারি। তাকে ঠিকাদারি কাজ না দেয়ায় প্রকৌশলী হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ঘুসের অভিযোগ করা হয়েছে বলে বেবিচক সূত্রে জানা যায়। তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় ২ প্রকৌশলী জিডি করেছেন বলেও জানা যায়।
প্রধান প্রকৌশলী হাবিবুর রহমানের দাবি দুদকের যে চার মামলা সেখানে ছয়টি প্রজেক্টের কথা রয়েছে সেই প্রজেক্টগুলোর কোনোটারই পিডি আমি ছিলাম না। যেহেতু মামলা হয়েছে এখন তার তদন্ত হচ্ছে। তদন্তে যা হবে সেটাই মেনে নেবো। তিনি বলেন, ‘একটি চক্র এগুলো করছে।
সিভিল এভিয়েশনের বোর্ড সভায় গত ১৯ নভেম্বর /২৪ তাকে প্রধান প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়।
২৩ মার্চ/২৫ হাবিবুর রহমানের অবসরে যাওয়ার কথা। কিন্তু তার আগে হাবিবুর রহমানকে এক বছরের চুক্তিভিত্তিক প্রধান প্রকৌশলী করতে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ‘হাবিবুর রহমানকে বাদ দিয়ে আরও ৩ জন সেখানে যোগ্য প্রকৌশলী রয়েছেন। এরা হলেন— শহীদুল আফরোজ, যিনি দুর্নীতি মামলার চার্জশীটভুক্ত আসামি। মামলার ফাইনাল রায়ে তার জেলও হতে পারে, আবার খালাসও পেতে পারেন—এটা মামলার রায়ে বলা যাবে।
জাকারিয়া হোসেন, শুভাশিষ বড়ুয়া—এরা দুজনই প্রকল্পের লোক। এর মধ্যে জাকারিয়ার বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগ তদন্তাধীন। বড়ুয়া এ পদের জন্য আনফিট বলে অনেকে জানান।
এদের ২ জনকে বেবিচকের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে পদোন্নতির পর পদোন্নতি প্রদান করা হয়েছে, এতে করে এদের ফিডার পদ পূর্ন হয়নি। এদেরকে রাজস্ব খাতে নেয়ায় সরকারের কয়েক কোটি টাকার লোকসান হয়েছে বলে বেবিচক কর্তৃপক্ষ বরাবর অভিযোগ করা হয়, কিন্ত তা ভেস্তে গেছে। ২০১০ সালে এদের চাকরি রাজস্ব খাতে নেয়া হলেও ভুতাপেক্ষ তারিখ কাউন্ট করে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে।
গত ৩ মার্চ বেবিচকের বোর্ড সভায় হাবিবুর রহমান প্রধান প্রকৌশলী পদে আরও এক বছর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়।
প্রধান উপদেষ্টার মূখ্য সচিব বরাবর অভিযোগে ৩ জন যোগ্য প্রকৌশলীর কথা উল্লেখ করা হলেও তারা কেউই যোগ্য নন। একমাত্র হাবিবুর রহমানই এ ক্ষেত্রে ট্রেনিং প্রাপ্ত যোগ্য ব্যক্তি। বেবিচক যোগ্য ব্যক্তিকেই বেছে নিচ্ছে প্রধান প্রকৌশলীর কাতারে।