বেবিচক : স্টোরের অর্গানুগ্রাম মানা হচ্ছে না: ১ স্টোরকে ৪টি করা হয়েছে: শাহজালালের প্রশাসনিক স্টোরে স্টোরের জনবল নেই: ফায়ার জনবল বদলির পরও একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে পদায়ন!

স্টাফ রিপোর্টার : বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের-(বেবিচক) মূল অর্গানুগ্রামে একটি স্টোরের কথা উল্লেখ থাকলেও এটাকে ৪ ভাগে ভাগ করে ৪টি স্টোর করা হয়েছে। কার স্বার্থে এই ৪টি স্টোর করা হয়েছে-তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে। যদিও বলা হচ্ছে কাজের স্বার্থে ১টা স্টোরকে ৪টি করা হয়েছে। এই স্টোরগুলোতে আবার একজন করে উর্ধতন কর্মকর্তা দেখভালের জন্য নিয়োজিত করা হয়েছে। স্টোরগুলো হচ্ছে : হযরত শাহজালাল র. আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রশাসনিক স্টোর, এমটি স্টোর, সিএনএস স্টোর, এ্যারোড্রাম স্টোর। এ ছাড়াও সিএটিসি স্টোর, সেমসু স্টোর বা ভান্ডার রয়েছে। সেমসুর ভান্ডারে ভান্ডাররক্ষক আমির হোসেন দায়িত্ব পালন করছেন। ২ জন উপপরিচালক তা দেখভাল করছেন। এরমধ্যে একজন পুরনো অন্যজন সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত। পুরনোজন আবার পরিচালক হতে যাচ্ছেন। তার ফিডার পদ পূর্ন হয়েছে অনেক আগেই, তার প্রতিদ্বন্ধীও নেই।
এই স্টোরগুলোতে স্টোরের জনবল না দিয়ে প্রশাসন ও ফায়ারের জনবল দিয়ে চালানো হচ্ছে। যদিও স্টোরের লোকজন বসে আছে, আবার এক স্টোরে স্টোরের ৩ জনকে দেয়া হয়েছে। গত ২০ বছর ধরেই স্টোরগুলোতে সমবন্টনে স্টোরের জনবল দেয়া হচ্ছে না। যদিও এবার সদর দপ্তর স্টোরে স্টোরের জনবল দেয়া হয়েছে।
শাহজলাল প্রশাসনিক স্টোর দীর্ঘদিন যাবত ফায়ারের লোক দিয়ে চালানোর পর তাকে গত মাসে সিএটিসিতে বদলি করা হয়েছে। কিন্ত এ স্টোরে এবারও স্টোরের জনবল না দিয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা জিয়াকে পদায়ন করা হয়েছে বলে জানা যায়। অথচ এ্যারোড্রাম স্টোরে স্টোরের ৩ জনকে একত্রে বসিয়ে রাখা হয়েছে। এদের থেকে ১ জনকে শাহজালাল প্রশাসনিক স্টোরে দেয়া যেতে পারে।
এ ব্যাপারে শাহজালাল প্রশাসনিক স্টোরের উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামান জানান, শাহজালাল স্টোরের জনবল বদলির পর দক্ষ জনবল দেয়ার জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রশাসন কাকে দেবে তা প্রশাসনের ব্যাপার। বদলিকৃত স্টোর কর্মকর্তা ব্যালেন্সসিট বুঝিয়ে দিয়ে বিদায় নেবেন।