স্টাফ রিপোর্টার : হযরত শাহজালাল র. বিমানবন্দরের আমদানিকৃত কার্গোভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় গোয়েন্দারা নাশকতার তীর সন্দেহ করছেন। ২ সিএন্ডএফ- আমদানি সংশ্লিষ্ট কোম্পানি এবং ঘটনার সময়ে মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে বের হয়ে আসা এক যুবক গোয়েন্দা নজরদারিতে। যদিও গোয়েন্দা নজরদারি ব্যর্থতা ছিল বলে অনেকে মনে করেন। তা না হলে নিñ্রদ্রি নিরাপত্তা বলয়ে আগুন লাগলো কেমনে-এ প্রশ্ন সংশ্ল্ষ্টিদের। আগুন লাগিয়ে দৃবৃত্তরা ৬১ ভরি স্বর্ণ মামলার কাগজপত্র, মূল্যবান নথি, জব্দকৃত কোটি কোটি পণ্য পাচার করে নিয়ে গেছে ইউটিউবে প্রচারিত হয়েছে।
এ দিকে এ ঘটনায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ্রে-বেবিচক চরম গাফিলতি নিয়ে কথা ওঠেছে। বেবিচক চেয়ারম্যানের ৩০ সেকেন্ডের বয়ান সন্দেহ করছে অনেকে। গণমাধ্যমে এ নিয়ে কথা ওঠেছে। বলা হচ্ছে ৩০ সেকেন্ড্ েতো একটি গাড়ি স্টার্ট করতেই সময় লেগে যায়, তাহলে ৩০ সেকেন্ডে বেবিচক কর্মবাহিনী কিভাবে ঘটনাস্থলে গেল? এই ৩০ সেকেন্ড বয়ান আবার উপদেষ্টার মুখ দিয়েও বলানো হয়েছে, বেবিচক চেয়ারম্যানের প্রেস ব্রিফিংয়েও এ ৩০ সেকেন্ড বয়ান জাহির করা হয়েছে।
এ দিকে ফায়ার নিভানোর যন্ত্রপাতি কেনা নিয়ে ১৯ বার সেমসু থেকে সদর দপ্তরে চিঠি চালাচালি করলেও তার কোন জবাবদিহি করা হয়নি। মেম্বার অপস অর্থ ব্যয়ের দোহাই দিয়েছেন।
সব সংস্থা আগুনের ঘটনায় আলাদা আলাদা তদন্ত কমিটি গঠন করলেও বেবিচক কোন তদন্ত কমিটি গঠন করেনি। এ নিয়ে বেবিচক সাবেক চেয়ারম্যান মফিদুর রহমান প্রশ্ন তুলেছেন- যা গণমাধ্যমে ওঠে এসেছে।
এ দিকে আগুন ণেভানোর কাজে নিয়োজিত দমকল বাহিনীর সদস্যদের ভিতরে প্রবেশ করতে বাধা দেয়ার অভিযোগ ওঠেছে। প্রায় ৩ ঘন্টা পর দমকল বাহিণীকে ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়। ততক্ষণে আগুনে পুড়ে সব ছাই। দমকলের ৩৭ ইউনিট ৮ ঘন্টা প্রানান্ত পরিশ্রম করে আগুন কিছুটা নিয়ন্তণে আনে, বোরবার সকাল পর্যন্ত সমস্ত আগুন নিয়ন্ত্রনে দমকল বাহিনী। এর পর বোরবার সকালে পর থেকে বিমান চলাচল শুরু হয়।
আগুনের এ ঘটনায় ভারতে ২টি ফ্লাটি অবতরণ করে, চট্রগ্রাম ৮টি ও সিলেটে ৫টি ফ্লাইট অবতরণ করে। ভারতে ফ্লাইট অবতরণ করায় ভারত লাভবান হয়েছে, লোকসান হয়েছে বাংলাদেশের।
২০১৩ থেকে ২০২৫: ২০১৩ সালে ঠিক একই জায়গায় -কুরিয়ার শুল্কায়ন খাচায় আগুন ধরেছিল।ওই সময় পুরো কার্গো পুড়ে ছাই হয়েছিল।ওই সময়ও হাজার হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছিল। বেবিচক টেন্ডার করে পুরো কার্গোভিলেজ মেরামত করে ৬ মাস পর পণ্য রাখার খাচা এবং ডেলিভারি দেবার উপযোগি করে গড়ে তুলে। এর ঠিক ১২ বছর বা একযুগ পর আবার একই স্থানে আগুন লাগলো। গতবার বিএনপি-জামায়াতকে সন্দেহ করা হয়েছিল,এবার কাকে দোষারূপ করা হবে? এবার কি তাহলে নাশকতার সাথে পতিত স্বৈরাচারের প্রেত্মারা জড়িত? বিষয়টি তদন্তেই বের হয়ে আসতে পারে।
বিমানবন্দরে ভয়াবহ এ অগ্নিকান্ডের ঘটনাকে দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো দুর্ঘটনা নয়- দেশবিরোধী নাশকতার গন্ধ পাচ্ছে। গোয়েন্দা সংস্থা মনে করছে এখানে রাজনৈতিক প্রভাব থাকতে পারে। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বিঘিœত করা, দেশের অর্থনীতিকে পংগু করা নাশকতার মূল উদ্দেশ্য এবং আরো সাবটেজ ঘটানোর পায়তারা রয়েছে বলে গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছে।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
