শাহজালালের রফতানি কার্গোভিলেজ : কোকেন চালানের পর এবার ১ কোটি ১৬ লাখ টাকার বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চালান জব্দ : কেউ আটক হয়নি

একুশে বার্তা রিপোর্ট : কোকেন সদৃশ্য মাদক উদ্ধারের এক মাস না যেতেই এবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রফতানি কার্গোভিলেজে যৌথ অভিযানে ৩৮ হাজার ৯শ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে। সৌদিগামী রেডিমেট গার্মেন্টসের রপ্তানি পণ্য চালানের ৩টি কার্টন থেকে বিপুল পরিমাণ এই মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। এগুলোর বাজারমূল্য প্রায় এক কোটি ১৬ লাখ টাকা।

১৬ অক্টোবর শুক্রবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা কাস্টম হাউজের প্রিভেন্টিভ দল ও সিভিল এভিয়েশনের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা জব্দ করা হয়। ঢাকা কাস্টম হাউজের ডেপুটি কমিশনার (প্রিভেন্টিভ) মোহাম্মদ মারুফুর রহমান এ অভিযান তদিারকি করেন।

বিল অব এক্সপোর্ট অনুযায়ী পণ্য চালানের রপ্তানিকারক এমএস সিয়াম এন্ড সমি এন্টারপ্রাইজ এবং ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে খিলগাঁও পশ্চিমপাড়া। আর আমদানিকারক হিসেবে লেখা রয়েছে সৌদি আরবের অ্যাপারিজ ইন্টারন্যাশনাল ইস্ট, যেখানে ঠিকানা দেয়া হয়েছে রিয়াদের আল ওয়াজির ট্রেডিং সেন্টার।

মারুফুর রহমান জানান, পণ্য চালানটি আটকের পর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে জানানো হলে তাদের প্রতিনিধি এসে ইয়াবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এ বিষয়ে কাস্টম এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তবে এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। অথচ অভিযানের সময় সিএন্ডএফ প্রতিনিধি, রফতানিকারক প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে উপস্তিত ছিল সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।
কার্গোভিলেজের রফতানি শাখা দিয়ে মাদক পাচার নতুন তকান ঘটনা নয়। সবজির কাচায়, গামেন্স আইটেমের কাটোনের ভিতর এ মাদক পাচার হয়ে থাকে। গোপন সমঝোতায় মাদক, মিথ্যা ডিক্লারেশনে চন্দনকাঠ পাচার হয়ে থাকে। দুট স্ক্যানিং মেশিন পক্ষকাল যাবত অকেজোর দোহাই দেয়া হচ্ছে, কুকুর দিয়ে পন্য স্ক্যান করানো হচ্ছে। সি্এএবির মহিলা নিরাপত্তা কর্মকর্তা নাসিমা আকতারের বিরুদ্ধে পাচার সংশ্লিষ্টতার তদন্ত এখনও আলোরমুখ দেখেনি। তদন্ত কর্মকর্তা ডিডি কম. প্রভাবিত হয়ে তদন্ত রিপোর্ট দেয়ার পায়তারা করছেন বলে সিএএবির লোকজনই বলে বেড়ায়।