শাহজালালে সিভিল এভিয়েশনের নিরাপত্তা পাসে ভুমি প্রতিমন্ত্রীর ছেলের প্রটোকল অফিসার পরিচয়ধারী সিরাজ লাপাত্তা : ল্যাগেজ স্ক্যান করে মিলল ১৬ কেজি স্বর্ন ! সিএএবির ২ কর্মচারি গ্রেফতার

বিশেষ সংবাদদাতা : হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে সিভিল এভিয়েশনের নিরাপত্তা পাসে ভুমি প্রতিমন্ত্রীর ছেলের প্রটোকল করতে এসে অবশেষে ফেসে গেল জনৈক সিরাজ। ভুমি প্রতিমন্ত্রীর ছেলের ল্যাগেজ থেকে অবশেষে স্ক্যান করে ১৬ কেজি স্বর্ন জব্দ করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় প্রটোকল কর্মকর্তা পরিচয়ধারি সিরাজ লাপাত্তা, তাকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৮ ডিসেম্বর। অন্য ঘটনায় ১৬ পিচ স্বর্ন পাচারের অভিযোগে সিএএবির ইএম বিভাগের দুই কর্মচারি- যারা শাহজালাল বিমানবন্দরে কনভেয়ার বেল্টে কর্মরত ২ বেল্টম্যানসহ বাংলাদেশ বিমানের এক কর্মচারিকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা সংস্থা।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে শাহজালাল বিমানবন্দরের উপপরিচালক বেনি মাধব জানান, ভুমি প্রতিমন্ত্রীর ছেলের রেফারেেেন্স প্রটোকল অফিসার সিরাজ সিএএবির নিরাপত্তা পাস নেয়। সিএএবির নিরাপত্তা বিভাগ যাচাই-বাছাই না করে নিরাপত্তা পাস দিয়েছে। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।
এ ব্যাপারে সদস্য (নিরাপত্তা)’র সেল ফোনে কলা করা হলে তিনি তার অফিসে গিয়ে কথা বলার পরামর্শ দেন।
এ ব্যাপারে জানতে শাহজালাল বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন আব্দুল্লাহ আল ফারুকের সেল ফোনে কলা করা হলে তিনি তা রিসিভ করেনন্
িবিমানবন্দরের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভুমি প্রতিমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসারের পরিচয়ের অন্তরালে বিএনপি নেতা হীরার প্রটোকল করতো সিরাজ। তার বহনকৃত ল্যাগেজ থেকে ১৬ কেজি স্বর্ন জব্দ করা হয়।
বিমানবন্দরে কর্মরত কাস্টমস কর্মকর্তারা ভুমি প্রতিমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার সিরাজকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছে বলে বিমানবন্দরের সংশ্লিষ্ট আরেকটি সুত্রে জানা গেছে।সূত্রমতে ভুমি প্রতিমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার পরিচয়ধারি সিরাজকে আটক করে সংশ্লিষ্ট যাত্রীকে কেন পাসপোর্টসহ ডেকে কাস্টমস হলে আনা হলো না? যাত্রীকে ডেকে আনা এবং যাত্রীর পাসপোর্ট আনার কথা বলায়- এ সুযোগে সিরাজকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করে কাস্টমস। পরে কাস্টমস সিরাজের থেকে পাওয়া ওই ল্যাগেজ স্ক্যান করে ১৬ কেজি স্বর্ন পায়। এ ঘটনার ৩ দিন অতিবাহিত হলেও কাস্টমস কর্তৃৃপক্ষ ফৌজধারি ধারায় মামলা করেনি।
উল্লেখ্য, ইতিপূর্বেও সিভিল এভিয়েশনের নিরাপত্তা বিভাগ থেকে যুদ্ধাপরাধের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত মরহুম গোলাম আজমের পরিবারের সদস্যদের নামে ভিআইপি প্রটোকল পাস ইস্যু করা হয়। এ নিয়ে ওই সময় বিমানবন্দরে হেচৈ পড়ে যায়।