সিএএবিতে কেরানি হাফিজের খুটির জোর কোথায়? সেমসুতে আরেক জিকি শামীমের খোজে গোয়েন্দারা

বিশেষ সংবাদদাতা : ‘ ফাইল রেডি, ঘুষ নিয়ে আসেন’ এ ধরনের উক্তির পরও এবং এ নিয়ে দেশের শীর্ষ গণমাধ্যমগুলোতে সংবাদ প্রকাশের পরও কেরানি হাফিজ এখনও সদস্য অথ’র দপ্তরে দিব্যি পিএগিরি করছেন। তাকে এখনও সরানো হয়নি। সবচে’ বড় কথা চাকরি শুরু থেকেই হাফিজ সিএএবির সদর দপ্তরে চাকরি করলেও অদ্যাবধি তাকে অন্য কোথাও বদলি করা হয়নি। শুধু তাই নয়- পিএগিরি করার জন্য তাকে দায়িত্ব ভাতাও দেয়া হয়। হাফিজ নিজকে একটি বিশেষ জেলার লোক বলে জাহির করে।
নিয়মানুযায়ী কোন সংস্থার কোন কর্মকর্তা-কর্মচারির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠলে তাকে সেই দপ্তর থেকে সরিয়ে তদন্তে দোষী হলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া।কিন্ত সিএএবিতে কেরানি হাফিজ এর ব্যতিক্রম। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও তাকে তার দপ্তর থেকে এখনও সরানো হয়নি। এটা কি সিএএবির প্রশাসনের খেলা-নাকি ডিডি প্রশাসন তাকে আগলে রেখেছেন।
এ দিকে সিএএবির সেমসুতে আরেক জিকে শামীমের খোজে গোয়েন্দারা মাঠে চষে ড়োচ্ছেন।
সিএএবির এক মহিলা নিরাপত্তা অফিসার যখন কার্গো ভিলেজে কর্মরত তখন তার বিরুদ্ধে চেয়ারম্যান বরাবর অভিযোগের পর এবং গোয়েন্দা রিপোর্টের পর তাকে সেখান থেকে সরিয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা ডিডি কম. তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ নিয়ে যদিও কালক্ষেপণ এবং প্রভাবিত হয়ে অভিযুক্তের পক্ষে তদন্ত প্রতিবেদন দিবেন বা দিচ্ছেন- এমন কথা সিএএবিতে গুনজন শোনা যায়।
সিএএবিতে কোন তদন্তই সঠিকওয়েতে হয়না- এমন মন্তব্য শোনা যায়। ‘জিয়া বিমানবন্দর সম্বলিত স্ট্রীকার’ লন্ডন ফ্লাইটে যাত্রীদের ল্যাগেজের গায়ে লাগানোরও অভিযোগে অভিযুক্ত , তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও সেই নিরাপত্তা সুপার খলিল এখন সদর দপ্তরে দিব্যি চাকরি করছেন। অথচ ডিউটি না থাকলেও মহিলা নিরাপত্তা সুপার লাভলীকে সাসপেন্ড করা হয়। তদন্তে মদকে মধু হিসেবে চালিয়ে দিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
ডিডি রাশিদা সুলতানার বিরুদ্ধে গোয়েন্দা রিপোর্টকে আমলে নেয়া হয় না। ২৯ নিরাপত্তা গার্ডের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা রিপোর্টও আমলে নেননি কেরানি হাফিজের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কর্মকর্তা ডিডি আব্দুন নাসির। সাবেক নিরাপত্তা সুপার বর্তমানে সেমসুতে কর্মরত ভান্ডাররক্ষক আমিরের বিরুদ্ধে একাধিক তদন্ত রিপোর্ট আলোরমুখ দেখেনি। বর্তমান সদস্য প্রশাসনও তিনি যখন ডিডি এক ঘটনায় তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে আমিরের বিরুদ্ধে তদন্ত করেছেন। সবকটি’ তদন্ততেই আমির হোসেন পার পেয়ে গেছেন।
কেরানি হাফিজও পার পেয়ে যাবেন বলে অনেকে মনে করেন। তার খুটির জোর নিয়ে অনেকে মন্তব্য করে থাকেন- হাফিজের খুটির জোর কোথায়?