সিএএবির কর্মচারী পেইন্টার খোরশেদের মাতলামি : কর্মচারীদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ : মেম্বার অপস বরাবর অভিযোগ : প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে গড়িমসি !

বিশেষ সংবাদদাতা : হযরত শাহজালার বিমানবন্দরে সিটিও বিভাগে চাকরির শুরু থেকে কর্মরত- যার বিরুদ্ধে মানব পাচার, মাদক পাচারসহ স্বর্ন পাচারের অভিযোগ পাওয়া গেছে- সেই পেইন্টার খোরশেদ আলম ভুইয়ার (পিতা-সাদেক আলম ভুইয়া) বিরুদ্ধে মাতাল অবস্থায় কর্মচারীদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ মাতলামি করার অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনায় সিএএবি কর্তৃপক্ষের সেকেন্ড ইন কমান্ড সদস্য অপারেশন এন্ড প্লানিং , পরিচালক শাহজালাল বিমানবন্দরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে জানানোর পরও অভিযুক্ত মাতাল খোরশেদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে গড়িমসি করা হচ্ছে বলে কর্মচারিরা জানান।
কর্মচারীদের অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ৩ জুন দুপুরের দিকে কর্মচারীদের ‘বে’ কোম্পানীর জুতা বিতরণের শ্লিপে সই এবং তার ( খোরশেদ ভুইয়া) মাধ্যমে ওই শ্লিপ পাঠানোর সময় হঠাৎ করে মাতাল অবস্থায় পেইন্টার খোরশেদ আলম ভুইয়া কর্মচারীদের সাথে খারাপ আচরণসহ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। তার মাতলামিতে কর্মচারীরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন।কর্মচারীরা ধৈর্য ধারণ করায় ঘটনাস্থলে মারামারির মতো কোন ঘটনা ঘটেনি। এক পর্যায়ে মাতাল খোরশেদকে অফিসকক্ষ থেকে বের করে দেয়া হয়।
এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ কর্মচারীরা ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা তুলে ধরে অভিযুক্ত খোরশেদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সদস্য অপারেশন এন্ড প্লানিং, পরিচালক শাহজালাল বিমানবন্দর, উপপরিচালক প্রশাসন, উপপরিচালক শাহজালাল বিমানবন্দর, সহকারি পরিচালক প্রশাসন , শাহজালাল বিমানবন্দরসহ সিটিও অফিসারকে মৌখিকভাবে অভিযোগ করা হয়। কিন্ত ঘটনার প্রায় ২৪ ঘন্টা অতিবাহিত হতে চললেও অভিযুক্ত খোরশেদ আলম ভুইয়ার বিরুদ্ধে কোন প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
কর্মচরীরা অভিযোগ করেন পেইন্টার খোরশেদ আলম ভুইয়া চাকরির শুরু থেকেই ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে কর্মরত। আর এ সুবাধে খোরশেদ আলম মানব পাচার, মাদক পাচার,স্বর্ন পাচারে জড়িত। ফলে সে আংগুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে। রাজধানীর কাওলার মোল্লাপাড়ায় ২৮/২ হোল্ডিংয়ে ৭ তলা ‘রেশমা কন্ঞ’ গড়ে তুলেছেন। খোরশেদের স্ত্রী শামীমা সুলতানাও শাহজালাল বিমানবন্দরে অপারেটর পদে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত। এর ফলে জামাই-বউ মিলে শাহজালালে পাচারের স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছে। খোরশেদ আলম শাহজালালের সুরক্ষিত নিরাপত্তার মধ্যেও মদ খেয়ে মাতলামি কওে থাকে, কর্তৃপক্ষ তা দেখেও না দেখার ভান করে থাকে। অনেককে সে মদের বোতল উপহার দিয়ে থাকে। শাহজাালালে তার গতিবিধি নজরদারিতে আনলে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যাবে বলেও কর্মচারীরা জানান।