ডেক্স রিপোর্ট : দেশের ৩ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ‘আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরসমূহের সিকিউরিটি ব্যবস্থার উন্নয়ন’ নামে একটি প্রকল্প হাতে নিচ্ছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। এটি বাস্তবায়নে মোট খরচ ধরা হয়েছে ৫৯ কোটি ৬২ লাখ টাকা।অনুমোদন পেলে আগামী ২০২০ সালের জুনের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করবে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।
বেসামারিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বাংলাদেশের তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তা সরঞ্জাম সরবরাহ ও সংস্থাপনের জন্য জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) থেকে একটি সার্ভে করা হয়। এ জন্য হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রফতানি কার্গো স্ত্রিনিংয়ের জন্য ২টি ইডিএস ও আন্তর্জাতিক বহির্গমন যাত্রীদের স্ক্রিনিংয়ের জন্য ৪টি বডি স্ক্যানার ও শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক বহির্গমন যাত্রীদের জন্য একটি বডি স্ক্যানার এবং ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক বহির্গমন যাত্রীদের স্ত্রিনিংয়ে একটি বডি স্ক্যানার সরবরাহের জন্য জাইকা কারিগরি সহায়তা দিতে রাজি হয়।
এজন্য ২০১৭ সালের ৩০ জুলাই ‘রেকর্ড অব ডিসকাশন’ স্বাক্ষরিত হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালের ২১ ডিসেম্বর জাইকা ও বেবিচকের মধ্যে অনুষ্ঠিত জয়েন্ট কো-অর্ডিনেশন কমিটি (জেসিস) সভার মিউনিটস অব মিটিং (এমওএম) স্বাক্ষর হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে জাইকা ঋণ দিচ্ছে ৫৪ কোটি ১০ লাখ টাকা। বাকি ৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা বেবিচকের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় করা হবে।
যেসব বিভাগে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে সেগুলো হচ্ছে- ঢাকা বিভাগের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর, চট্টগ্রাম বিভাগের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও সিলেট বিভাগের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
প্রকল্পের আওতায় প্রধান কার্যক্রমগুলো হচ্ছে- ২টি বিস্ফোরক শনাক্তকরণ সিস্টেম (ইডিএস) সংগ্রহ, ৬টি বডি স্ক্যানার সংগ্রহ, একটি ডাবল কেবিন পিক আপ ক্রয় এবং পরামর্শক সেবা দেওয়া হবে।
সুত্রঃ সারবাংলা ডট নেট
