৫ সচিবের দপ্তর রদবদল : বিমান মন্ত্রণলায়ের বদলিকৃত অতিরিক্ত সচিব জিয়া এখনও বহাল ! সিএএবির তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শহিদুল আফরোজের অবৈধ সম্পত্তির সন্ধানে মন্ত্রণালয়: দাপ্তরিক চিঠি: আমলে নিচ্ছে না সিএএবি

একুশে বার্তা প্রতিবেদন :  পক্ষকাল আগে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ এইচএম জিযাকে দুই দুইবার বদলি আদেশ কার্যকর করা  না হলেও গত ১৫ মার্চ জন প্রশাসন মন্ত্রণলায়ের এক আদেশে সচিব পর্যায়ে ৫ জনকে রদবদল করা হয়েছে। জানা গেছে,  পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খানকে স্থানীয় সরকার বিভাগে বদলি করা হয়েছে।  অন্যদিকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবদুল মালেককে তথ্য মন্ত্রণালয়ে সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।  বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আনিসুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, তথ্য মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. নাসির উদ্দিন আহমেদকে বদলি করে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. নুরুল আমিনকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব পদে বদলি করা হয়েছে।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) কবির বিন আনোয়ারকে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব পদে বদলি করা হয়েছে।

সূত্রে জানা গেছে, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচি এএইচএম জিয়াউর রহমানকে জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে প্রথমে সমবায় মন্ত্রণালয় এবং পরে তথ্য মন্ত্রণালযের আর্কাইভে বদলি করা হয়। কিন্ত রহস্যজনক কারণে দুই দুইবার বদলি করার পরও অতিরিক্ত সচিব জিয়া বিমান মন্ত্রণালয়ের এখনও বহাল তবিয়তে রয়েছেন। তিনি বিমান মন্ত্রণালয়ের সিভিল এভিয়েশন সাইট দেখভাল করে থাকেন। বড় বড় টেন্ডার প্রক্রিয়ার সাথে তার (জিয়া) সংশ্লিষ্টতার জন্যই নাকি তিনি বিমান মন্ত্রণালয় ছাড়তে নারাজ বলে অনেকে জানান। তিনি নন টেকনিক্যাল হয়েও সিএএবির বিভিন্ন টেকনিক্যাল কাজের তদারকি করতে বিভিন্ন দেশ সরকারি টাকায় ঘুরে বেড়ান। কক্সবাজার বিমানবন্দরে ‘ফেল্টর’ কাজের টেকনিক্যাল বা কারিগরি পরিদর্শনের জন্য ৫ সদস্যের একটি টিমের সাথে গত বছর অস্ট্রেলিয়া সফর করেছেন। এ ভাবে তিনি বার বার কারিগারি কাজের পরিক্ষার জন্য সিভিল এভিয়েশনের বিভিন্ন টিমের সাথে সরকারি টাকায় বিদেশ সফর করছেন। তার পিছনে প্রতি সফরে সরকারের কমপক্ষে ১৫ লাখ টাকা খরচ হচ্ছে। জনস্বার্থে তার বদলি কার্যকর জরুরি বলে অনেকে মন্তব্য করেন।

এ দিকে সিভিল এভিয়েশনের তত্ববধায়ক প্রকৌশলী পিএন্ডডিকিউএস শহিদুল আফরোজের সসম্পত্তির সন্ধ্যানে বিমান মন্ত্রণালয় সিভিল এভিয়েশনের সদস্য পর্যায়ের একজন কর্মকর্তাকে দিয়ে তদন্তের জন্য বিমান মন্ত্রণালয় দাপ্তরিক আদেশ জারি করলেও তা আমলে নিচ্ছে না সিভিল এভিয়েশন প্রশাসন বিভাগ। এ আদেশ ধামাচাপা দেয়া হয়েছে, আবার অনেকে বলছেন,মন্ত্রণালয়ের ওই দাপ্তরিক চিঠি নাকি গায়েব করে দেয়া হয়েছে। সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যানের দপ্তর থেকেই নাকি মন্ত্রণালয়ের ওই দাপ্তরিক চিঠি ফাইলে পুটআপ করা হয়নি।

এ ব্যাপারে জানতে ডিডি প্রশাসনের সাথে কয়েকদফা যোগাযোগ করেও তিনি মিটিংয়ে থাকায় বিষয়টি জানা যায়নি।