স্টাফ রিপোর্টার : বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বেবিচকের কর্মচারি, বর্তমানে পদোন্নেিত কর্মকর্তা বনে যাওয়া শাহাদত যুগের অবসান হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ ১৫ বছর পর হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের ওয়েলফেয়ার কমিটির নির্বাচন শুরু হয়েছে। ১১টি শাখার মধ্যে ১০টি শাখার নির্বাচন শেষ হয়েছে। ৯ জুলাই হসাবির সিকিউরিটি শাখার নির্বাচন সম্পন্ন হলো। এখানে আওয়ামী-জামায়াতের সমর্থকরা (আরিফ-আশরাফ) নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। কথা ওঠেছে শাহজালালে দীর্ঘ দেড়যুগ-আড়াইযুগ ধরে কর্মরত মানব পাচারকারিরা, সোনা পাচারকারিরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। এরা ওয়েলফেয়ারে যাচ্ছে। এদের ভোটে একজন সেক্রেটারি নির্বাচিত হবে আর পদাধিকার বলে শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক (ইডি) সভাপতি নির্বাচিত হবেন। সিকিউরিটি শাখায় যারা নির্বাচন করেছে তার হলো নিরাপত্তা অপারেটর আফজাল হোসেন, প্রিয়াংকা চৌধুরি, ফখরুদ্দিন, আশিকুর রহমান, আশরাফ, আরিফ।
প্রতি শাখা থেকে ১-৩ জন করে ২০ জন এবং প্রতি শাখা থেকে পদাধিকার বলে ১ জন করে শাখা প্রধান, ১১ শাখার ১১ জন শাখা প্রধান+২০ জন নির্বাচিত = ৩১ জনের কমিটি হবে। এই ৩১ জন ভোট দিয়ে তাদের সেক্রেটারি নির্বাচিত করবেন। ইতিমধ্যেই ১১ শাখার নির্বাচন হয়ে গেছে। শাখাগুলো হলো: প্রশাসন শাখা, হিসাব শাখা, এমটি শাখা, সিকিউরিটি শাখা, ফায়ার শাখা, এটিএম শাখা, সিএনএস শাখা, ইএম-১ শাখা, সিডি-১ শাখা, স্টোর শাখা এবং স্যানিটেশন ও হরিকালচার শাখা।
শাহজালালের ওয়েলফেয়ার কমিটিতে ৯ম গ্রেড শুধুমাত্র কর্মচারিদের থাকার বিধান থাকলেও তা লংঘন করে গত ৩ বছর ধরে সেক্রেটারি শাহাদতকে পদোন্নতি দিয়ে (১০ম গ্রেড) কর্মকর্তা করা হয়েছে। এটা বৈধ করার জন্য আবার আইন সংশোধন করে এখন শাহজালালের ওয়েলফেয়ার কমিটিতে ১০ম গ্রেডের কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
শাহজালালের ওয়েলফেয়ার কমিটিতে সেক্রেটারি পদে প্রার্থী হিসেবে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন: প্রশাসনিক কর্মকর্তা লিটু কাজী, আরটি আব্দুল আলিম খা, এটিএম শাখার রফিকুল ইসলাম সুজন এবং বেনজীর আহমদ।
এদের মধ্যে সুজন যুবলীগ নেতা এবং জুলাই আন্দোলনের বিরোধিতাকারি এবং মামলার আসামি বলে শোনা যায়।
গত ১৫ বছর শাহজালালের ওয়েলফেয়ার কমিটির নির্বাচিন না দিয়ে ইডি বার বার নবায়ন করেছেন বলে জানা যায়।
ওয়েলফেয়ার কমিটির সাইনবোর্ডে রামরাজত্ব : শাহজালালের ওয়েলফেয়ার কমিটির নামে সাইনবোর্ডের অন্তরালে রামরাজত্ব চলে বলে অনেকে বলে বেড়ান। ইতিমধ্যেই গত কমিটির শাহাদতের নেতৃেেত্ব বেবিচকের অনেক জায়গা-সম্পত্তি লিজের নামে হাতছাড়া হয়েছে বলে শোনা যায়। এই কমিটি কাওলাতে এবং আশকোনা হজ ক্যাম্পের অপজিটে ৬ থলা বাণিজ্যিক ভবন করেছে। এ টাকার উৎস কি?
গত ১৫ বছর ধরে শাহাদত কমিটির সেক্রেটারি দায়িত্ব পালন করে আংগুল ফুলে কলা গাছ হয়েছেন- যা তদন্ত করলেই থলের বিড়াল বের হয়ে আসবে।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
