বেবিচক : পরিচালক এভসেক বদলির পক্ষকাল পরও শাহজালালেই বহাল: ওয়েলফেয়ার কমিটি করে বিদায় নেবেন: কাওলার স্টাফ কোয়ার্টারের নিরাপত্তা প্রশ্নবিদ্ধ: কোয়ার্টারের ‘ডি’ টাইপ ভবনের পাশে নার্সাারী, মশার উৎপাত বাড়বে, ডেংগু-চিকনগুনিয়ার প্রার্দুাভাবের আশংকা করছেন বসতিরা

স্টাফ রিপোর্টার : বদলির প্রায় ৬ মাস পর উপপরিচালক এভসেককে শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে সরানো হয়। এবার আবার পরিচালক এভসেককে বদলির পক্ষকাল পরও তিনি শাহজালালেই বহাল। কর্মচারিরা বলে বেড়াচ্ছেন শাহজালালের ওয়েলফেয়ার কমিটিতে নেতৃত্ব দিয়ে তা ষোলকলা পূর্ণ করে নাকি তিনি শাহজালাল থেকে সরবেন।
এ দিকে কাওলার স্টাফ কোয়ার্টারের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে। দিনে-রাতে-সন্ধ্যায় নেশাখোর ভবঘুরদের আড্ডাখানায় পরিণত হয় কাওলার স্টাফ কোয়ার্টার-এর আস-পাশ নির্জন এলাকা, বসতিরা আশংকা করছেন কখন কোন দুর্ঘটনা ঘটে যায়। অথচ বেবিচক কর্তৃপক্ষ কাওলার স্টাফ কোয়ার্টারের নিরাপত্তা জোরদার করছে না বলে অভিযোগ ওঠেছে। রাতের বেলা নাকি কাওলার স্টাফ কোয়ার্টারের নিরাপত্তা নাকি অনেকটাই অরক্ষিত হয়ে পড়ে। ফলে চুরি-ডাকাতি-ছিনতাই বেড়ে যাচ্ছে বলে বসতিরা জানান।
অন্যদিকে কাওলার স্টাফ কোয়ার্টারের ‘ডি’ টাইপ ভবনের পাশে নার্সারি গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বেবিচকের জায়গা-জমি নার্সারির জন্য ইতিমধ্যেই ইজারা দেয়া হয়েছে। কর্মচারিরা এর প্রতিবাদ করলেও কর্তৃপক্ষ অনড়। স্টাফ কোয়ার্টারের এ জায়গায় নার্সারি গড়ে উঠলে ডেংগু-চিকনগুনিয়ার প্রার্দুভাব ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে বলে বসতিরা আশংকা করছেন। এর প্রতিবাদে কর্মচারিরা মানববন্ধন করবেন বলে জানা যায়।
এ দিকে বেবিচকে গত ১৭ বছর যাবত ফ্যাসিস্টদের দাপট এতোটুকুও কমেনি। তাদের দাপটে বিএনপি করা বা মাইন্ডেড কর্মকর্তা-কর্মচারিরা কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। তিন সরকারের আমল থেকেই বেবিচকে ফ্যাসিস্টরা বহাল, তারাই ছড়ি ঘুরাচ্ছেন। বোর্ডেও ফ্যাস্টিস্টরা নাকি বহাল।
এ নিয়ে ফেইজবুকে এক স্ট্যাটাস ছড়িয়ে পড়েছে। ফেইজবুকে ফ্যাসিস্টদের ছবিও ছড়িয়ে পড়েছে।

 

 

বেবিচকের কাওলা আবাসিক এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, নার্সারির জন্য জায়গা বরাদ্দ বাতিলের দাবি


বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) কাওলা আবাসিক এলাকার নিরাপত্তা ও পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সেখানে বসবাসরত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। আবাসিক এলাকার ডি-টাইপ কোয়ার্টারের পাশে নার্সারি স্থাপনের জন্য নির্ধারিত জায়গার বরাদ্দ বাতিলের দাবি জানিয়েছেন তারা।

বাসিন্দাদের অভিযোগ, কাওলা আবাসিক এলাকায় ইতোমধ্যে নিরাপত্তাসংক্রান্ত নানা সমস্যা রয়েছে। বহিরাগতদের অবাধ যাতায়াত, অননুমোদিত যানবাহন পার্কিং ও ভাসমান দোকানের কারণে আবাসিক পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। বিভিন্ন সময়ে চুরি-ছিনতাইসহ অপ্রীতিকর ঘটনার অভিযোগও রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নার্সারি চালু হলে বহিরাগত ব্যক্তি ও যানবাহনের চলাচল আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।

তাদের দাবি, নার্সারির জন্য নির্ধারিত স্থানটি যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা না হলে সেখানে পানি জমে মশার প্রজননস্থল তৈরি হতে পারে। এতে বিশেষ করে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বাসিন্দারা বলছেন, বেবিচকের অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী বিমানবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি অপারেশনাল দায়িত্ব পালন করেন। ফলে তাদের পরিবারের জন্য নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও নিয়ন্ত্রিত আবাসিক পরিবেশ নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।

এ অবস্থায় কাওলা আবাসিক এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার, বহিরাগতদের অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশ ও অবৈধ পার্কিং নিয়ন্ত্রণ এবং ভাসমান দোকান অপসারণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

একই সঙ্গে ডি-টাইপ কোয়ার্টারের পাশে নার্সারির জন্য জায়গা বরাদ্দের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে তা বাতিল করার জন্য বেবিচক কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন আবাসিক এলাকার কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। তাদের প্রত্যাশা, সার্বিক স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও আবাসিক পরিবেশের স্বার্থে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে কর্তৃপক্ষ।