শাহজালালের ওয়েলফেযার কমিটির কোষাধ্যক্ষ আশরাফ কি মানব পাচারে সিদ্ধহস্ত : কোটি টাকার অবৈধ ইনকামে রাজধানীতে মিম টাওয়ার, মদিনা টাওয়ারসহ ৫টি অভিজাত টাওয়ারে ফ্লাট: শাহাদতের পেয়ারের লোকসহ আওয়ামী-জামাতিদের কমিটিতে ঠাই: ‘এভিয়েশন স্মার্ট মার্কেট’ করে শাহাদতের কমপক্ষে ২ কোটি টাকা অবৈধ ইনকাম: দুদকের তদন্তে থলের বিড়াল বের হয়ে আসতে পারে

স্টাফ রিপোর্টার : আওয়ামী দোসর-জামাতিদের কমিটিতে ঠাই করে ‘শাহজালাল ওয়েলফেয়ার’ কমিটি গঠিত হয়েছে। আওয়ামী দোসরকে সেক্রেটারি করা হয়েছে। আর জামাতি দোসরকে কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে।
জামাতি দোসর কোষধ্যক হয়ে সরাকে সরা ঞ্ঘান করছেন। যাদের ভোটে তিনি কোষাধ্যক্ষ হলেন তাদের এখন আর তিনি চিনেন না–ভাবখানা এমন। এই কোষাধ্যক্ষ আশরাফ দীর্ঘ প্রায় ১ যুগ ধরে শাহজালাল বিমানবন্দরে কর্মরত থাকাবস্থায় মানব পাচারে সিদ্ধহস্ত, কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। রাজধানিতে মিম টাওয়ার, মদিনা টাওয়ারসহ কমপক্ষে ৫টি অভিজাত টাওয়ারে তার ফ্লাট ও একাধিক প্লট রয়েছে বলে তার এক সময়কার হিতাকাংক্ষিরা বলে বেড়াচ্ছেন। কোষাধ্যক্ষ হয়ে আশরাফ এমন ভাব দেখাচ্ছেন যে, আমি কি হনুরে। তিনি এখন আর তার ভোটারদেরও থোরাইকেয়ার করে থাকেন।
এ দিকে গত কমিটির বিদায়ী সেক্রেটারি শাহাদত হজ ক্যাম্পের অজজিটে এভিয়েশন স্মার্ট মার্কেট করে কমপক্ষে ২ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে শোনা যায়-যা দুদকের তদন্তে থলের বিড়াল বের হয়ে আসতে পারে বলে অনেকে মনে করেন।
শাহজালালের ওয়েলফেয়ার কমিটির সভাপতি পদাধিকার বলে শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক। এই নির্বাহী পরিচালকরা বিমান বাহিনী থেকে প্রেষণে আসেন আবার চলে যান।
সেক্রেটারি-কোষাক্ষধ্য ওরিরেন্টটেড কমিটি কর্মচারিদের কল্যাণের নামে নিজেদের কল্যাণ সাধন করে লুটপাট করে আংগুল ফুলে কলা গাছ হয়ে যান। উদাহরণ হতে পারে গত কমিটির সেক্রেটারি শাহাদত। এক্কেবারে চুনোপুটি থেকে কোটিপতি হয়েছেন, পদোন্নতি পেয়েও কমিটিতে ছিলেন প্রায় দেড়যুগ।
ওয়েলফেয়ার কমিটির লোভ থাকে বেবিচকের জায়গা-জমির ওপর। কমিটির লোকজন বেবিচকের বিভিন্ন জায়গা-জমি লিজের নামে নামে মার্কেট করে লুটপাট চালায়, পছন্দের লোকদের ৫/৭ লাখ টাকা করে সেলামি নিয়ে দোকানপাট বরাদ্দ দেয়। গত কমিটি এভাবে কাওলায় এবং হজ ক্যাম্পের অপজিটে ২টি মার্কেট করেছে। যেহেতু পুরনো কমিটির পেয়ারের লোক নতুন কমিটিতে -তারাও কি একই পন্থা অবলোকন করবে?