বেবিচক : শাহাদতের স্মার্ট মার্কেটে স্মার্ট বাণিজ্য!

স্টাফ রিপোর্টার : শাহজালাল বিমানবন্দরের গত ওয়েলফেয়ার কমিটির সেক্রেটারি শাহাদত এভিয়েশন স্মার্ট মাকের্টে ‘স্মার্ট বাণিজ্য’ করেছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। নীচতলা থেকে ৬ তলা পর্যন্ত স্মার্ট মার্কেটে প্রতিটি দোকানের পজিশন বিক্রি করেছে ২৫ লাখ টাকা করে। এ সব দোকানপাট মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান,নাতি-পুতির নামে বরাদ্দ না দিয়ে এভিয়েশনের বাইরের লোকদের থেকে কেটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বরাদ্দ দিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে।
জানা যায়, বেবিচকের এক কর্মচারি মার্কেটের ৫ তলায় একটি দোকানের পজিশন কিনতে গেলে তাকে বলা হয়, অন্যদের থেকে তো ২৫ লাখ টাকা নিয়ে বরাদ্দ দিয়েছি আপনি ২১ লাখ টাকা দিয়েন।
এভাবে শাহাদত মার্কেটের নীচতলা থেকে ৬ তলা পর্যন্ত দোকানপাট বরাদ্দ দিয়ে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তবে এ টাকা ওয়েলফেয়ার ফান্ডে জমা হয়েছে না তার ব্যক্তিগত ফান্ডে জমা হয়েছে- তা অডিট এবং তদন্ত করলেই থলের বিড়াল বের হয়ে আসবে। দুদকের তদন্ত মাধ্যমে শাহাদতের কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য বের করার দাবি করছে কর্মচারিরা।
তবে এবারের নয়া ওয়েলফেয়ার কমিটি শাহাদতের কার্বনকপি হওয়ায় তারা উচ্চবাচ্য করছে না। এই নয়া কমিটির কি-পয়েন্টে আওয়ামী দোসর-জামাতিরা বসে আছে। এই নয়া কমিটির বেবিচকের বিশাল সম্পত্তি থেকে মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটের পিছনে অথবা হজ ক্যাম্পের পূর্বপাশে নামকওয়াস্তে জায়গা বরাদ্দ নিয়ে মার্কেট বাণিজ্য করার পরিকল্পনা করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।
কেন্দ্রীয় ওয়েলফেয়ার কমিটি গঠনের দাবি ভেস্তে যাবার পর শাহজালালের ওয়েলফেয়ার কমিটি কর্মচারিদের কল্যাণের নামে নিজেদের কল্যাণে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। যদিও প্রতিটি ঈদপার্বণে ৪/৫ টি গরু জবাই করে সদস্যদের বাসায় বাসায় গোশত পৌছে দিয়ে থাকে।
আশিয়ান সিটির নজরুলের প্রটোকল করা আরিফ কি পার পেয়ে যাবে? ৩১ রাউন্ড গুলিসহ আশিয়ান সিটির কর্নধার নজরুল ইসলামকে প্রটোকল দেয়া বেবিচকের শাহজালালের নিরাপত্তকর্মী আরিফকে সদর দপ্তরে নিয়ে যাবার পর আবার তাকে শাহজালালে ফিরিয়ে আনার পায়তারা করা হচ্ছে বলে শোনা যায়। যার প্রটোকলে ৩১ রাউন্ড গুলিসহ ব্যবসায়ি বিমানে উঠে বীরদর্পে বিদেশ চলে যায়- তাকে আবার শাহজালালে ডিউটি দেয়া হলে শাহজালালের নিরাপত্তা ঢিলেঢালা হয়ে পড়বে না তো?