আশকোনা প্রধান সড়ক উন্নয়ন কাজ: বৈদ্যুতিক খুটি সরানোর ‘জব অর্ডার’ হলেও সরছে না: কমিউনিটি সেন্টার থেকে ডিলার বাড়ি পর্যন্ত কাজ থমকে আছে: সড়কের দু’পাশের অবৈধ স্থাপনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ছাড় দিচ্ছে দখলদারদের : জনতা বার বার আর্মিও হস্তক্ষেপ কামনা করলেও ডিএনসিসি নির্বিকার

স্টাফ রিপোর্টার : আশকোনা প্রধান সড়কের কমিউনিটি সেন্টার থেকে ডিলার বাড়ি পর্যন্ত সড়কের উন্নয়ন কাজ এখনও থমকে আছে। সড়কের দু’পাশের অবৈধ দখলদার এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সমঝোতায় অবৈধ দখলদাররা তাদের দখলকৃত স্থাপনা ভেংগে দিচ্ছে না, প্রভাব বিস্তার করছে। ফলে উন্নয়ন কাজ আপাতত বন্ধ অঅছে। অবৈধ স্থাপনা ভাংগার জন্য তাগাদা দিলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজনকে মারধর করছে বলে অভিযোগও ওঠেছে।

আশকোনা প্রধান সড়ক

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন অবৈধ দখলদাররা এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এখন একাকার হয়ে গেছে। নিম্ন মানের নির্মাণ সামগ্রি দিয়ে সড়ক উন্নয়ন কাজ করছে বলেও অভিযোগ। যা তদন্ত করলেই বের হবে।
সাবেক ব্যাংক কেরানি সবুরের ভাইয়ের বাউন্ডারি ওয়াল না ভেংগেই তার পাশ ঘেষে কোনরকমে ড্রেনেজ করছে। অনেক স্থানে ছাড় দিয়ে ড্রেনেজ করছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাইট ইনজিনিয়ার তা দেখেও না দেখার ভান করছে।
ডিএনসিসির অন্ঞল-০৭-এর নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম এবং উপসহকারি প্রকৌশলী ফাহিম এলাহি সড়ক পরিদর্শনে আসছেন না। ফলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কোনরকম জোরাতালি দিয়ে কাজ করছে, তাও আবার থমকে আছে।
অবৈধ দখলদার উচ্ছেদে আর্মিও হস্তক্ষেপ চাওয়া হচ্ছে না।
এ দিকে আশকোনা প্রধান এ সড়কের সরকারি প্রাইমারি স্কুলের অপজিটে দক্ষিণে প্রধান সড়ক ঘেষে দুটি বৈদ্যুতিক খুটি/পোল এখনও দৃশ্যমান। অকেজো ১টি খুটির সারানোর ‘জব অর্ডার’হলেও এখনও বাস্তবায়ন করছে না ডেসকোর তত্বাবধায়ক অফিস।
‘জব অর্ডার’ এখনও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী পারভেজসহ সংশ্লিষ্টদের বুঝিয়ে দেয়া হলেও ভেকো আসছে না অজুহাতে খুটি সরানো হচ্ছে না।
প্রকৌশলী মারফুুল সাদিক ২৪ সিরিয়াল ব্রেক করে জব অর্ডার দিলেও তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না।
ডেসকোর জব অর্ডার নম্বর: ডিকে রিসিভসড নং-৩৮২ সিরিয়াল নং-৪১০০৬/০৭/২০২৬
এ ব্যাপারে ডেসকোর বাস্তবায়নকারি অফিসের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী মারিফুল সাদিককে সেল ফোনে জানিয়ে হোয়াইটস আপে ম্যাসেস দেয়া হয়েছে। ওনি বাস্তবায়নের জন্য তাগাদা দিলেও খুটি সরছে না।
প্রকৌশী পারভেজ জানান, ১টি খুটি বসিয়ে আরেকটি সরানো হবে।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাইট ইনজিনিয়ার রাকিবুল হাসান জানান, আমাদেরকে এখনও জব অর্ডার বুঝিয়ে দেয়া হলেও আমরা কাজ করব না। এটা আমাদের কাজ না।
আর ডিএনসিসির উপসহকারি প্রকৌশলী ফাহিম এলাহি এবং নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম নাকি তাদের মেজারমেন্টে বৈদ্যুতিক খুটি ২টি প্রধান সড়কের বাইরে দেখতে পেয়েছে। কিন্ত এখনও দৃশ্যমান খুটি দুটি ড্রেনেজের মধ্যে পড়েছে এবং খাড়া আছে। সরেজমিন যে কেউ তদন্ত করলেই এর দৃশ্যমান সত্যতা পাবেন।
তা হলে ডিএনসিসির অন্ঞল-০৭-এর দুই প্রকৌশলী ঘটনাস্থলে না এসে অফিসে বসে বসে বা কারো মৌখিক বর্ণনায় বলতে পারলেন যে, খুটি দুটি প্রধান সড়কের উন্নয়ন কাজের বাইরে পড়েছে?
ডিএনসিসির প্রসাশকের পিএস হোয়াইটস আপ ম্যাসেসে মতামত ব্যক্ত করেছেন, শফিকুল ইসলাম খুটি সরাবে না , ডিপিডিসি/ডেসকো খুটি সরাবে।