আশকোনা সরকারি প্রাইমারি স্কুলের অপজিটে প্রধান সড়কের দক্ষিণ পাশে শাখা সড়কটি প্রভাবশালীদের দখলে বেহালদশা : বৈদ্যুতিক পোলে টিউব লাইট থাকলেও জ¦লে না, অন্ধকারে ভুতুরে অবস্থা: ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষসহ সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগি এলাকাবাসিরা

স্টাফ রিপোর্টার: হজ¦ ক্যাম্প থেকে রূপালি গার্ডেন পর্যন্ত আশকোনা প্রধান সড়কের উন্নয়ন ও ড্রেনেজ কাজ কমিউনিটি সেন্টার থেকে ডিলারবাড়ির পশ্চিম পর্যন্ত অবশেষে প্রভাবশালীদের বাধা উৎড়ে গেছে, কিন্ত এখনও আশকোনা সরকারি প্রাইমারি স্কুলের পশ্চিম-দক্ষিণ পাশে প্রভাবশালী এক মহিলা সড়কের অংশ দখল করে বাউন্ডারিওয়াল করে সড়ক দখল করে রেখেছে, তার বাধায় উন্নয়ন কাজ বন্ধ রয়েছে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের জনবল কাজ করতে পারছে না।
প্রধান সড়কের দক্ষিণ পাশের শাখা সড়কটি আওয়ামী দোসররা বাসাবাড়ি, মার্কেট, দোকানপাট গড়ে তুলেছে, ইতিপূর্বে সাবেক ইউপি প্রশাসন বার বার অবৈধ স্থাপনা ভেংগে ফেলার জন্য নোটিশ করার পরও তারা তা ভেংগে দেয়নি। হুমকি দিয়েছে সড়কের উন্নয়ন কাজ করতে দেবে না।
এ শাখা সড়কে বৈদ্যুতিক পোলে টিউব লাইট থাকলেও তা বছরের পর বছর ধরে জ¦লে না। ফলে রাতের বেলা ভুতুড়ে অবস্থা বিরাজ করে।
সাবেক দক্ষিণখান ইউপি চেয়ারম্যান এ সড়কটি প্রশস্তকরণে উদ্যোগ নিলেও বাধার কারণে তা আর করা হয়নি।এখন তো সিটি কর্পোরেশন। ডিএনসিসি এ শাখা সড়কটির উন্নয়নে কমভুকর্ণ।
শাখা সড়কটির উন্নয়ন কাজে হাত দিচ্ছে না। দখল করতে করতে ১৬ ফিট এ সড়কটি বর্তমানে ৬ ফিটে এসে ঠেছে। ফলে এ শাখা সড়কে দুটি রিকশা সাইট দিয়ে চলতে পারে না। প্রাইভেট কার প্রবেশ তো সুদূর পরাহত।
শাখা এ সড়কটিতে রাতের বেলা ভুতুড়ে অবস্থা, ডিএনসিসির বৈদূতিক বাতি সংযোগ থাকলেও তা বছরের পর বছর ধরে অকেজো, বাতি জ¦লে না, ডিএনসিসি মেরামতও করে না। রাত ১/২ টা পর্যন্ত এ সড়কে দোকনে মাদকের কারবার চলে। উৎকট গন্ধে পাশের ভবনের বাসিন্দাদের বসবাসই যেন কস্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। এ শাখা সড়কে ময়লার বাগাড়ে ডিএনসিসির মশক নিধন ওষুধ নিয়মিত ছিটানো হয় না। ফলে ভয়াবহ ডেংগু/ চিকনগুনিয়ার প্রার্দুভাব দেখা দিচ্ছে।
শাখা সড়কের পাশেই আশকোনা কেন্দ্রীয় বড় মসজিদের সাথেই একটি অবৈধ বরফকল গড়ে তোলা হয়েছে। এর বিকট শব্দে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে, মসজিদের মুসুল্লিদের নামজে বিঘœ ঘটছে, পাশের ভবনের বসতিদের রাতের আরামের ঘুম হারাম হয়ে যাচ্ছে।
পাশের বসতি জনৈক মাস্টার এর প্রতিবাদ করলে তাকে নাকি মারধর করা হয়েছে।
এর ফলে এলাকাবাসিরা এ শাখা সড়কটির উন্নয়ন কাজসহ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, অবৈধ বরফকল ভেংগে ঘুরিয়ে দিতে ডিএনসিসি, সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সেনা বাহিনীর হস্তক্ষেপে যেন শাখা সড়কের দ’ুপাশের সব অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দিয়ে জনস্বার্থে সড়কটির উন্নয়ন ও ড্রেনেজ কাজ অতি দ্রুত করা হয়। তা না হলে জনভোগান্তি চরমে পৌছুবে।
আশকোনা প্রায় প্রতিটি শাখা সড়কের উন্নয়ন হয়েছে, কিন্ত আশকোনা সরকারি প্রাইমারি স্কুলের অপজিটে দক্ষিণ পাশের শাখা সড়কটি দখলের পর দখলে কর্তৃপক্ষ উন্নয়নে হাত না দেয়ায় এ শাখা সড়কে চলাচলই যেন এখন দায়, সামান্য বৃষ্টি এলেই এ শাখা সড়কে পানি জমে থাকে।
এ শাখা সড়কির উন্নয়নে যথাযথ কর্তৃপক্ষ পদক্ষেপ নিবেন বলে এলাকাবাসিরা আশা করছেন।
উল্লেখ্য, এ নিয়ে ‘একুশে বার্তা’র অনলাইন সংস্করণে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। যথাযথ কর্তৃৃপক্ষকে প্রেসক্লিপ দেয়া হয়েছে, কিন্ত এখনও পর্যন্ত কোন কর্তৃপক্ষই হস্তক্ষেপ করছে না।