অবশেষে ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার : নারীর বিরুদ্ধে অবমাননাকর উক্তির প্রতিবাদে দায়ের মানহানি মামলায় অবশেষে গ্রেফতার হয়েছেন ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন। সোমবার রাত পৌনে দশটার দিকে উত্তরায় জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রবের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রাতেই তাকে ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়। ব্যারিস্টার মইনুল সেনাসমর্থিত তত্ত¡াবধায়ক সরকারের একজন উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। নিউ নেশন পত্রিকার সম্পাদকমÐলীর সভাপতি ও প্রকাশকের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। পুলিশের এক উর্ধতন কর্মকর্তা বলেন, সন্ধ্যার পর থেকে পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ রবের বাসা ঘিরে রাখে। ভেতরে মইনুল হোসেন অবস্থান করছিলেন। তাকে পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেফতারের বিষয়টি জানিয়ে মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠানো হয়। কিছুক্ষণ পর ব্যারিস্টার মইনুল ওই বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সন্ধ্যার পর মইনুল হোসেন রব সাহেবের বাসায় যান। আ স ম রব তখন বাসায় ছিলেন না। ১৫ মিনিট পর জেএসডি সভাপতি বাসায় আসেন। কিছুক্ষণ পরই পুলিশ পুরো বাসা ঘিরে ফেলে। তারা বলেন, মইনুল স্যারের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট আছে? পরে তাকে গ্রেফতার করে গাড়িতে করে ডিবি অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।

সম্প্রতি এক টেলিভিশন আলোচনা অনুষ্ঠানে সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে ‘চরিত্রহীন’ বলার পর থেকে সমালোচনার মুখে রয়েছেন মইনুল। এক পর্যায়ে তিনি টেলিফোন করে ক্ষমা চাইলেও মাসুদা ভাট্টি তাকে ক্ষমা চাওয়ার আহŸান জানান। ব্যারিস্টার মইনুল তা না করায় তার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন মাসুদা ভাট্টি। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানেও মানহানির অভিযোগে আরও একাধিক মামলা দায়ের করার কথা হয়। এসব মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর মইনুল কয়েকটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিলেও রংপুরেরটিতে জামিন ছিল না বলে পুলিশ কর্মকর্তারা জানান। রংপুরে দায়ের করা মানহানি মামলায় তার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। সেই গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতেই উত্তরায় আ স ম আব্দুর রবের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম।