প্রতিক্রিয়ার সাংবাদিক মাসুদা ভাট্রি : মঈনুলের ওপর আমার ব্যক্তিগত কোনো ক্ষোভ নেই

একুশে বার্তা প্রতিবেদন : ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের ওপর ব্যক্তিগত কোনো রাগ বা ক্ষোভ নেই বলে জানিয়েছেন সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টি। ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে গ্রেফতারের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি একথা জানান।

মাসুদা ভাট্টি বলেন, ‘আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমার চাওয়া প্রচলিত আইনে তার বিচার হোক। সত্য প্রকাশ পাক। তার ওপর আমার ব্যক্তিগত কোনো রাগ বা ক্ষোভ নেই।’

সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে মানহানির রংপুরের দায়ের করা মানহানির মামলায় সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।

ব্যারিস্টার মঈনুলকে গোয়েন্দা কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ : ডিবির যুগ্ম-কমিশনার মাহবুব আলম যুগান্তরকে জানান, আটকের পরপরই ব্যারিস্টার মইনুলকে গোয়েন্দা কার্যালয়ে আনা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হচ্ছে।

অভিযানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজন পুলিশ কর্মকর্তা  জানান, ব্যারিস্টার মইনুলকে যখন গাড়িতে তুলে নেয়া হয় তখন তিনি জানতে চান, তাকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হবে? জবাবে একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, ‘আপনাকে মিন্টো রোডে নেয়া হবে।’ গাড়িতে ওঠার পরই ব্যারিস্টার মইনুল বাসায় ফোন করে তাকে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জানান।

আইনজীবীকে দেখা করতে দেয়নি ডিবি পুলিশ : জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে গ্রেফতার করে ডিবি কার্যালয়ে নেয়ার খবরে অন্যদের মধ্যে ছুটে আসেন সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। তিনি সম্পর্কে ব্যারিস্টার মইনুলের মামা। মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ের সামনে এলেও অনুমতি না পাওয়ায় ভাগ্নের দেখা পাননি তিনি।

রাত পৌনে ১১টার দিকে তিনি মিন্টো রোডে অবস্থিত ডিবি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন।

ফিরে যাওয়ার সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মইনুলকে কোন মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে সংবিধান অনুযায়ী তার আইনজীবীর জানার অধিকার আছে। কিন্তু আমরা যখন তার গ্রেফতারের সংবাদ পেয়ে দেখা করতে এলাম তখন আমাদের ডিবি কার্যালয়ে ঢুকতে দেয়া হয়নি। ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গেও কথা বলতে দেয়া হয়নি।

তিনি বলেন, শুনেছি তাকে মানহানির মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। গত দু’দিনে তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা হয়েছে। ঠিক কোন মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হল তা জানতেই এসেছিলাম। আমি ডিবি অফিসের গেটে থাকা অফিসারকে অনুরোধ করি ভেতরে ঢুকতে দেয়ার জন্য। কিন্তু সেখানকার কর্মকর্তারা উচ্চপর্যায়ে কথাবার্তা বলার পরামর্শ দেন।