ইএম-২ এক্সইএনকে বদলি নিয়ে তত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর সাথে হটটক : দুই দুই বার যোগদান করতে এসেও ফিরে গেলেন এক্সইএন শফিক ইসলাম : ৭ নভেম্বর সময়সীমা বেধে দিলেন প্রধান প্রকৌশলী : দেড় কোটি টাকার ওপরে তানভীর ট্রেডার্সকে একক কার্যাদেশ দেয়ায় তদন্ত করছে মন্ত্রণালয়

বিশেষ সংবাদদাতা : সিভিল এভিয়েশনের ঠিকাদারি বিভাগের ইএম-২-এর এক্সইএন আল মামুনের বদলিকে কেন্দ্র করে তত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর সাথে গত বুধবার তার অফিসকক্ষে হটটক হয়েছে বলে জানা যায়।
এ দিকে বদলিকৃত স্থানে দুই দুই বার যোগদান করতে এসেও ব্যর্থ হয়ে ফিরে গেলেন আরেক এক্সইএন শফিকুল ইসলাম রানা।
এ সব বিষয়কে কেন্দ্র করে ডেটলাইন অর্থাৎ সময়সীমা বেধে দিলেন প্রধান প্রকৌশলী, ১ মাস সময়ের মধ্যে অর্থাৎ আগামি ৭ নভেম্বর আল মামুনকে চলে যাবার নির্দেশ প্রদান করলেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ১ মাসের মধ্যে ইএম-২-এর ওয়ার্কপ্লানে যে সব উন্নয়ন ও মেইনটেইন এবং সাপ্লাই ঠিকাদারি কাজ আছে অর্থাৎ কয়েক কোটি টাকার কাজের এস্টিমেট বিতরণ করে যাবেন এক্সইএন আল-মামুন। এতে করে তিনি লাভবানও হবেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
এ দিকে ২০১৯-২০ এবং ২০-২১ অর্থবছরে ইএম-২ বিভাগের এক্সইএন কর্তৃক তানভীর ট্রেডার্স নামে এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দেড় কোটি টাকার ওপরে একক কার্যাদেশ দেয়ার বিষয়টি মন্ত্রণালয় তদন্ত করছে বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
কতিপয় ঠিকাদার জানান, এক্সইএন মামুন প্রধান প্রকৌশলীকেও থোরাইকেয়ার করেন। অফিসিয়াল অর্ডার মানতে নারাজ। গত অর্থবছরে প্রধান প্রকৌশলী রিলেটেড দুটি ঠিকদারি কাজ এক্সইএনের পছন্দমত আরেকজন দিয়ে দেন বলে ঠিকাদাররা জানান।
ঠিকাদারা আরো জানান, এক্সইএন মামুন যখন সহকারি প্রকৌশলী হিসেবে সিএএবিতে ৃেযাগদান করেন তখন ছিলেন চুনোপুটি, এরপর সময়ের ব্যবধানে তিনি এখন বহু বিত্তবৈভবের মালিক বনে গেছেন।
তিনি বুয়েট স্টুডেন্ট, শফিকও বুয়েট স্টুডেন্ট, দুজনে ব্যাচমেট ,কিন্ত চাকরির ক্ষেত্রে কেউ কাউকে ছাড় দিতে রাজি না।দুজনই সমান্তরাল চলছেন, দুজনই ‘এক্সইএন’। এর পর কে আগে তত্বাবধায়ক হবেন- যে প্রতিযোগিতা সামনে আসছে। তবে মামুন ঠান্ডা মাথার লোক আর শফিক শিল্পী মানুষ, গানটান গান, তার নিক নেইম রানা অনেকের অজানা।