বেবিচক : সরকারি বাউন্ডারিওয়াল ভেংগে বিশালকার দুটি গেট নির্মাণ, জমি দখলের পায়তারা, নাটেরগুরু সম্পত্তি কর্মকর্তা, সুব্রত, ড্রাফটসম্যান কবীর, বেবিচক ‘কম্ভুকর্ণ’

স্টাফ রিপোর্টার : অবিশ্বাস্য  হলেও সত্য যে, প্রকাশ্য দিবালোকে সরকারি বাউন্ডারি ওয়াল দুই জায়গায় ভেংগে বিশালাকার দুটি গেট নির্মাণ করা হয়েছে। এর নেপথ্যে নাটেরগুরু ছ বেবিচকের সম্পত্তি বিভাগের সম্পত্তি কর্মকর্তা সুব্রত এবং ড্রাফটসম্যান কবীর। মোটা অংকের টাকা লেনদেনের মাধ্যামে এ অনৈতিক কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সরকারি এ বাউন্ডারিওয়ালের অবস্থান কাওলার স্টাফ কোয়ার্টারের একদম পূর্ব পাশে আশিয়ান সিটি ও কমিশনার অফিসের অতিনিকটে। একটি দৃর্বত্তচক্র এ সরকারি বাউন্ডারিওয়াল ভেংগে দুটি গেট নির্মাণ করে বেবিচকের পুকুরের প্রায় ২ বিঘা জমি দখলের পায়তারা করছে। এর সাথে বেবিচকের সম্পত্তির বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তার যোগসাজশ রয়েছে বলে জানা যায়।
সম্পত্তি অফিসার সুব্রত দীর্ঘদিন ধরে সম্পত্তি বিভাগে কর্মরত থাকার সুবাধে বেবিচকের বিভিন্ন জায়গায় সম্পত্তি বেবিচকের হাতছাড়া হয়েছে বলে জানা যায়। বিভিন্ন বিমানবন্দরের জায়গা-সম্পত্তি দোকানপাট ইজারা বরাদ্দ নিয়েও নান অনিয়ম-দুর্নীতির কথা বিভিন্ন সময়ে চাউড় হয়েছে। তবুও সুব্রতকে সম্পত্তি বিভাগে ‘জিইয়ে’ রাখা হয়েছে। এসব অভিযোগে সম্পত্তি বিভাগের একজন উপপরিচালককে গত বছর চট্রগ্রাম বিমানবন্দরে বদলি করা হলেও সুব্রত কার খুটির জোরে এখনও সম্পত্তি বিভাগে বহাল?
বেবিচকের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের এক কর্মকর্ত জানান, এ ভাবে বেবিচকের সম্পত্তি কের পর এক দখল হয়ে যাচ্ছে, অথচ লিজের নামে আরো পাশে জায়গা-জমি বাড়িয়ে দখল করা হচ্ছে আরো জায়গা। হোটেল ওয়ান্ডার-ই এর পাশে আরো ১ বিঘা সম্পত্তি দখল করা হয়েিেছল, যদিও ওয়ান্ডার-ইনের জায়গা বেবিচকের দখলে এসেছে। কিন্ত রতনের দখল করা জায়গা এখনও উদ্ধার করতে পারেনি বেবিচক। হজ ক্যাম্পের সামনে মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটকে ঘিওে আরো প্রায় ১ বিঘা সম্পত্তি বেবিচকের বেদখল হয়ে গেছে। এখানে বিভিন্ন সংগঠনের নামে দোকানপাট কাচাবাজার, মাছ বাজার গড়ে তুলে কোটি কোটি টাকার চাদাবাজি করা হচ্ছে। এ ছাদার ভাগ নাকি বেবিচকের সম্পত্তি বিভাগও পেয়ে থাকে, এর নেতৃত্বে সেই সুব্রত।
যদিও মুছার মনোলোভা কাবাব রেস্টুরেন্ট গুড়িয়ে দিয়েছে বেবিচক সেখানে বেবিচক বাউন্ডারিওয়াল নির্মাণ করেছে। পাশে ঈশর্^াল কলোনীতে অনেক জায়গা বেদখল হয়ে গেছে। ইতিপূর্বে এক ঠিকাদার এই জায়গায় ছাপড়া ঘরে তুলে ভাড়া দিতো। গত পরশু ওই ঠিকাদার দলীয়ভাবে লান্ঞিত হয়েছে।
এভাবে যেন বেবিচকের জমি দখলের একটা হিড়িক পড়ে গেছে। বিশাল জায়গা সম্পত্তির মালিক বেবিচকের এভাবে অনেক জায়গা হাতছাড়া হবার পরও তা আর দখলে আনা সম্ভব হচ্ছে না, কোনটা কোনটা নিয়ে আহনি লড়াই চলছে।
এ ব্যাপারে জানতে সুব্রত ও কবীরের সাথে যোগাযোগ করেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।