বেবিচক : সরকারি বাউন্ডারিওয়াল ভেংগে ৪০/১৫ ফিট গেট নির্মাণ: বেবিচক এখনও ‘কম্ভুকর্ণ’ : নির্বাহী প্রকৌশলী বললেন, বার বার মেরামতে সরকারি অর্থ অপচয় হচ্ছে

স্টাফ রিপোর্টার : বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ- বেবিচকের কাওলার স্টাফ কোয়ার্টারের পূর্ব পাশে সরকারি বাউন্ডারিওয়াল দুই জায়গায় ভেংগে দুটি গেট নির্মাণ করা হলেও বেবিচক নির্বিকার, এখনও ‘কম্ভুকর্ণ’। ৪০ ফুট এবং ১৫ ফুট দুটি গেট নির্মাণ করে রঙচঙ করা হলেও বেবিচকের তা চোখে পড়ছে না। বিশালকার গেট দুটি এখনও দৃশ্যমান। অথচ বেচিক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তা দেখেও না দেখার ভান করছেন, কয়েক লাখ টাকার খেলা চলছ্।ে সম্পত্তি বিভাগের এক সুব্রত -ই নাকি হাতিয়ে নিয়েছেন কয়েক লক্ষ টাকা। তার সাথে জড়িত ড্রাফটসম্যান কবীরের নামও শোনা যায়।
এ ব্যাপারে নিবার্হী প্রকৌশলী সিডি-২ নাসিম আল ইসলাম ‘একুশে বার্তা’কে জানান, আমরা বার বার ভাংগা গেট সংস্কার করছি, এতে বেবিচকের অর্থ খরচ হচ্ছে, সরকারি অর্থ অপচয় হচ্ছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং এলাকাবাসিরা জানান, এখনও ভাংগা গেট দৃশ্যমান। ৪০ ফিট এবং ১৫ ফিট গেট দুটি নির্মাণ করে রঙচঙ করা হয়েছে-যা পথচারিসহ সবার নজড় কাড়ছে।
কারা এ গেট নির্মাণ করলো ? একটি ডেভেলপার কোম্পানি রাজউজ থেকে ১৬ তলা ভবন নির্মাণে অনুমোদনে সরকারি বাউন্ডারিওয়াল ভেংগে নিজেদের সম্পতি ও রাস্তা দেখিয়ে এ বাউন্ডারিওয়াল ভেংগে ফেলেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। এচক্রের সাথে বেবিচকের কতিপয় অসাধু কর্মকতা জড়িত বলে জানা যায়।
এখন মামলা করেনি বেবিচক : অবৈধভাবে নিজেদের সরকারি বাউন্ডারিওয়াল ভেংগে জায়গা দখলের পায়তারা করলেও দুবৃত্তচকের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় কোন কোন জিডি / মামলা করেনি বেবিচক। ফলে সরকারি সম্পত্তি হাতছাড়া হবার সমূহ সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ মানছে না চাদাবাজচক্র : আশকোনা হজ¦ ক্যাম্পের অপজিটে মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটের আশপাশে, রাস্তার দুধারে শত শত হকার দোকান বসিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতা সাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে চাদাবাজি এখনও চলছে বলে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জানান। ৪ ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত হকারি দোকনপাট ভেংড়ে গুড়িয়ে দিলেও আবার তা বসিয়ে চাদাবাজি চলছ্ ে, এই টাকে ঘিরে দৈনিক অর্ধকোটি টাকার চাদাবাজি হয়ে থাকে বলে জানা যায়। স্থানীয় এমপির নজরের বিষয়টি এখনও দেয়া হয়নি বলে জানা যায়। প্রশাসনের নাকের ডগায় এ চাদাবাজি চললেও প্রশাসন নীবর। পাশে একটি সেনা ক্যাম্পও রয়েছে, এদের যাতায়াতে শত শত হকারি দোকান নজড় কাড়ছে না কেন তা বোধগম্য নয়। আর এই ভিভিআইপি এলাকায় কিভাবে শত শত দোকপাট বসিয়ে হকারি করছে তাও প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে। তবে কি সর্ষে ভুত!