বিশেষ সংবাদদাতা : ঢাকা কাস্টমস হাউজের কুরিয়ার শুল্কায়নে ১৮ সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। হাউজের অতিরিক্ত কমিশনারের আদেশে এ আদেশ অর্ডার বলবত করা হয়েছে। একজন সাধারণ ব্যবসায়ী এ তথ্য ফোন করে জানান। নিষিদ্ধ’র তালিকায় টংগির বাশার, ভাগিনা মোখলেস, মামা রাইদুলসহ অনেকের নাম রয়েছে বলে তিনি জানান। তবে নব্য নেতার নাম নাই। এসটি ক্লোজ : কুরিয়ারে কর্মরত এসটি নূরুল আমিনকে হাউজে ক্লোজ করা হয়েছে। জাহিদ নামের এক ব্যবসায়ীর থেকে অর্ধ লক্ষ টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগে এসটিকে হাউজে ক্লোজ করা। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে।
এ দিকে এবার কুরিয়ার শুল্কায়নের দায়িত্বে অতিরিক্ত কমিশনার মো. মাহবুবুর রহমান। এসি থাকবেন নামকাওয়াস্তে, অতিরিক্ত কমিশনার কুরিয়ার নিয়ন্ত্রণ করবেন। ইতিমধ্যেই কুরিয়ার থেকে পাচারকৃত পণ্য এডিসি অভিযান চালিয়ে আটক করেছেন। কিন্ত সেই পিচ্ছি আলামিন এখনও ধরাছোয়ার বাইরে। তাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয়নি।
এ দিকে কুরিয়ারের কর্মরত সহকারি কমিশনার (এসি) অসাধু ব্যবসায়ী দ্বারা পরিবেস্টিত হয়ে পড়েছেন। যে ১৮ জনকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে তাদের দ্বারা এসি পরিবেস্টিত বলে জনশ্রুতি রয়েছে। মামা, টংগির বাশার, ডিপিএস নাজির , নব্য নেতার এসির রুমে অবাধ প্রবেশ, নব্য নেতা তিনি নাকি ডিএইচএল খাচা লিজ নিয়েছেন। অবশ্য প্রচারে আছে কুরিয়ারের এসি ননটেকার। কিন্ত বাস্তবতা ভিন্ন, যে লাউ সেই কদুতেই পরিণত হলো, তাহলে এসি দীনাকে সরিয়ে কি লাভ হলো-এ প্রশ্ন সংশ্লিষ্টদের।
কুরিয়ারে নাজিরের রামরাজত্ব : ডিপিএক্স খাচার চাকরিজীবী হিসেবে এক সময় নাজির কুরিয়ারে প্রবেশ করলেও তিনি এখন নিজেই একটি নতুন খাচার মালিক্। এই নতুন খাচা প্রতিষ্ঠা করার অনুমতি দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষ। পাশাপাশি এই খাচাওয়ালা নাজির নিজেই সিএন্ডএফগিরিও করছেন বলে ব্যবসায়ীরা জানান। নাজিরের মতো অনেক খাচার মালিকই সিএন্ডএফগিরি করছেন। যা কাস্টমস আইনের পরিপন্থী। অথচ কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এসব অনিয়ম দেখেও না দেখার ভান করছে। এক সময় এই কুরিয়ারে ৬শ’ বিল অব এন্ট্রি জালিয়াতির অভিযোগে হালিম নামের এক রাজস্ব অফিসারকে সাসপেন্ড করা হয়। কিন্ত এর নেপথ্য নায়করা এখনও বহাল।
তবুও কুরিয়ারে শৃংখলা : এই কুরিয়ারন শুল্কায়ন গেট দিয়ে ৬ কাস্টমস কর্মকর্তাকে শ্যামলের নেতৃত্বে ফিল্মিস্টাইলে মারধর ৩০ কোটি টাকার পণ্য ছিনিয়ে ঘটনাও ঘটে, সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা হয় বাদি হয় ‘ রাজস্ব অফিসার শাজাহান। কিন্ত সে মামলাও ভেস্তে যাবার পথে। এখনও ওই ১৮ জন কুরিয়ারে রামাজত্ব করছেন-যাদেরেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একদিনে প্রায় হাজার বিল অব এন্ট্রিতে কিভাবে পণ্য খালাস দেয়া হয়- এ বিষয়গুলো তদন্তের আওতায় আনা হয়নি। পর পর কোটি কোটি টাকার পণ্য পাচার ঘটনায় এসি দীনাসহ সব কাস্টমস কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি করা হলেও আবার রামরাজত্ব। তবুও কিছুটা শৃংখলা তো এসেছে, এডিসি দায়িত্ব নেয়ার পর শতভাগ শৃংখলা আসবে বলে অনেকে মনে করেন।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
