শাহজালালে অনুপ্রবেশ: লুজ নোটেই সীমাবদ্ধ: গঠিত হয়নি তদন্ত কমিটি, শাস্তি হয়নি কারো! উপদেষ্টার এ্যারাইভ্যাল গেট খুলতে ১ মিনিট দেরী, নুসরাত সাসপেন্ড, তদন্ত রিপোর্টে উপদেষ্টার নাম কোট: বিমানের ৩ কর্মকর্তাকে ডেকে জিঙ্ঘাসাবাদ, জাকির আউট

স্টাফ রিপোর্টার : দেশের ৮ বিমানবন্দরে রেড এলার্ট জারি অবস্থায় শাহজালাল বিমানবন্দরে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার মধ্যেও এক যুবকের বীরদর্পে অনুপ্রবেশ ঘটনার বিষয়টি চেপে গেছে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ। শুধু লুজ নোটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকে গেল এ চান্ঞল্যকর ঘটনাটি। এ ঘটনায় কাউকে সাসপেন্ড করা হয়নি, কাউকে পোস্ট আউট করা হয়নি, হয়নি তদন্ত কমিটি। ফলে অংকুরেই অনুপবেশের ঘটনাটি মাঠে মারা গেছে।
এ দিকে গত কয়েকদিন আগে সরকারের এক উপদেষ্টার এ্যারাইভ্যাল –-এ গেট খুলতে ১ মিনিট দেরী হওয়ায় নুসরাত নামের এক বেবিচক কর্মকর্তাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে, গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টে সরকারের ওই উপদেষ্টার নাম উঠে এসেছে। এতে নাকি উপদেষ্টা বিবৃতবোধ করছেন।
অতি উৎসাহিত হয়ে শাহজালালের ইডি চেয়ারম্যানের নির্দেশে এসব নাকি করেছেন।
এ দিকে শাহজালালের কার্গো আমদানি শাখায় ‘শালা-দুলাভাই সিন্ডিকেড সক্রিয়’-ঘটনায় বিমানের নিরাপত্তা বিভাগের ৩ কর্মকর্তাকে ডেকে জিঙ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জুনিয়র সিকিউরিটি অফিসার জাকিরকে তার পোস্ট থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে, ডিউটি রোস্টারের জন্য অন্য এক কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। জিএম সিকিউরিটি তার দপ্তরে এদের ডেকে পাঠান।
এ দিকে বেবিচকের চলতি দায়িত্বের উপপরিচালক-ডিডি ওয়াহিদুজ্জামান তার শেষ পদোন্নতি না পেয়েই পরপারে চলে গেলেন।
এখন পদোন্নতির অপেক্ষায় থাকলো চলতি দায়িত্বের উপপরিচালক – ডিডি আনোয়ার হোসেন। পলিনের পদোন্নতি করিয়ে নিতে পারলেও এরা পারঘাটাতে পড়ে রইলেন।
ফারজানার ‘ডি’ টাইপ কোয়ার্টার বাতিল করা হয়নি: একজন কর্মচারি হওয়া সত্বেও ডিভিশন-৩-এ হিসাব শাখায় কর্মরত ফারজানার নামে কাওলার স্টাফ কোয়ার্টারে অফিসারদের জন্য তৈরিকৃত ‘ডি’ টাইপ বাসা বরাদ্ধ এখনও বাতিল করা হয়নি। ফারজানা এক পোস্টিংয়ে প্রায় ১ যুগ কর্মরত থাকলেও তাকে ঢাকার বাইরে বদলি করা হয়না। তার স্বামীরও ঢাকায় পোস্টিং। ফলে স্বামী-স্ত্রী ঢাকায় পোস্টিং থাকায় তাদের পোয়াবারো। ফরজানা রূপের দেমাগে বাকবাকুম। ইউএনও থাকা অবস্থায় অনেক কর্মকর্তা তার রূপে কাতর। এক কর্মকর্তা সর্বশেষ ফারজানাকে বেবিচকে আবিষ্কার করেন। বনে যান তার শ্যালিকা। শ্যালিকাকে বেবিচকের এক কর্মচারির সাথে বিয়ে দেন, কোয়ার্টার বরাদ্দ দেন অফিসারদেও ন্যায়। অবশ্য তিনি এখন বেবিচকে নেই। বেবিচকে থাকাবস্থায় ওই কর্মকর্তা বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান পরিদর্শনের নামে দেশের বিভিন্ন এলাকা চষে বেড়ান, সাথে অন্যদের সাথে ফারজানাকেও সংগে করে নেন , এ ব্যাপারে বেবিচক থেকে ভ্রমণজনিত খরচ বাজেটও পাস করিয়ে নেন। বেবিচকে বিষয়টি চাউড় হয়ে পড়ে।