নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ঐক্যফ্রন্টের

ডেক্স রিপোর্ট :  ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে তিনটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এগুলো হলো, একটি জাতীয় সংলাপ, নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে নির্বাচনের অনিয়ম তুলে ধরে মামলা এবং দেশব্যাপী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সফর।’

নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে যাওয়াসহ তিন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। ৮ জানুয়ারি  মঙ্গলবার  সন্ধ্যা পৌনে ছয়টায় ড. কামাল হোসেনের বেইলি রোডের বাসায় স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনটি  কর্মসূচির কথা জানান ফ্রন্ট প্রধান কামাল হোসেন ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে তিনটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এগুলো হলো, একটি জাতীয় সংলাপ, নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে নির্বাচনের অনিয়ম তুলে ধরে মামলা এবং দেশব্যাপী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সফর।’

ফখরুল বলেন, দু-এক দিনের মধ্যে সিলেটের বালাগঞ্জে নিহত ঐক্যফ্রন্টের নেতার বাড়িতে যাবে ফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা।

তিনি বলেন, একাদশ সংসদ নির্বাচনে মানুষের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।

ফখরুল বলেন, ইসি ভোটারদের সঙ্গে প্রতারণা করে প্রহসনের নির্বাচন করেছে। যেই নির্বাচনে ভোট ডাকাতি হয়েছে, কেন্দ্র দখল হয়েছে, আগেই ব্যালট পেপারে সিল মারা হয়েছে।

তিনি বলেন, সেনাবাহিনীকে নিস্ক্রিয় করে একাদশ নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছে সরকার। এই নির্বাচন গোটা জাতি প্রত্যাখ্যান করেছে। আমরা পুননির্বাচন দাবি করছি।

তবে গণতান্ত্রিক উপায়ে আইনি লড়াই, প্রতিবাদ ও সভা-সমাবেশ করার মাধ্যমেই দাবি আদায়ের পক্ষে ঐক্যফ্রন্ট।

বৈঠকে ড. কামাল হোসেন ছাড়াও ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী ও ফ্রন্টের অন্যতম নেতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ।

গেল ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মাত্র ৭টি আসন পায়। এর মধ্যে বিএনপি পায় ৫টি আর গণফোরাম পায় ২টি আসন। নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি ও জালিয়াতি হয়েছে অভিযোগ তুলে ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে বিরোধী জোট ঐক্যফ্রন্ট।