বিশেষ সংবাদদাতা : সদ্য ডিডি প্রশাসন থেকে পরিচালক পদে পদোন্নতি পাওয়া মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম কি পরিচালক (প্রশাসন) নাকি পরিচালক (মানব সম্পদ উন্নয়ন ও সাধারণ প্রশিক্ষণ)- এ প্রশ্ন সিভিল এভিয়েশনের কর্মকর্তা- কর্মচারিদের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। প্রশাসনের কি পয়েন্ট এডি থেকে ডিডি- এতোগুলো বছর প্রশাসনে বসে বসে আতিক- জাহিদ- এসকে ( শাজাহান কবীর)-হামিদ-জৃিহর-অজিবর সিন্ডিকেড গড়ে তুলে বিভিন্ন বাণিজ্য থেকে ঘুপচি বাণিজ্যসহ এমটি পরিবহন পুলের গাড়ির জ¦ালানি ও বিভিন্ন কেনাকাটায় অনিয়ম করে সিন্ডিকেড সদস্যদের সদর দপ্তরের বিভিন্ন শাখায় জিইয়ে রেখেছেন এবং তার বিরুদ্ধে গোয়েন্দা রিপোর্ট আমলে না নিয়ে-যা নিয়ে একটি জাতীয় দৈনিকে বিশদ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়- এরপরও তাকে ডিডি থেকে পরিচালক পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে।
খোজখবর নিয়েৃ এবং সিএএবির কর্মকর্ত-কর্মচারিদের সূত্রে জানা যায়, সদ্য পদোন্নতি পাওয়া পরিচালক মানব সম্পদ নূরুল ইসলাম এখনও ঘাপটি মেরে প্রশাসনিক সব ফাইলে সই করছেন। একই ফাইলে আবার মন্ত্রণালয় থেকে আগত একজন উপসচিব যিনি পরিচালক প্রশাসন সই করছেন। তাহলে একই ফাইলে কি দ্বৈত সই হচ্ছে?
তার সিন্ডিকেড বণিজ্যের সদস্যরা –যারা তার ডান-বামহাত বলে খ্যাত সেই সদর দপ্তরের স্টোরকিপার আতিক , জাহিদ হোসেন, শাজাহান কবীর( এসকে), ভাগিনা হাকিম, বাগান পরিচর্চার হামিদ, এমটির আজগর, সোনা জহির তার ছত্রচ্ছায় দীর্ঘদিন যাবত সদর দপ্তরে বহাল, তাদের কোন বদলি নেই, তারা যেন সদর দপ্তরে জুড়ে বসেছেন। এদের মধ্যে এলডিএ জাহিদ হোসেনকে একবার শাহজালালে বদলি করা হলেও পরিচালক নূরুল ইসলাম তাকে প্রভাব খাটিয়ে বদলি বাতিল করে দেন। তার পর থেকে জাহিদ হোসেন সদর দপ্তরেই বহাল, মাঝখানে কিছুদিন পরিচালকের প্রশাসন-এর পিএগিরি করেছেন। পিএ হাফিজও তার সিন্ডিকেড সদস্য- যিনি প্রকাশ্যে বলে বেড়ান ‘ফাইল রেডি টাকা নিয়ে আসেন’, তার বিরুদ্ধে সংস্থার চেয়ারম্যান বরাবর অভিযোগ করার পরও তা আমলে নেয়া হয় না।
সদর দপ্তরের স্টোরে ‘স্টোরকিপার’ পদে চাকরির প্রায় শুরু থেকেই সদর দপ্তরে বহাল থেকে বিভিন্ন কেন্কাাটায় অনিয়ম-দুুর্নীতি করলেও আতিক বহাল- যা তদন্ত করলেই বের হয়ে আসবে বলে কমৃচারিরা জানান। তার সাথে লাজুও (এলডিএ) জড়িত রয়েছে। এরা অতিরিক্ত দামে পণ্য কিনে টাকাপয়সা হাতিয়ে নিচ্ছেন, তাছাড়া পণ্যেও চাহিদা ও সংখ্যা বুঝে নেন না বলেও কর্মচারিরা জানান।
প্রশাসনের সব খরচাদি যেমন খাবার-দাবার, সদর দপ্তরের যাবতীয় ক্রয় এসকে-কে দিয়ে করিয়ে থাকেন তিনি। বাগান পরিচর্চা ও পরিচ্ছন্নতা এলডিএ হামিদকে দিয়ে করিয়ে থাকেন। তার ুিবরুদ্ধে কেউ মুখ খুললে তাকে তার রোষানলে পড়ে হয়রানিসহ বদলি হতে হয়।
বর্তমানে এমটি (পরিবহন পুল) সদর দপ্তরের অধীনে হওয়ায় এ পুলের সকল ধরনের জ¦ালানি তেলসহ অন্যান্য ক্রয়-বিক্রয় পরিচালক নূরুল ইসলাম নিজস্ব এজেন্টদের মাধ্যমে করে থাকেন বলেও শোনা যায়।
নিয়োগ বাণিজ্য : জনশ্রুতি রয়েছে নিজস্ব বিশ^স্ত লোকদের মাধ্যমে সিন্ডিকেড সদস্যরা লোকবল সরবরাহ করে থাকে। কন্ট্রাক্টে প্রার্থীদের পরিক্ষায় পাস করিয়ে নেয়া হয়। জানা যায় মাক্সের আড়ালে প্রার্র্থীীর পক্ষে প্রক্সি দেয়া হয়।যা গোয়েন্দা নজরদারিতে ধরা পড়বে বলে অনেকে জানান।
অনেক দিন একই পদে থাকার কারণে তিনি সিদ্ধহস্ত এবং কিভাবে তার প্রার্থীদের উৎরে নেয়া যায় তা তিনি ভাল করেই জানেন। বর্তমানে প্রশাসনে তার লোকজন ছাড়া অন্য কেউ নেই। সকলে তার আঙ্ঘাবহ। তিনি সুচৃতুর বিধায় তিনি সব সময় এমন ভাব করেন যেন তিনি ভাজা মাছটি উল্টে খেতে পারেন না,তার শ^শুরবাড়ির লোকজনকে তার অর্জিত অর্থ বিলিয়ে দিচ্ছেন বলেও জানা যায়।
কর্তৃপক্ষের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারিদের মধ্যে তার ব্যাপারে চরম বিতৃষœা রয়েছে, কর্মচারিদের তিনি পাত্তাই দেন না, ‘আমি কি করবো’ বলে তাড়িয়ে দেন।
গার্ড সোনা জহির তার লোক বিধায় তাকে চাকরিচ্যুত হবার পরও তাকে আবার চাকরিতে বহাল করে সদর দপ্তরে ডানায় ছায়া দিয়েছেন।
পরিচালক নূরুল ইসলাম কারো প্রতি বিরূপ হলে তাকে বিভিন্নভাবে শায়েস্তা করে ছাড়েন বলে কর্মচারিরা বলে বেড়ান। তাকে কেন সিএএরি প্রশাসনে রাখা হয়েছে-এ প্রশ্ন তুলছেন কর্মচারিরা, ক। তার অর্জিত অর্থে কাওলায় বহুতল ভবন গড়ে ওঠছে বলে কর্মচারিরা জানান। তবে বাড়িটি নাকি শ^শুর পক্ষের লোকের নামে।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
