নিউজ ডেক্স : হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংলগ্ন বিশাল একটি জনাসমাগম রাস্তা বন্ধ করে ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে জব্দ গাড়ি ডাম্পিং পুলিশ বক্স করার অভিযোগ উঠেছে। কার স্বার্থে একটি জনচলাচল রাস্তা বন্ধ করে পুলিশ ডাম্পিং ব্কস করলো? এটা কি ডিএনসিসি অনুমোদন দিয়েছে, নাকি পুলিশ মনগড়াভাবে এ পুলিশ বক্স গড়ে তুলেছে, কারণ পুলিশতো রাজধানির বিভিন্ন সড়কের ফুটপাত দখল করে বক্স গড়ে তুলছে ,যদিও ডিএমপির নকশায় এ পুলিশ বক্সের অস্তিত্ব-ই নাই, পুলিশ জবর দখলের মতো যেখানে-সেখানে পুলিশ বকস গড়ে তুলে আরাম-আয়েসে বসে পরিবহন থেকে , ফুটপাত থেকে চাদাবাজি করছে, ৯০’র দশকের ডবলজুতা কেলেংকারির মতো স্ট্রীকার দিয়ে পরিবহন থেকে চাদাবাজি করছে বলে পরিবহন শ্রমিকরা অভিযোগ করে থাকেণ।
প্রায়ই এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক, আটোরিকশা, বাস, ট্রাকসহ অবৈধ বিভিন্ন গাড়ি আটক করে রাখে এ পুলিশ বক্সে। এতে জনসাধারণের ভোগান্তির পাশাপাশি রাস্তায় জমে থাকা পানিতে জন্ম নেওয়া এডিস মশা ছড়িয়ে পড়ছে বিমানবন্দর ও আশপাশ এলাকায়। পুলিশকে ম্যানেজ করে লকডাউনের মধ্যে এলাকায় দেদার চলছে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও আটোরিকশা। তবে পুলিশ জানায়, প্রায়ই এলাকায় এসব যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে তা জব্দ করে ডাম্পিং করা হয়।
পুলিশ জানায়, জব্দ গাড়ি ডাম্পিং করার জায়গা না থাকায় সিটি করপোরেশনের অনুমতিক্রমে বিমানবন্দর ট্রাফিক পুলিশ বক্সের পাশে জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে ডাম্পিং পুলিশ বক্স তৈরি করা হয়। এতে জনসাধারণ চলাচলে কিছুটা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে ট্রাফিক পুলিশ বক্সের পরিদর্শক (টিআই) খাদেমুল ইসলাম জানান। তিনি বলেন, সাময়িকভাবে এ ডাম্পিং পুলিশ বক্স করা হয়েছে। বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন থানা এলাকায় ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও অটোরিকশা চলাচল করে। এসব গাড়ি যাতে প্রধান সড়কগুলোতে আসতে না পারে সে বিষয়ে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেন ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা। তারপরও কিছু ইজিবাইক ও অটোরিকশা যাত্রী নিয়ে প্রধান সড়কে আসার চেষ্টা করে। সেগুলো আটক করে রাখা হয় বিমানবন্দর ডাম্পিং পুলিশ বক্সে।
জানা গেছে, বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশি-বিদেশি যাত্রীদের প্রধান সড়কের সামনে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। গাড়ির জটে এমনিতেই মানুষ দিশেহারা।অনেক সময় যানজটে পড়ে আন্তর্জাতিক যাত্রীরা ফ্লাইট মিস করে থাকেন। তার ওপর রাস্তার দু’পাশে গড়ে উঠেছে ছোট-বড় অসংখ্য দোকানপাট। রয়েছে ভাসমান হকারের উৎপাত। এরই মধ্যে আবার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রধান সড়কের ঠিক উল্টো পাশের একটি সড়ক বন্ধ করে সেখানে জব্দ করা গাড়ি (ডাম্পিং ব্যারাক) রাখার ব্যবস্থা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ট্রাফিক-উত্তর বিভাগ)।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সারাদিন পরিত্যক্ত অবস্থায় ছোট-বড় গাড়িগুলো থাকায় ডাম্পিং ব্যারাকে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নিয়েছে। এখান থেকে মশা ছড়াচ্ছে বিমানবন্দরসহ আশপাশ এলাকায়।
এ ব্যাপারে সিভিল এভিয়েশন অথরিটির কয়েক সদস্য জানান, এ সড়ক ব্যবহার করে আমরা সিভিল এভিয়েশনের স্টাফ কোয়ার্টারে নিরাপদে চলাচল করতাম। এখন ওই কাওলা সড়কটি ভূতুড়ে এলাকায় পরিণত হয়েছে। দেশের প্রধান বিমানবন্দর সড়কের পাশে এমন একটি গাড়ির ডাম্পিং ব্যারাক থাকা কতটা যুক্তিযুক্ত তা আমাদের বোধগম্য হচ্ছে না।
এ বিষয়ে বিমানবন্দর ট্রাফিক জোনের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবদুল্লাহ জানান, জব্দ করা ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকসহ বিভিন্ন গাড়ি বিমানবন্দর ডাম্পিং পুলিশ বক্সে রাখা হয়। তবে এর সংখ্যা খাতাপত্র না দেখে বলা যাচ্ছে না।
