স্টাফ রিপোর্টার : আবার বোল পাল্টাচ্ছে শাজাহান-শামীমা দম্পত্তি এবং বিমানের জুনিয়র ট্রাফিক অফিসার আবু ইউসুফ, পি-৩৬৮৯৮। এই ইউসুফ মানব পাচারের দায়ে ৪ বছর জেল খাটলেও তাকে এক পোস্টিংয়ে ৪ বছর ধরে রাখা হয়েছে, এখন আবার বিমানের সবচেয়ে লাভজনক স্টেশন রিয়াদে পোস্টিং দেয়ার পায়তারা করা হচ্ছে। আর এ মিশন সাকসেস হলে ইউসুফের ষোলকলা পূর্ন হবে।
এই ইউসুফ বিমানে কোন দিন বিএনপি সংগঠনের সাথে সম্পকৃক্ত ছিল না। স্বৈরাচার সরকার পতনের পর বোল পাল্টে এবার ইউসুফ আজান দিয়ে বিএনপি করার কথা জাহির করছে। ইউসুফ একজন মানব পাচারকারি হিসেবে ট্রাফিকে পরিচিত। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন এজেন্সিকে হাত করে মানব পাচার করে ধরা খেয়ে জেলও খেটেছে। ওই সয় তার স্ত্রী গণভবনে দৌড়াদৌড়ি করে বিভিন্ন তদবির করে জেল থেকে তাকে উদ্ধার করে। পরে আবার ইউসুফ ট্রাফিকে জয়েন করেন।
তদবিরে ইউসুফ একনম্বর, বেয়াদবেও এক নম্বর বলে বিমানে ব্যাপক পরিচিতি আছে। ট্রাফিকের কোন সিনিয়র কর্মকর্তা প্রয়োজনের অতিরিক্ত তার সাথে কথা বলেন না। ইদানিং এই ইউসুফ ট্রাফিক এবং অন্যান্য শাখার সংখালঘুদের নিয়ে বাজে মন্তব্য করে তাদেরকে অহরহ বিরক্ত করে থাকেন। তন্ময় নামের এক কর্মকর্তাকে অপমান করে কথা বলে ইউসুফ। এতো ধৃষ্টতা কোথায় পায় ইউসুফ? অথচ এই তন্ময় এতো ভদ্র যে সংখ্যালঘুর কোন ছাপ পাওয়া যায় না তার কর্মক্ষেত্রে। কর্মকর্তা হিসেবে তন্ময় খুবই দক্ষ বলে জানা যায়।
আবু ইউসুফ বেয়াদপ এবং মানব পাচারকারি হওয়া সত্ত্বেত তাকে রিয়াদ পোস্টিং করার পায়তারা করা হচ্ছে। এই রিয়াদ পোস্টিংয়ের ক্ষেত্রে বিমানের কোন সাবেক এক কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানা যায়, রিয়াদের এই জুনিয়র অফিসারের পোস্টিংটি একটা গুরুত্বপূর্ন পোস্টিং এবং বিমানের অধিক লাভজনক একটা উচ্চ বাজেটের স্থান। এখানে বিমানের সব বাইরের সেক্টরের থেকে বেশি অর্থ উপার্জন হয়। এখানে কাউকে পোস্টিং দিতে হলে অবশ্যই সৎ এবং যোগ্য কাউকে দেয়া উচিত। ইউসুফের মধ্যে এর কোনটাই নাই। যে সব উর্ধতন কর্মকর্তাগণ এ সব পদে পোস্টিংয়ে পাঠায় তারা এ সব স্থানে বিমান কর্মী এবং কর্তাকে তদবির ছাড়া পোস্টিং দিতে পারে না বলে রেওয়াজ রয়েছে। ইউসুফই তার বড় প্রমাণ। যেমন: সিংগাপুর, লন্ডন দীর্ঘদিন ধরে একই লোক এ পোস্টিংয়ে বসে আছেন, এদের ছাড়া বিমানের ট্রাফিকে কি কোন সৎ লোক নাই?
এ দিকে শাজাহান অপেক্ষায় আছে কখন সে কুয়েতের পোস্টিং ছেড়ে কানাডায় যাবে, এই স্বপ্নে এখন শামীমা- শাজাহান দম্পত্তি, স্বপ্নে বিভোর তারা , তদবির নিয়ে ব্যস্ত।
বর্তমানে এই ইউসুফ, শামীমা, শাজাহান খুব ব্যস্ত হয়ে পড়েছে দল পরিবর্তন নিয়ে। এখন তারা নিজেদেরকে বিএনপি হিসাবে পরিচিত করতে ব্যস্ত। আর এই সুযোগে যদি কুয়েত থেকে কানাডায় যাওয়া যায় তাহলে মন্দ কি? কারণ শামীমা, শাজাহান, ইউসুফরা বিমানের কর্মকর্তাদের ভাবি- ভাই হয়। ওরা সবাই তদবিরে ওস্তাদ। কিছুদিন আগেও শামীমা –শাজাহানকে এমপি মাহবুবআরা গিনি, সেলিনা খাতুন-( এরা সবাই শেখ হাসিনার আত্মীয়দেরকে) এয়ারপোর্টে তাদের কোলে করে বিমানে তুলে দিতে দেখা গেছে।
এখন দেশ দ্বিতীয়বার স্বাধীন হওয়ার সাথে সাথে নিজেদের অতীতটা বদলে ফেলেছে রাতারাতি। এদেরকে পোস্টিং-এর ক্ষেত্রে চিন্তা করা উচিত ম্যানেজমেন্টের, বিশেষ করে ট্রাফিক বিভাগের ইউসুফের ক্ষেত্রে। তাকে রিয়াদ পোস্টিং দিলে বিমান কোটি কোটি টাকা অর্থ হারাবে এবং বিমানের সন্মান ক্ষুন্ন হবে। মিজান, রহমত, এবং শাজাহান কোন আত্মীয়দের বলে বিদেশে পোস্টিং নিয়ে এখনো বসে অছে, আবার বিদেশ আরো ভাল পোস্টিং নেয়ার পায়তারা করছে, এদের রুখবে কে?
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
