একুশে বার্তা রিপোর্ট : গত ২৪ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরের উড়োজাহাজ ছিনতাই চেষ্টার ঘটনায় সাহসিকতার সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলা করায় ওই বিমানের পাইলট এবং ক্রুদেরকে সংবর্ধনা দিয়েছে বিমান মন্ত্রণালয়। এর আগে প্রধানমন্ত্রী এদেরকে ধন্যবাদ জানান। সংসদে এদেরকে পুরস্কৃত করার দাবি ওঠে। সে অনুসারে বিমান মন্ত্রণালয় এদের সংবর্ধনার আয়োজন করে। বিমানমন্ত্রী ও সচিবের উপস্থিতিতে এদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। শনিবার রাতে রাজধানীর ইন্টার কন্টিনেন্টাল হোটেলে তাদেরকে এ সংবর্ধনা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই বিমানমন্ত্রী এবং সচিব ওই ফ্লাইটের ক্রুদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
সেদিন ওই ছিনতাইকারী হঠাৎ বিমান ও যাত্রীদের জিম্মি করায় তাৎক্ষণিকভাবে ঘাবড়ে গেলেও যাত্রী, দেশ এবং দেশের সম্পদের কথা ভেবে অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষা দিয়ে ঠান্ডা মাথায় সেদিন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন বিমানের পাইলট এবং ক্রুরা। পাইলট ও ক্রুরা সে দিনের কথা তাদের বক্ততায় তুলে ধরলেন কিভাবে বিমানটিকে যাত্রীসহ রক্ষা করলেন।কর্মক্ষেত্রে সবাইকে এমন মানসিকতা সম্পন্ন হওয়ার আহবান জানিয়েছেন বিমানমন্ত্রী এবং সচিব।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সবাইকে ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী এবং সচিব। ওই ফ্লাইটের ক্রুদের পক্ষ থেকে ক্যাপ্টেন শাফি বক্তৃতা করেন।
ওই ঘটনায় করা ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রকাশের সময় আরো দুদিন বাড়িয়েছে বিমান মন্ত্রণালয়।
উল্লেখ্য , ২৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ বিমানের বোয়িং-৭৩৭ মডেলের ময়ূরপঙ্খী উড়োজাহাজটি ১৪২ জন যাত্রী ও পাঁচজন ক্রু নিয়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে দুবাই যাচ্ছিল। হঠাৎ বুকে বোমা বাঁধা আছে দাবি করে অস্ত্রধারী পলাশ মাহদি প্রধানমন্ত্রীসহ তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দাবি করে বসে। ওই অস্ত্রধারী একজন কেবিন ক্রুকে জিম্মি করে।পরে সেনা ও নৌ বাহিনীর ৮ মিনিটের যৌথ কমান্ডো অভিযানে জিম্মি অবস্থার যবনিকাপাত হয়।
