বেবিচক : কক্সবাজার এয়ারপোর্টে জেনারেটর দুর্নীতি : প্রত্যয়নপত্র ও তেলের চাহিদায় সই করেন প্রকৌশলী মন্ডল : ২ কপি চাহিদাপত্র ঢাকার নির্বাহী প্রকৌশলী মিহিরকে দাপ্তরিক চিঠি পাঠায় তৎকালিন ম্যানেজার হাসান জহির

স্টাফ রিপোর্টার : বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ–বেবিচক কক্সবাজার বিমানবন্দরে জেনারেটর সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র ও জেনারেটের তেলের চাহিদাপত্রে সই করেন উপসহকারি প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম মন্ডল। তিনি প্রত্যয়নপত্রে স্বাক্ষর করে বলেন যে, ‘প্রত্যয়ন করা যাইতেছে যে, উল্লেখিত কাজটি ১০০% সন্তোষজনকভাবে সম্পাদন করা হইয়াছে। উল্লেখিত কাজের অর্থ হিসাব শাখায় লেজারযুক্ত করা হইয়াছে। সম্পাদিত কাজের ক্ষেত্রে পিপিআর-২০০৮ অনুসরণ করা হইয়াছে। সম্পাদিত কাজের পরিমাপ বহিনং- সিএএবি/এ ৭৯৭-এর পৃষ্ঠানং-০১ হইতে ২৫-এ লিপিবদ্ধ করা হইয়াছে।হিসাব শাখার লেজার রেজিষ্ট্রারে পৃষ্টা নং-এ অন্তর্ভুক্ত করা আছে।’
্এরপর ডিভিশন-৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মিহির চাদ দেকে অগ্রবর্তীর জন্য ২ কপি চাহিদাপত্র পাঠায় তৎকালিন কক্সবাজার বিমানবন্দরের ম্যানেজার হাসান জহির , সিনিয়র এরোড্রম অফিসার।
পরবর্তীতে জেনারেটন না বসিয়ে ৬৪ লাখ টাকা পরস্পর আত্মসাতকরণের ঘটনা দুদক তদন্ত করে প্রমাণিত করে দুদক মামলা করে। মামলায় সবাই জেল খাটলেও একমাত্র ব্যতিক্রম শহিদুল ইসলাম মন্ডল। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন তিনি কি পলাতক, তবে তিনি মামলার শুনানিতে হাজিরা দিচ্ছেন বলে জানা যায়। তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেননি বলে জানা যায়। তাহলে তিনি প্রকাশ্যে , তাকে বেবিচক সাসপেন্ডও করেনি বলে শোনা যায়। তাহলে আইন সবার জন্য সমান হলেও তার জন্য কি আলাদা?
এ দিকে এ মামলারয় আয়ু দুদকের উপপরিচালক মাহবুবুল আলম নিজেই দুদকের কাঠগড়ায়— – এ নিয়ে গণমাধ্যমে রিপোর্টও প্রকাশিত হয়েছে। তিনি এ মামলায় সাক্ষ্য দিতে আদালতে সময়ক্ষেপণ করছেন বলে মামলার অপর আসামিরা বলাবলি করছেন।
এ মমালায় অভিযুক্ত প্রকৌশলী ভবেশ মামলার আগেই নাকি শতভাগ পেনশন নিয়ে বেবিচক থেকে বিদায় হয়েছেন।
এ দিকে চাউড় হয়েছে এ মামলায় চেকে সই করে ফেসে যান বেবিচকের মোস্ট সিনিয়র প্রকৌশলী, ১০ মাসের রুটিন দায়িত্বের প্রধান প্রকৌশলী শহিদুল আফরোজ, চেকের একপার্টে সই করেও অন্য এক প্রকৌশলী পার পেয়ে যান।
সাবেক ২ প্রধান প্রকৌশলী–একজন দুর্নীতির দায়ে চাকরিচ্যুত এবং একজন দুর্নীতির ৪ মামলার আসামী এ ঘটনার ইন্ধনদাতা বলে অনেকে সন্দেহ পোষণ করেন। আর প্রকৌশলী মন্ডল এদের নেকনজরে বলে জানা যায়।
এ মামলায় ২ প্রকৌশলী, ম্যানেজার , ঠিকাদারসহ সবাই আদালতে সারেন্ডার করলে আদালত তাদের গ্রেফতার করে জেলে পাঠায়, পওে তারা জামিনে আসেন। কিন্ত ব্যতিক্রম প্রকৌশলী মন্ডল, তিনি আদালতে সারেন্ডারও করেননি, জেলও খাটেননি, তাকে বেবিচক সাসপেন্ডও করেনি। তাহলে তিনি কিভাবে প্রকাশ্যে? এ প্রশ্ন তুলেছেন মামলার অন্য আসামীরাই।
তবে প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম মন্ডল জানান, জেনারেটর মামলায় আমাকে জড়িত করা হলেও আমি ওই সময়ে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে কর্মরত ছিলাম। প্রকৌশলী সেলিম ছিলেন দায়িত্বে।