বেবিচক ‘কম্ভুকর্ন’ : রাজশাহী এয়ারপোর্টের ম্যানেজার দিলারা পারভীন এখনও বহাল, রহস্যজনক কারণে তাকে বদলি করা হচ্ছে না, বেবিচক চেয়ারম্যানের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা

স্টাফ রিপোর্টার : গত ৪ বছর ধরে রাজশাহী বিমানবন্দরে দাপুটের সাথে রামরাজত্ব করা আওয়ামী দোসর, গোপালি বধূ , বিমানবন্দরের বিভিন্ন কাজে অনিয়ম দুর্নীতি করেও ম্যানেজার দিলারা পারভীন বহাল তবিয়তে। রহস্যজনক কারণে ৪ বছর পরও তাকে রাজশাহি থেকে বদলি করা হচ্ছে না। বেবিচকে চাউড় হয়েছে- সদর দপ্তরে মাসের মাস, বছরের পর বছর উঢৌকন পাঠিয়ে রাজশাহি বিমানবন্দরে তিনি ম্যানেজারগিরি করছেন। তার অত্যাচারে নিরীহ কর্মকর্তা-কর্মচারিরাসহ ঠিকাদাররা জিম্মি হয়ে পড়েছেন। তিনি কোন প্রকৌশলীর সুপারিশও আমলে নেন না, তিনি তার মত করে ঠিকাদারি কাজের প্রাক্কলন থেকে শুরু করে প্রত্যয়নের ব্যাপারে মাতাব্বরি করে থাকেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। নিদিষ্ট পার্সেটেন্টজ ছাড়া তিনি ঠিকাদারি কাজের প্রত্যয়ন দেন না বলেও অভিযোগ। দীর্ঘদিন যাবত ঠিকাদাররা এ সবের প্রতিবাদ করলেও শোনার কেউ নেই। কিন্ত বেবিচক কর্তৃপক্ষের কানে এসব আওয়াজ যায় না, বেবিচক যেন ‘কম্ভুুকর্ন’। ম্যানেজারের বিরুদ্ধে আইনগত নোটিশের কোন জবাব দেয়নি বেবিচক, আইনি নোটিশে তার (ম্যানেজার) দুর্নীতির ফিরিস্তিসহ তাকে রাজশাহি বিমানবন্দর থেকে বদলির সুপারিশ করা হলেও তা আমলে নিচ্ছে না বেবিচক কর্তৃপক্ষ।
তার স্বামি রাজশাহি বিশ^ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, বাড়ি গোপালগন্ঞ, তিনি ( ম্যানেজার পারভীন) রাজশাহির মেয়ে, গোপালি বধূ , মেয়র লিটনের ও প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের ঘনিষ্ঠ দিলারা পারভীন এখন খোলস পাল্টে বিএনপি নেতা চাদের ঘনিষ্ঠ বনে যাচ্ছেন। তাকে রাজশাহি বিমানবন্দর থেকে সরায় এমন সাধ্য কার? এটা এখন প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে। বেবিচক সদর দপ্তরে প্রশাসনে এবং এইচআরে বসা কর্তা-ব্যক্তিরা তাকে রাজশাহিতে আগলে রেখেছেন বলে জানা যায়। তার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে একাধিক রিপোর্ট প্রকাশিত হবার পরও – থোরাইকেয়ার করছেন। কারণ তিনি জানেন যে, বেবিচক কর্তৃপক্ষ তাকে আগলে রাখবে। তা না হলে সরকারি চাকরির বদলির নিয়ম ব্যত্যয় ঘটিয়ে কেন তাকে রাজশাহি বিমানবন্দর থেকে গত ৪ বছরেও বদলি করা হবে না- এর রহস্য কি?
তার বিরুদ্ধে আইওয়াশের জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও তদন্ত কর্মকর্তা ইসরাত জাহান পান্না ওএসডি হয়ে বেবিচক থেকে চলে যাবার পর নতুন করে তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাবার নির্দেশ প্রদান করা হয়নি। নতুন করে তদন্ত কমিটিও গঠিত হয়নি।
এ ব্যাপারে ম্যানেজারের অত্যাচারে নির্যাতিত নিরীহ কর্মকর্তা-কর্মচারিরা- ঠিকাদাররা তার ( ম্যানেজার দিলারা) হাত থেকে বাচার জন্য বেবিচক চেয়ারম্যান মহোদয়ের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।