বেবিচক: ড. ইউনুসের আমলে রিক্রুট হলেও বেবিচক চেয়ারম্যান কি আওয়ামী দোসর পরিবেষ্টিত!

স্টাফ রিপোর্টার : অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মনজুর কবীর ভুইয়া রিক্রুট হলেও তিনি কি আওয়ামী দোসর পরিবেষ্টিত- এমন প্রশ্ন ওঠছে খোদ বেবিচকেই। কর্মচারীরা এই দোসরদের প্রত্যাহারের দাবি জানালেও তা আমলে নেয়া হচ্ছে না। বেগম খালেদা জিয়াকে তার ক্যান্টমেন্টের বাড়ি থেকে এক কাপড়ে বের করে দেয়ার কারিগর সেই পান্না এখনও বেবিচকে বহাল। তিনি চেয়ারম্যানের কক্ষে আড্ডা দিচ্ছেন। আওয়ামী দোসর ২ মেম্বার এখনও বেবিচকে বহাল। আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহর এপিএস সহকারি পরিচালক তিরান হোসেন বেবিচকের প্রশাসনে বসে ছড়ি ঘুরাচ্ছেন, এখন তাকে শাহজালাল বিমানবন্দরে বদলির পায়তারা করা হচ্ছে। তাকে শাহজালালে বদলি করা হলে নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে কর্মচারীরা জানান।
বেবিচকের প্রশাসন এখনও ঢেলে সাজানো হয়নি: বেবিচকের প্রশাসন বিভাগ এখনও ঢেলে সাজানো হয়নি। প্রশাসনের কর্তাব্যক্তি মেম্বার এডমিন আওয়ামী দোসর, তাকে বদলির দাবিতে কর্মচারীরা ব্যানার টাংগিয়ে দিলেও তা এখনও আমলে নেয়া হয়নি। মন্ত্রী পলককে বিমানবন্দর দিয়ে পালাতে সহায়তাকারি এই মেম্বার এডমিন প্রশাসনে বসে আওয়ামী দোসরদের প্রভাবিত করছেন বলে জানা যায়। তার পুরো প্রশাসন বিভাগে আওয়ামী দোসর। এরা কেউ কেউ ১৫ বছর ধরে প্রশাসনে বসে ঘুষ-দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে পড়ছে। এদের মধ্যে কেরানি জাহিদ, রোকন এও মমিন, নাসির, আাবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ ও মুন্নুজান সুফিয়ানের এপিএস এডি তিরান হোসেন প্রশাসনে দাপটের সাথে বসে আছেন।আইওয়াসের জন্য এডি তিরান হোসেনকে শাহজালালে বদলির পায়তারা করা হচ্ছে। ডিডি আবিদুর রহমানও দীর্ঘদিন প্রশাসনে।
সেমসুতে নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর আপন ভাগিনা, ডিডি করিম মোল্লা বহু দুর্নীতির নায়ক এখনও সেমসুতে বহাল। সাবেক চেয়ারম্যানের ভায়রার সাথে রাজাধানির অভিজাত এলাকায় করিম মোল্লার পদচারণায় রাতের বাতাস ভারি হয়ে উঠত। এই ২ জন মিলে টেন্ডার মুসাবিধা করতেন। সেমসুতে লাউন্ঞ চেয়ার কেনাকাটার দুর্নীতির সাথেও এরা সম্পৃক্ত বলে পত্রিকান্তরে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে।
মেম্বার অর্থ ওবায়দুল কাদেরের ঘনিষ্ঠ, তাকে ঠিকাদাররা ‘মি. ওয়ার পার্সেন্স’ বলে জানে। ওয়ান পার্সেন্স ছাড়া তিনি ঠিকাদারি কাজের ফাইলে সই করেন না বলে ঠিকাদাররা জানান।তার পিএস কেরানি হাফিজ এই ওয়ান পার্সেন্স ঘুষ হাতিয়ে নেন, পিএস হাফিজ এই চেয়ারে দীর্ঘদিন থাকলেও তাকে রহস্যজনক কারণে বদলি করা হয় না।
মেম্বার অর্থকে বেবিচক থেকে বদলির দাবিতে কর্মচারিরা ব্যানার টাংগিয়ে দিলেও তিনি এখনও বহাল। এই অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তাকে পদোন্নতি দিয়ে অতিরিক্ত সচিব করা হয়েছে। তিনি রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব দিদারুল আলমের সাথে সম্পৃক্ত বলে জানা যায়।