বিশেষ সংবাদদাতা : হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে অবৈধ পদে ডেপো লতিফের একযুগ অতিক্রান্ত হলেও সিভিল এভিয়েশন প্রশাসন তাকে আগলে রেখেছে। তার বিরুদ্ধে চোরাচালানে সহায়তাসহ নানা অনৈতিক অভিযোগ ওঠলেও তাকে অবৈধ পদে বসিয়ে রাখা হয়েছে। বিমান মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটি তাকে চাকরিচ্যুতসহ তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করলেও তা আমলে নেয়নি সিএএবি প্রশাসন। মন্ত্রণালয়ের কয়েক কর্মকর্তার জোরালো তদবিরে নাকি ডেপো লতিফ তার মাদার পোস্টিং ফায়ারে বদলি না করে শাহজালালে অবৈধ ডেপো পদে একযুগ টিকে আছে। বিএনপির আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত , হাওয়াভবনের ঘনিষ্ঠ সহচর বলে খ্যাত ডেপো লতিফ শাহজালাল বিমানবন্দরে সিন্ডিকেট সদস্যদের স্মাগলিংয়ে সহায়তা করে কমিশন বানিজ্য করে ফায়দা হাতিয়ে নিচ্ছেন। ক্লিনিং সেকশন, নিরাপত্তা সেকশন, ট্রলি সেকশন ও অন্যান্য সেকশনের সিএএবির প্রায় শতাধিক কর্মচারিকে মানব পাচারসহ হুন্ডি,মুদ্রা, সোনা পাচারের সহায়তা করছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। সিসি ক্যামেরা বিভিন্ন কি পয়েন্টে অকেজো বা ঘুরিয়ে তা মনিটর করা হচ্ছে বলেও গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছে। সোনা পাচারের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত জামাল পাটোয়ারিকে ডেপো লতিফ দীর্ঘদিন আগলে রেখেছেন বলে গোয়েন্দারা জানতে পেরে তা খতিয়ে দেখছে। তাছাড়া বিলুপ্ত যাত্রীসেবা কামালকে পাচারে সহায়তা করছেন বলেও বিমানবন্দরে ব্যাপক গুনজন রয়েছে। কামালকে বিমানবন্দর থেকে সোনা সিন্ডিকেট ওঠিয়ে নেয়ার পর তাকে বিমানবন্দর থেকে স্ট্যান্ডরিলিজ করে আবার তাকে বিমানবন্দরে ফিরিয়ে নেয়ার পায়তারা করছেন । ডেপো লতিফের মাসে অবৈধ ইনকাম কয়েক লাখ টাকা । এই অবৈধ ইনকামের টাকায় রাজধানির কলাবাগান, ধানমন্ডি এলাকায় একাধিক ফ্লাট বাড়ির মালিক বনে গেছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তার বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টে তাকে সেইভ করা হয়েছে। বিএনপি- জামায়াত ঘেষা এই ডেপো লতিফের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি করা হচ্ছে।
একুশ শতকের কাগজ ‘একুশে বার্তার’ অনলাইন সংস্করনে গত ৬ আগস্ট ‘সংসদীয় কমিটি ও গোয়েন্দা প্রতিবেদন আমলে নেয়নি সিভিল এভিয়েশন : বিমান মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত প্রতিবেদন ভেস্তে গেছে : বিএনপি-জামায়াতপন্থী ঘুষ দুর্নীতির গডফাদার সিএএবির কর্মকর্তা ওমর শরিফসহ তিন কর্মকর্তার লাগাম টেনে ধরছে না প্রশাসন’- শীর্ষক শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর বিমানবন্দরসহ সিএএবির সদর দপ্তরে ব্যাপক আলোড়ন শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শাহজালাল বিমানবন্দরে অবৈধ পদে কর্মরত ডেপো লতিফ নাকি ‘একুশে বার্তা’ সম্পর্কে বাজে মন্তব্যও করেছেন। বলেছেন, ‘কতো বড় বড় পত্রিকায় আমার বিরুদ্ধে রিপোর্ট আসলো, আমার টিকিটিও কেউ স্পর্শ করতে পারলো না, এই ছোট পত্রিকায় লিখলে আমার কিচ্ছু হবে না।’ ক্রমশ
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
