একুশে বার্তা রিপোর্ট : : সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান বলেন, বিমানবন্দরে পাখি নিয়ন্ত্রণে রাডারসহ বিভিন্ন আধুনিক যন্ত্রাংশ স্থাপন করার চেষ্টা চলছে। এক ধরনের রাডার আছে যেটা থেকে অ্যাকুস্টিক সাউন্ড বের হয়। রাডার স্ক্যানও করে। গ্রাউন্ডে পাখির পরিমাণ বোঝা যাবে। এ ব্যবস্থা চালুর চেষ্টা চলছে।
জানা গেছে, হযরত শাহজালালসহ দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে বার্ড হিট বা উড়োজাহাজে পাখির আঘাতের ঘটনা বেশ নিয়মিত। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকলেও পাখি তাড়াতে নেই আধুনিক কোন ব্যবস্থা।
পাইলটদের দক্ষতায় এ পর্যন্ত বড় কোন দুর্ঘটনা বা প্রাণহানি না হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উড়োজাহাজ। অথচ পাখি তাড়াতে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একমাত্র বন্দুকই সম্বল। ৮ জন বার্ড শ্যুটার থাকলেও ছয়টি বন্দুকের মধ্যে চারটি অচল থাকায় পাখি তাড়াতে হিমশিম খেতে হয় কর্তৃপক্ষকে।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ এইচ এম তৌহিদ উল আহসান গণমাধ্যমকে জানান, বন্দুক কিনতে হলে লাইসেন্সিং-এর ব্যাপার আছে। এগুলোর জন্য আবেদন করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ক্লিয়ারেন্স পেলে ৬টি বন্দুক কেনার পরিকল্পনা রয়েছে।
শাহজালালের রানওয়েতে একাধিক জলাশয় রয়েছে, এই জলাশয়ে মাছ শিকারে পাখিরা রানওয়েতে ঢুকে , উড়ার সময় বিমানে আঘাত করে। এতে করে বিমান দুর্ঘটনার সম্ভাবনা জিইয়ে রয়েছে।
