বিশেষ সংবাদদাতা : ষাট হাজার কোটি টাকার বন্ধু এয়ারপোর্ট। চৌদ্দ হাজার কোটি টাকার থার্ড টার্মিনাল। দুই হাজার কোটি টাকার রাডার সিস্টেম। এক হাজার কোটি টাকার সিলেটের ওসমানী ও চট্টগ্রামের শাহ আমানত এয়ারপোর্টের রানওয়ে শক্তিশালীকরণ। ছয় শ’ কোটি টাকার কক্সবাজার বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিকীকরণ। সাড়ে পাঁচ শ’ কোটি টাকায় খানজাহান আলী এয়ারপোর্ট। পাঁচ শ’ কোটি টাকায় সৈয়দপুর বিমানবন্দরের উন্নয়ন। ১৮৮ কোটি টাকার নিরাপত্তা প্রকল্প। এই হচ্ছে বাংলাদেশ সিভিল এ্যাভিয়েশনের নেয়া মেগা প্রজেক্টস। এগুলো সম্পন্ন হলে এ দেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম হাব। এ্যাভিয়েশন সেক্টরে এভাবেই ঘটতে যাচ্ছে বিপ্লব।
কিন্ত বিপুল সম্ভাবনার এসব প্রকল্পের মধ্যে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল নির্মাণ উচ্চ আদালতের আদেশে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। উচ্চ আদালতের আদেশের সূত্রধরে জাতীয় দৈনিক প্রথম আলোতে ১ এপ্রিল খবর বেরিয়েছে ‘ শাহজালাল বিমানবন্দর বর্ধিতকরণ: হাইকোর্টের আদেশ স্থগিতই থাকছে’। প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে-‘ হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মালসহ বর্ধিতকরণ প্রকল্পের দরপত্র কার্যক্রম স্থগিত করে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ স্থগিতই থাকছে।
হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ৩১ মার্চ রোববার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ৪ সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন নিষ্পত্তি করে এ আদেশ দেয়া হয়।
কক্সবাজার এয়ারপোর্ট নির্মাণ ও রাডার স্থাপন কাজ উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। সৈয়দপুর বিমানবন্দরের জোনাল হাব ও খানজাহান আলী এয়ারপোর্ট নির্মাণের কাজ শেষ না হলেও বাস্তবায়নের পথে থাকবে। দেশের সর্ববৃহৎ প্রকল্প বঙ্গবন্ধু এয়ারপোর্টের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কাজ আগামী তিন বছরের মধ্যে উদ্বোধনের লক্ষ্য নিয়েই চলছে কাজ। প্রধানমন্ত্রী যে কোন মূল্যে এই এয়ারপোর্টের ভিত্তিপ্রস্তুর স্থাপন করতে আগ্রহী। সেটা মাথায় রেখেই এ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করেছে সিভিল এ্যাভিয়েশনের প্রকৌশল বিভাগ। মূলত এ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে বদলে যাবে দেশের এ্যাভিয়েশন খাত। নবদিগন্তের সূচনা হবে দক্ষিণ এশিয়ার আকাশ যান চলাচলে। দুবাই হংকং সিঙ্গাপুরের মতো হাব গড়ে তোলার বিপুল সম্ভাবনা থেকেই প্রকল্পগুলো অগ্রাধিকার পাচ্ছে।
কেমন হবে বঙ্গবন্ধু এয়ারপোর্ট : মেগা প্রকল্পের মধ্যে সবচেয়ে বড় ও আশ্চর্যজনক হচ্ছে বঙ্গবন্ধু এয়ারপোর্ট। গত মাসে এ প্রকল্পের সমীক্ষা প্রতিবেদনের কাজ দেয়া হয়েছে জাপানী নির্মাণ সংস্থা নিপ্পনকে। ১২০ কোটি টাকার এ সমীক্ষার কাজ চলছে। প্রাথমিকভাবে চারটি স্থানে জরিপ চালানো হবে। যেটা সার্বিক বিচারে উপযোগী হবে সেটাই নির্ধারণ করা হবে। তবে সরকারের পছন্দের তালিকায় রয়েছে- পদ্মা সেতুর দক্ষিণপ্রান্তে শরীয়তপুর জেলার চর জানাজা। একটি উপযোগী স্থান বাছাই, নির্মাণের সম্ভাব্য ব্যয়, সময় ও অবকাঠামোগত সুবিধাদি তৈরি করতে কী পরিমাণ অর্থ ব্যয় হতে পারে- তারও ধারণাপত্র থাকবে সমীক্ষায়। এ সমীক্ষায় চূড়ান্ত করা হবে বর্তমান বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দশটি বিমানবন্দরের সঙ্গে তুলনামূলক অত্যাধুনিক একটি আকর্ষণীয় বিমানবন্দর নির্মাণ করা।
সিভিল এ্যাভিয়েশন প্রকৌশল শাখা সূত্রে জানা যায়, বঙ্গবন্ধু এয়ারপোর্ট শুধু সিভিল এ্যাভিয়েশন নয়Ñ গোটা বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ প্রকল্প। কমপক্ষে দুটো পদ্মা সেতুর সমান ব্যয়ে নির্মিত হবে এই এয়ারপোর্ট। আগামী বছরের ডিসেম্বরে সমীক্ষা প্রতিবেদন হাতে পেলে সরকার খুব দ্রুতগতিতে সিদ্ধান্ত নেবে। পরবর্তী তিন মাসের মধ্যেই নক্সা ও অবকাঠামোগত সব স্থাপনার বিষয় চূড়ান্ত করা হবে। তারপর অর্থাৎ ২০১৯ সালের দিকে বঙ্গবন্ধু এয়ারপোর্টের ভিত্তিপ্রস্তুর স্থাপন করার লক্ষ্য নিয়েই কাজ চলছে।
বঙ্গবন্ধু এয়ারপোর্টের সম্ভাব্য স্থান, নির্মাণ ব্যয়, সময়সীমা ও মডেল কেমন হতে পারে জানতে চাইলে প্রধান প্রকৌশলী সুধেন্দু বিকাশ গোস্বামী বলেন, এসব প্রশ্নের জবাব তৈরির কাজই দেয়া হয়েছে জাপানের শীর্ষ নির্মাণ প্রতিষ্ঠান নিপ্পনকে। নিপ্পনের সমীক্ষা প্রতিবেদন যত দ্রুত পাওয়া যাবে, তত দ্রুত এ প্রকল্পের বা এয়ারপোর্টের ভিত্তিপ্রস্তুর স্থাপন করা সম্ভব হবে। উপযুক্ত স্থান নির্ধারণের জন্য দেশের চারটি এলাকা যেমন ভালুকা, পদ্মার দক্ষিণের শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও মুন্সীগঞ্জের একটি এলাকা যাচাইবাছাই করে প্রকল্পের উপযোগী একটি গ্রহণযোগ্য স্থান নির্ধারণ করা হবে। এক্ষেত্রে অনেক বিষয় বিবেচনায় নিতে হবে। কেননা আগামী এক শ’ বছরের পরিকল্পনা মাথায় নিয়ে তৈরি করা হবে বঙ্গবন্ধু এয়ারপোর্ট। ওই এক শ’ বছরে দেশের সম্ভাব্য জনসংখ্যা, যাত্রী পরিসংখ্যান কী হবে, যাতায়াত ব্যবস্থা কতটা উন্নত হবে, বিশেষ করে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর দক্ষিণাঞ্চলে গড়ে ওঠা অন্যান্য যাতায়াত অবকাঠামো সুবিধার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এয়ারপোর্টের মডেল তৈরি করার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে প্রস্তাবিত বঙ্গবন্ধু এয়ারপোর্টের জন্য যে পরিমাণ জমির দরকার- সেটা বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে সহজে পাওয়া যাবে সেটার ওপর নির্ভর করছে সবকিছু।
সিভিল এ্যাভিয়েশন সূত্র জানায়, বঙ্গবন্ধু এয়ারপোর্ট আগামী এক শ’ বছরের পরিকল্পনা বিবেচনায় নেয়া হলেও সেটা হবে ধাপে ধাপে। প্রথম ধাপে আগামী ত্রিশ বছরে দেশের এ্যাভিয়েশন সেক্টর কতটা বৃদ্ধি পাবে, কত উড়োজাহাজ ওঠানামা করার প্রয়োজনীয়তা থাকবে সেটা বিবেচনায় রেখে এয়ারপোর্টের নক্সা তৈরি করা হবে। এমনভাবে সেটা করা হবে যাতে এক শ’ বছরের সম্ভাব্য সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলেও সেটা করা সম্ভব। যেটা বর্তমান শাহজালাল বিমানবন্দরে নেই। সম্ভাব্য ব্যয় সম্পর্কে সিভিল এ্যাভিয়েশন এখনই তেমন কোন মন্তব্য না করলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু বর্তমান শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যেসব অবকাঠামোগত সুবিধা আছে তেমন একটি এয়ারপোর্ট তৈরি করতেও কমপক্ষে ষাট হাজার কোটি টাকা লাগবে। তারপর বঙ্গবন্ধু এয়ারপোর্ট থেকে গুলিস্তানের জিরো আওয়ার পর্যন্ত বিশেষ যাতায়াত অবকাঠামো তৈরি করতেই লাগবে আরও প্রায় দশ হাজার কোটি টাকা। চর জানাজায় বঙ্গবন্ধু এয়ারপোর্ট নির্মাণ করা হলে সেখান থেকে গুলিস্তান ও বর্তমান শাহজালাল পর্যন্ত তৈরি করা হবে উড়ন্ত সেতু, বিশেষ রেল ও অন্যান্য সড়ক। যা শুধু বঙ্গবন্ধু এয়ারর্পোর্টকেন্দ্রিকই তৈরি করা হবে। এজন্য এর আনুমানিক ব্যয় কমপক্ষে ষাট হাজার কোটি টাকা ধরেই প্রকল্পে নামতে হবে। ধাপে ধাপে করলেও এ প্রকল্পটি শেষ করতে কমপক্ষে দশ বছর সময় লাগতে পারে। বঙ্গবন্ধু এয়ারপোর্টের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিপ্পন আনুষ্ঠানিকভাবে কাজে নামার আগে এ ধরনের তথ্যাদি সংগ্রহ করছে।
থার্ড টার্মিনাল : বহুপ্রতীক্ষিত থার্ড টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের লাগোয় দক্ষিণপ্রান্ত থেকে শুরু করে পদ্মা ওয়েল ডিপো পর্যন্ত। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এ প্রকল্পের কাজ অনেকটা এগিয়েছে। এরই মধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে থার্ড টার্মিনালের মূল নক্সা ও মডেল। প্রায় চৌদ্দ হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্পের কাজ করতে যাচ্ছে জাইকা। এর আগে সিভিল এ্যাভিয়েশন নিজস্ব অর্থায়নে একটি বিদেশী প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে থার্ড টার্মিনালের সমীক্ষা প্রতিবেদন ও নক্সা তৈরি করে। জাইকা দীর্ঘ পর্যবেক্ষণের পর সেই নক্সাই অনুমোদন করে। এখন অন্যান্য কারিগরি মূল্যায়নের কাজ করছে। আগামী বছরের মাঝামাঝি থার্ড টার্মিনালের মূল দরপত্র ডাকা হবে।কার্যাদেশ দেয়ার পর উচ্চ আদালতের তা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
অনুমোদিত নক্সায় দেখা যায়, এখানে থাকছে বোর্ডিং ব্রিজ। তিন তলাবিশিষ্ট একটি টার্মিনালে রাখা হয়েছে অত্যাধুনিক ডিজিটালাইজড সিস্টেম চেকইন, ইমিগ্রেশন ও প্যাসেঞ্জার লাউঞ্জ। এ টার্মিনাল থেকে বাইরে যাতায়াতের জন্য থাকছে বিশেষ টানেল, যা দিয়ে বিমানবন্দরে গোলচক্করের সংলগ্ন প্রতিটি সড়ক ব্যবস্থার সঙ্গে সংযোগ রাখা হয়েছে।
এদিকে থার্ড টার্মিনালের প্রস্তাবিত স্থানে বেসরকারী এয়ারলাইন্স ও হেলিকপ্টার সার্ভিসের স্থাপনাগুলো অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার চূড়ান্ত নোটিস দেয়া হয়েছে। সিভিল এ্যাভিয়েশন প্রকৌশল বিভাগ সূত্রে জানা যায়, থার্ড টার্মিনাল নির্মাণ কাজ বলতে শুধু একটি ভবন আর কয়েকটি বোর্ডিং ব্রিজ বোঝায় না। এগুলো ছাড়াও পাওয়ার হাউস, সাব-স্টেশন, বিভিন্ন ফ্যাসিলিটিজ, কমপক্ষে তিনটি কানেক্টিং টানেল ও ফ্লাইওভার, বর্তমান ভিআইপি লাউঞ্জ ও অন্যান্য স্থাপনা উত্তরদিকে স্থানান্তর করার মতো আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নির্মাণ করতে হবে। এসব মিলিয়েই আনুমানিক ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ হাজার কোটি টাকা।
জানা যায়, বর্তমানের অভ্যন্তরীণ টার্মিনাল ভবন, ভিভিআইপি লাউঞ্জ, ৬ বেসরকারী হেলিকপ্টারের হ্যাঙ্গার, একটি ফ্লাইং ক্লাব সরানোর জন্য এরই মধ্যে নোটিস ও এক বছর সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে। এগুলো সরিয়ে শাহজালাল বিমানবন্দরের সর্ব উত্তরপ্রান্তের কার্গো এলাকায় প্রতিস্থাপন করার জন্য জমিও দেয়া হয়েছে। বর্তমান আমদানি ও রফতানি এলাকায় সরিয়ে নেয়া হবে শাহজালালের অভ্যন্তরীণ টার্মিনাল ভবন।
রাডার ও এটিসি : আধুনিক বিশ্বের নিরাপদ বিমান চলাচলের জন্য রাডার ও এয়ারট্রাফিক কন্ট্রোল সিস্টেম প্রধান বিবেচ্য স্থাপনা। এ্যাভিয়েশন জগত যতটা এগিয়ে যাচ্ছে- রাডার ও ট্রাফিক কন্ট্রোল সিস্টেমও ততই আধুনিক হচ্ছে। আধুনিক বিশ্বের তাল মিলিয়ে সিভিল এ্যাভিয়েশনও হাতে নিয়েছে বহুল আলোচিত ও প্রতীক্ষিত এই প্রকল্প। ইতোমধ্যে পিপিপির আওতায় ডাকা হয়েছে শাহজালাল বিমানবন্দরের রাডার ও কন্ট্রোল টাওয়ার সিস্টেমের দরপত্র, যার মূল্যায়ন চূড়ান্ত পর্যায়ে। এরই মধ্যে কারিগরি মূল্যায়ন শেষ হয়েছে। এখন চলছে আর্থিক মূল্যায়নের কাজ। আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যেই আর্থিক মূল্যায়নের কাজ শেষে তা মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
এ সম্পর্কে জানা যায়- এ জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র মূল্যায়ন করতে দুই জন বিদেশী বিশেষজ্ঞ এনেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। তারা হলেন, ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এ্যাভিয়েশন অর্গানাইজেশনের (আইকাও) সার্ভিলেন্স সিস্টেম এক্সপার্ট রোলান্ড সলনার ও একই সংস্থার এটিএম (এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট) ও সিএনএস (কমিউনিকেশন নেভিগেশন সার্ভিলেন্স) বিভাগের বিশেষজ্ঞ গ্রে ডেনিশন। রাডার ও কন্ট্রোল টাওয়ার নির্মাণ কাজের জন্য জমা হওয়া দরপত্র ও দরপত্রে অংশ নেয়া কোম্পানিগুলোর যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা যাচাই-বাছাই করে বেবিচককে একটি রিপোর্টও দিয়েছেন তারা । এছাড়া তারা শাহজালালের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এই বিষয়ে প্রশিক্ষণও দেবেন।
জানা যায়, বাংলাদেশে রাডার ও কন্ট্রোল টাওয়ার নির্মাণের কাজটি এটাই প্রথম। তাই এ ব্যাপারে কোন ধরনের ঝুঁকি নেয়া হয়নি। কোন বিতর্ক ও সমালোচনা যাতে দেখা না দেয় সেজন্য কঠোরভাবে নিয়মনীতি ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্যই এ দুজন বিদেশীকে ডেকে এনে মূল্যায়ন করা হচ্ছে দরপত্রের সব কাগজপত্র।
মৃত প্রায় এ প্রকল্পটিকে পুনরুজ্জীবন প্রদানকারী সিভিল এ্যাভিয়েশানের পরিচালক (ফ্লাইট সেফটি) উইং কমান্ডার জিয়াউল কবীর চৌধুরী বলেন- এ ধরনের দরপত্র মূল্যায়ন করার জন্য ে দেশী বিশেষজ্ঞরা আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কাজ করলে কোন বিভ্রান্তি থাকবে না। মূল্যায়ন প্রক্রিয়াও নিখুঁত হবে। দুই সদস্যবিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ দলটি ইতোমধ্যেই ঢাকায় এসে রাডার ও কন্ট্রোল টাওয়ার সিস্টেমের পুরো মূল্যায়ন প্রক্রিয়াটি পর্যবেক্ষণ করেছেন।
